Sale!

The Eagle Has Landed

(1 customer review)

Author: Jack Higgins
Translator: Imtiaz Azad

নিজের বন্ধু মুসোলিনিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসার জন্য কমান্ডো পাঠালেন হিটলার, অসম্ভব এই কাজকে সম্ভব করে দেখাল অটো স্করযেনি নামের এক দুর্ধর্ষ কমান্ডো।

স্করযেনির এই সাফল্যে আশাবাদী হয়ে উঠলেন হিটলার। তিনি এবার চেয়ে বসলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিলকে!

ফুয়েরারের সেই চাওয়া পূরণ করতে, ইংল্যান্ডের নরফোকে প্যারাস্যুট নিয়ে অবতরণ করল এক দল জার্মান কমান্ডো। তাদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল কার্ট স্টাইনার।

ঈগল কি ধরে নিয়ে আসতে পারবে চার্চিলকে, পাল্টে দিতে পারবে মহাযুদ্ধের গতিপথ? নাকি ব্যর্থ হবে তাদের মিশন?

পাঠক এর উত্তর পাবেন জ্যাক হিগিন্সের মাস্টারপিস থ্রিলার ‘দ্য ঈগল হ্যাজ ল্যান্ডেড’ এ।

৳ 440 ৳ 330

184 in stock

SKU: AP-1076 Category:

Book Details

Author

Jack Higgins

Translator

Imtiaz Azad

Cover Designer

Ronok

Language

Bangla

ISBN

9789849244134

Page Number

384

Release Date

February 2018

About The Author

Jack Higgins

Jack Higgins

Henry Patterson, known also by his pseudonym name Jack Higgins, is a British author. He is one of the best-selling authors of popular thrillers and espionage novels. His novel The Eagle Has Landed sold more than 50 million copies and was adapted into a successful 1976 movie of the same title.

Imtiaz Azad

Imtiaz Azad

ইমতিয়াজ আজাদের জন্ম কুষ্টিয়ায়, শৈশব কৈশোরের পুরোটাই কেটেছে সেখানে। এইচ.এস.সি পাশ করার পরে ঢাকায় চলে আসেন, কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিঙে গ্র্যাজুয়েশন শেষ করেন আহসানউল্লাহ্‌ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। পড়াশোনা কম্পিউটার বিষয়ক হলেও শুধুমাত্র ভালোলাগার জন্য লেখালিখিতে আসা। এ পর্যন্ত তার ৫টি অনুবাদগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। সামনেই প্রকাশিত হবে তার প্রথম মৌলিক ‘যেখানে সীমান্ত’।

1 review for The Eagle Has Landed

  1. Ahnaf Tahmid

    ঈগল!

    পাখিটির নাম শুনলেই মনের মাঝে অন্যরকম সম্ভ্রম জাগে। শিকারের ওপর তার তীক্ষ্মদৃষ্টি থাকে সদা জাগরূক। অপেক্ষা করতে থাকে একদম মোক্ষম সময়ের। এরপর ছোঁ মেরে তুলে নিয়ে যায় শিকারী। দিগন্তজোড়া বিস্তৃত ডানার ঝাপটানি আর নখরের নিচে আঁকড়ে থাকে বেচারা শিকারকে। পালানোর কোনো জো নেই। আমাদের এই গল্পেও রয়েছে একদল ঈগলপাখি। ডানা ঝাপটে যারা ছুটে আসছে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিলকে ছোঁ মেরে তুলে নেবার জন্য।

    হ্যা, আপনি একটুও ভুল শোনেননি। খোদ হিটলারই যে এই আদেশ দিয়েছেন। কেন? তা জানতে হলে যেতে হবে একটু পেছনে। ওটো স্করযেনি নামের অকুতোভয় এক যোদ্ধা প্রায় অসম্ভবকে সম্ভব করার মতো এক মিশন সম্পন্ন করে মুসোলিনিকে উদ্ধার করে নিয়ে এসেছেন। আশায় আমরা বুক বাঁধি। অসম্ভবকে সত্য করার চেষ্টায় দিনমান চেষ্টা করতে থাকি। হিটলারও ঠিক এমন একটি দায়িত্ব দিয়ে বসলেন। উইনস্টন চার্চিলকে তুলে আনলে কেমন হবে? যুদ্ধের গতিপথটাই কি পাল্টে যাবে না? কে জানে, দোর্দণ্ড প্রতাপের সাথেই হয়ত জার্মান বাহিনী যুদ্ধে জয়লাভ করবে।

    শিরদাঁড়া বেয়ে কিছু মানুষের ঠাণ্ডা ঘাম ছুটে যায়। এও কি সম্ভব?

    কাগজে কলমের সম্ভাবনাকে বাস্তবেও সম্ভব বলে প্রমাণ করা হলো। দাবার ছকে বসে গেল কিছু চরিত্র। হাজির করা হলো জোয়ানা গ্রে, র‍্যাডল, হিমলার, ডেভলিন আর এই গল্পের নায়ক কার্ট স্টাইনার। যদিও গল্পটা লিয়াম ডেভলিন সিরিজের হলেও সর্বময় ছড়িয়ে আছেন স্টাইনার। তাই বলে ডেভলিনের চরিত্রও একদম কম খাটো নয়। যখন যেখানে যতটুকু দরকার, সুগন্ধীময় মশলার সাথে হাজির হয়েছেন তিনি। এমনকি মলি নামের মেয়েটার প্রতিও একটু খারাপ লেগেছিল বৈকি।। তবে দায়িত্ব আর কর্তব্যবোধের চেয়ে কিছু বড় নেই সৈনিকদের কাছে। টানটান উত্তেজনার সাথেই বইটা শেষ হয়েছে। পড়া শেষ করে খানিকক্ষণ চুপ করে বসে ছিলাম।

    যুদ্ধ আর ইতিহাস ব্যাপারটাই আসলে হয়ত এমন। চরিত্রগুলোকে এমন করে আমাদের সামনে সাজানো হয় যে কখন কার প্রতি ভালো লেগে যায়, তা বলা যায় না। নইলে এই যুদ্ধে জার্মান বাহিনীর সাফল্য কেনই বা কামনা করব, বলুন?

    পাঠ প্রতিক্রিয়া শেষ। আমি প্রতিবারই চেষ্টা করি কোনো বই পড়ার পর প্রতিক্রিয়া বা রিভিউ একটু অন্যরকমভাবে সাজাতে। এবারেও তাই দিলাম।

    পয়লা তারকা দিচ্ছি অনুবাদকের মুনশিয়ানার ওপর। চমৎকারভাবে বইটা অনুবাদ করেছেন তিনি। ৩৮৫ পৃষ্ঠার একটা বইতে একটুর জন্যও বিরক্তি উৎপাদন করতে দেননি তিনি। মাঝে মাঝে অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। এটা আসলেই কোনো অনুবাদ, নাকি মৌলিক পড়ছি? কিছু টাইপো আছে তবে তা আঙুলের কড় গুনে বলে দেয়া যায়, এতটাই কম।

    দ্বিতীয় তারকা দিচ্ছি, বর্ণনার জন্য। অনুবাদক একদম চোখে আঙুল দিয়ে দৃশ্য দেখিয়ে দিয়েছেন। এজন্য তাকে ধন্যবাদ দিতেই হয়।

    তৃতীয় তারকা দিলাম বইয়ের শেষে নির্ঘণ্ট যুক্ত করে দেয়ার জন্য। কিছু কিছু জিনিসের ব্যাখ্যার প্রয়োজন ছিল। অনুবাদক পাঠকদের সুবিধার জন্য তা সুন্দর করে পাতে তুলে দিয়েছেন।

    চতুর্থ তারকা দিলাম, বইয়ের বাঁধাইয়ের জন্য। পড়তে একটুও সমস্যা হয়নি। তবে কভারটা একটু সাদামাটা লেগেছে।

    ব্যক্তিগত মন্তব্যঃ

    ইমতিয়াজ আজাদ ভাই অনুবাদে নিয়মিত হলে অনুবাদ জগতে তার জুড়ি মেলা ভার ছিল। অসাধারণ অনুবাদ করেন তিনি। আশা করি সামনে তিনি নিয়মিত হবেন।

Add a review

Your email address will not be published. Required fields are marked *