Md. Farhad Chowdhury Shihab

পৈত্রিক সূত্রে চট্টগ্রামের মানুষ। যদিও বান্দরবান, ঢাকা আর সিলেটেই থাকা হয়েছে জীবনের বেশির ভাগ সময়।

বাবা মোঃ আয়ুব ও মা ফাহিমা পারভীন রিতা। একমাত্র বড় বোন শারমিন আক্তার শিমু।

পড়াশোনা করেছি চট্টগ্রাম টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে। বিএসসি শেষ করে ২০১৩ সালের ডিসেম্বর থেকে প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত আছি চট্টগ্রাম এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোনের একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে।

ছোটবেলা থেকেই আঁকা আঁকির সাথে ছিলাম। ঘটনাক্রমে লেখক হয়ে গেছি। দুটো শখ মানুষের কখনো থাকে না একসাথে। তবুও মাঝে মধ্যে নিজেকে আঁকিয়ে, কখনো বা লেখক হিসেবে পরিচয় দিতে আনন্দ পাই। নিজের সম্পর্কে এটুকুই।

-25%
Captain Babakowa Md. Farhad Chowdhury Shihab
Quick View
Add to Wishlist
Add to cartView cart

Captain Babakoa

Original price was: ৳ 260.Current price is: ৳ 195.
Author: Md. Farhad Chowdhury Shihab "তেলেপুকা তেলেপুকা কুথায় তুমি যাউ? এত্ত কাগুজ কেমুন করে চিবিয়ে তুমি খাউ? খাচ্ছো কেনু বই খাতা আর জুতার কালো ফিতা- বুটের কালি খাউ নাকি ভাই- মিষ্টি নাকি তিতা? আমিও খাই শাদা রবার- লাল কলমের কালি, কেরসিনের তেল খেয়ে ভাই- পট করেছি খালি! আম্মা মারে ধুরুম ধারুম- আব্বা হাসে তাই বাবাকোয়ার সৈন্য নিয়ে- কুথায় আমি যাই?" কর্ণেল বাবাকোয়ার মন খারাপ। সে বাবলিকে ধারাপাত শিক্ষা দেয়ার কর্মসূচি হাতে নিয়েছে মাত্র দুদিন হল। তার নিজের হাতে লেখা ধারাপাতের শিক্ষামূলক বাণী সম্বলিত বই। সেই বই কিনা বাবলি তেলাপোকার মত খেয়ে ফেলা শুরু করেছে তার ছোট ছোট দুই জোড়া দাঁত নিয়ে। ইঁদুর কাগজ কেটে গুঁড়া গুঁড়া করে দেয়- কিন্তু তেলাপোকা গুঁড়া ফেলে রাখে না, পুরোটাই খেয়ে নেয়। বাবলিও তেলাপোকার মত সেই বই খেয়ে হজম করে ফেলছে। বাবাকোয়া চিন্তিত খুব ব্যাপারটা নিয়ে। আম্মাকে বিষয়টা জানানোর চেষ্টা করেছিল- কিন্তু নোভেরা তাকে কেরসিন তেল খাওয়ার কারণের ধোলাই দিয়ে ছেড়ে দিয়েছে। বাবাই বিষণ্ন মুখে ডায়েরি লিখতে বসে গেছে তাই।
-25%
Captain Babakowa Md. Farhad Chowdhury Shihab
Quick View
Add to Wishlist

Captain Babakoa

Original price was: ৳ 260.Current price is: ৳ 195.
Author: Md. Farhad Chowdhury Shihab "তেলেপুকা তেলেপুকা কুথায় তুমি যাউ? এত্ত কাগুজ কেমুন করে চিবিয়ে তুমি খাউ? খাচ্ছো কেনু বই খাতা আর জুতার কালো ফিতা- বুটের কালি খাউ নাকি ভাই- মিষ্টি নাকি তিতা? আমিও খাই শাদা রবার- লাল কলমের কালি, কেরসিনের তেল খেয়ে ভাই- পট করেছি খালি! আম্মা মারে ধুরুম ধারুম- আব্বা হাসে তাই বাবাকোয়ার সৈন্য নিয়ে- কুথায় আমি যাই?" কর্ণেল বাবাকোয়ার মন খারাপ। সে বাবলিকে ধারাপাত শিক্ষা দেয়ার কর্মসূচি হাতে নিয়েছে মাত্র দুদিন হল। তার নিজের হাতে লেখা ধারাপাতের শিক্ষামূলক বাণী সম্বলিত বই। সেই বই কিনা বাবলি তেলাপোকার মত খেয়ে ফেলা শুরু করেছে তার ছোট ছোট দুই জোড়া দাঁত নিয়ে। ইঁদুর কাগজ কেটে গুঁড়া গুঁড়া করে দেয়- কিন্তু তেলাপোকা গুঁড়া ফেলে রাখে না, পুরোটাই খেয়ে নেয়। বাবলিও তেলাপোকার মত সেই বই খেয়ে হজম করে ফেলছে। বাবাকোয়া চিন্তিত খুব ব্যাপারটা নিয়ে। আম্মাকে বিষয়টা জানানোর চেষ্টা করেছিল- কিন্তু নোভেরা তাকে কেরসিন তেল খাওয়ার কারণের ধোলাই দিয়ে ছেড়ে দিয়েছে। বাবাই বিষণ্ন মুখে ডায়েরি লিখতে বসে গেছে তাই।
Add to cartView cart
Add to Wishlist
Add to Wishlist
-25%
Omitroya Md. Farhad Chowdhury Shihab
Quick View
Add to Wishlist
Add to cartView cart

Omiyatra

Original price was: ৳ 400.Current price is: ৳ 300.
Author: Md. Farhad Chowdhury Shihab

সারা গা বেয়ে টপ্‌ টপ্‌ করে পানি ঝরছে মেয়েটার। হাঁটু পর্যন্ত শাড়ি ওঠানো। পায়ে বড় বড় বালার মত মল....... পৌরাণিক দেবীর মত অবাক্ষ একটা নীরেট মুখ....... ফিসফিস করে তীব্র একটা ঝংকার তুলে কথা বলে উঠল মেয়েটা, অথচ একটা মুখ দিয়ে যেন সমস্বরে অনেকগুলো কণ্ঠ উঠে এলো- “আমারে ডাকিছো বিষাদে-বিবাদে দো-পারের তরে লাগি, এইক্ষণ আর ত্রিভুবন যেন সভয়ে লুকায়ে রাখি। তোমার আঙ্গিনা ঘুরিছি ফিরিছি মাটির ওপরে দাঁড়ায়ে, আমি জন্ম, আমি মৃত্যু- আমি ডাকিতেছি হাত বাড়ায়ে। তুমি ভয় আর অতি জিজ্ঞাসে খুঁজো আমার অর্থ কী? আমি তোমার অতীতে সুদূর লুকানো তোমারই রজনী। আমি অমিয়েত্রা......” বাহাদুর শাহ্‌ কথা বলতে পারছেন না। চোখের ওপর ভারি একটা কালো পর্দা নেমে আসছে তাঁর খুব দ্রুত। প্রবল বৃষ্টির মাঝে কাঁপতে থাকা কালো পর্দাটার মাঝ দিয়ে আবছা দেখতে পেলেন এখনো মূর্তির মত মেয়েটা তাঁর দিকে ঝুঁকে তাকিয়ে রয়েছে। স্পন্দনহীন....... রহস্যময়......

-25%
Omitroya Md. Farhad Chowdhury Shihab
Quick View
Add to Wishlist

Omiyatra

Original price was: ৳ 400.Current price is: ৳ 300.
Author: Md. Farhad Chowdhury Shihab

সারা গা বেয়ে টপ্‌ টপ্‌ করে পানি ঝরছে মেয়েটার। হাঁটু পর্যন্ত শাড়ি ওঠানো। পায়ে বড় বড় বালার মত মল....... পৌরাণিক দেবীর মত অবাক্ষ একটা নীরেট মুখ....... ফিসফিস করে তীব্র একটা ঝংকার তুলে কথা বলে উঠল মেয়েটা, অথচ একটা মুখ দিয়ে যেন সমস্বরে অনেকগুলো কণ্ঠ উঠে এলো- “আমারে ডাকিছো বিষাদে-বিবাদে দো-পারের তরে লাগি, এইক্ষণ আর ত্রিভুবন যেন সভয়ে লুকায়ে রাখি। তোমার আঙ্গিনা ঘুরিছি ফিরিছি মাটির ওপরে দাঁড়ায়ে, আমি জন্ম, আমি মৃত্যু- আমি ডাকিতেছি হাত বাড়ায়ে। তুমি ভয় আর অতি জিজ্ঞাসে খুঁজো আমার অর্থ কী? আমি তোমার অতীতে সুদূর লুকানো তোমারই রজনী। আমি অমিয়েত্রা......” বাহাদুর শাহ্‌ কথা বলতে পারছেন না। চোখের ওপর ভারি একটা কালো পর্দা নেমে আসছে তাঁর খুব দ্রুত। প্রবল বৃষ্টির মাঝে কাঁপতে থাকা কালো পর্দাটার মাঝ দিয়ে আবছা দেখতে পেলেন এখনো মূর্তির মত মেয়েটা তাঁর দিকে ঝুঁকে তাকিয়ে রয়েছে। স্পন্দনহীন....... রহস্যময়......

Add to cartView cart
Add to Wishlist
Add to Wishlist
×