And Then There Were None
The Mysterious Affairs at Styles
৳ 460 Original price was: ৳ 460.৳ 345Current price is: ৳ 345.
Author: Agatha Christie
Translator: Sayem Solaiman, Ashiqur Rahman Bishal
ডেভন কোস্ট থেকে অনতিদূরের এক দ্বীপে জড়ো হয়েছেন তাঁরা দশজন। আমন্ত্রণ জানিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাঁদেরকে সেখানে। যিনি আমন্ত্রণ জানিয়েছেন, তাঁকে ঠিকমতো চেনেন না কেউই।
অতিথিদের প্রত্যেকেরই আছে গোপন আর খারাপ একটা অতীত। তাঁরা প্রত্যেকেই কোনও-না-কোনও কুকর্মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
এবং তাঁরা একে একে পরিণত হতে লাগলেন কোনও এক খুনির শিকারে। পালানোর কোনও উপায় নেই।
ক্লু একটাই: যিনি মারা যাচ্ছেন, তিনি খুনি না। তা হলে ওই দ্বীপে হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে কে?
…নৃশংস প্লট আর অনিশ্চয়তায় পূর্ণ ঘটনাপ্রবাহে হারিয়ে গিয়ে নিজেকে প্রশ্নটা জিজ্ঞেস করতে বাধ্য হবেন আপনি বার বার। এবং কাহিনির শেষভাগে এসে হতভম্ব না-হয়ে পারবেন না।
Out of stock
Additional information
| Author | Agatha Christie |
|---|---|
| Translator | Sayem Solaiman , Ashiqur Rahman Bishal |
| Cover Designer | Adnan Ahmed Rizon |
| Language | Bangla |
| ISBN | 9789849243946 |
| Page Number | 368 |
| Release Date | January 2017 |
The Mysterious Affairs at Styles” Cancel reply
Related products
The Widows of Malabar Hill
বোম্বে, ১৯২১ সম্ভ্রান্ত জোরোস্ত্রিয়ান পরিবারের মেয়ে পারভীন মিস্ত্রি। অক্সফোর্ড ফেরত, বোম্বের একমাত্র নারী আইনজীবী। পারিবারিক ল ফার্মে সাহায্য করছে বাবাকে। তিন বিধবা স্ত্রী আর অগাধ সম্পত্তি রেখে মারা গেলেন মিঃ ওমর ফরিদ। প্রয়াত মক্কেলের সম্পত্তির মীমাংসার দায়িত্ব চাপল মিস্ত্রি ল এর উপর। কাগজ ঘাঁটাঘাঁটি করতে গিয়ে পারভীনের চোখে অদ্ভূত একটা ব্যাপার চোখে পড়ল- তিন বিধবাই তাদের সম্পত্তির অংশ দান করে দিতে চাইছে। সদ্য স্বামী হারা স্ত্রীদের এহেন আচরণে খটকা লাগে ওর। যেখানে পর্দার আড়ালে বাস করা নারীদের অবলম্বন বলতে কিছুই নেই, কেন তারা কপর্দকহীন হয়ে যেতে চাইছে? পিছন থেকে কলকাঠি নাড়ছে না তো কেউ? নিজে গিয়ে খোঁজ নেবে- সিদ্ধান্ত নিলো ও। আর তারপরেই ঘটতে শুরু করলো ঘটনা- খুন হয়ে গেলো ফরিদ হাউজের এক সদস্য, হারিয়ে গেলো এক শিশু। এদিকে পারভীনকে তাড়া করে ফিরছে ওর অতীত। বর্তমানে এসেও হানা দিচ্ছে সেই ফেলে আসা স্মৃতি। কোনদিক আগে সামলাবে ও?
The Widows of Malabar Hill
বোম্বে, ১৯২১ সম্ভ্রান্ত জোরোস্ত্রিয়ান পরিবারের মেয়ে পারভীন মিস্ত্রি। অক্সফোর্ড ফেরত, বোম্বের একমাত্র নারী আইনজীবী। পারিবারিক ল ফার্মে সাহায্য করছে বাবাকে। তিন বিধবা স্ত্রী আর অগাধ সম্পত্তি রেখে মারা গেলেন মিঃ ওমর ফরিদ। প্রয়াত মক্কেলের সম্পত্তির মীমাংসার দায়িত্ব চাপল মিস্ত্রি ল এর উপর। কাগজ ঘাঁটাঘাঁটি করতে গিয়ে পারভীনের চোখে অদ্ভূত একটা ব্যাপার চোখে পড়ল- তিন বিধবাই তাদের সম্পত্তির অংশ দান করে দিতে চাইছে। সদ্য স্বামী হারা স্ত্রীদের এহেন আচরণে খটকা লাগে ওর। যেখানে পর্দার আড়ালে বাস করা নারীদের অবলম্বন বলতে কিছুই নেই, কেন তারা কপর্দকহীন হয়ে যেতে চাইছে? পিছন থেকে কলকাঠি নাড়ছে না তো কেউ? নিজে গিয়ে খোঁজ নেবে- সিদ্ধান্ত নিলো ও। আর তারপরেই ঘটতে শুরু করলো ঘটনা- খুন হয়ে গেলো ফরিদ হাউজের এক সদস্য, হারিয়ে গেলো এক শিশু। এদিকে পারভীনকে তাড়া করে ফিরছে ওর অতীত। বর্তমানে এসেও হানা দিচ্ছে সেই ফেলে আসা স্মৃতি। কোনদিক আগে সামলাবে ও?
Cari Mora
মিয়ামি বীচ জলাধারের কাছেই বিশাল এক ম্যানশন। লোকে বলে ওটা নাকি পাবলো এসকোবার তার পরিবারের জন্য তৈরি করে গিয়েছিল। বছরের পর বছর ধরে নিষ্ঠুর লোকেরা বাড়িটার ওপর চোখ দিয়ে আসছে। আর দেবে না-ই বা কেন? পঁচিশ মিলিয়ন ডলার সমমূল্যের স্বর্ণ ওখানে লুকিয়ে রাখা আছে। হ্যান্স-পিটার শ্নাইডারও এবার এদিকেই এসেছে। ধনী লোকেদের নৃশংস কল্পনা চরিতার্থ করে পেট চালায় সে। নিজের কার্য সমাধা করার জন্য বদ্ধ পরিকর। নিজভূম থেকে নানা ঘাত-প্রতিঘাত সয়ে ক্যারি মোরা পালিয়ে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রে। পশুপাখির সেবা করার মাঝেই অনাবিল আনন্দ খুঁজে পায় সে। তবুও একলা ঘরে ফিরে গিয়ে তার মনটাও একটু খারাপ হয় বৈকি। বিশাল এই ম্যানশনের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে নিয়োজিত আছে মেয়েটা। বেঁচে থাকবার জন্য নানা ধরনের কাজ করে সে। সুন্দরী, যুদ্ধের ক্ষত বয়ে চলা ক্যারি দেখতে পেল হ্যান্সকে। লোকটা তার বিশাল পাঞ্জা তুলে এগিয়ে আসছে গুপ্তধন উদ্ধারের জন্য। তবে ক্যারির অসামান্য দক্ষতা আর বেঁচে থাকার তাগিদের পরীক্ষা এর আগেও নেয়া হয়েছে বহুবার। দেখা যাক এই যুদ্ধে কে হারে, কে জেতে! পুরুষের আকাঙ্ক্ষা আর নারীর বেঁচে থাকার তাগিদ, এই দুইয়ের চেয়ে বড় কোনো দানব বোধহয় আর নেই। টমাস হ্যারিসের মতো আর কোন লেখক এই দানবীয় আখ্যান চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলতে পেরেছে? আমেরিকান থ্রিলার মাস্টার বহুদিন পর হাজির হয়েছেন তার ষষ্ঠ উপন্যাস নিয়ে। আপনি আমন্ত্রিত...
Cari Mora
মিয়ামি বীচ জলাধারের কাছেই বিশাল এক ম্যানশন। লোকে বলে ওটা নাকি পাবলো এসকোবার তার পরিবারের জন্য তৈরি করে গিয়েছিল। বছরের পর বছর ধরে নিষ্ঠুর লোকেরা বাড়িটার ওপর চোখ দিয়ে আসছে। আর দেবে না-ই বা কেন? পঁচিশ মিলিয়ন ডলার সমমূল্যের স্বর্ণ ওখানে লুকিয়ে রাখা আছে। হ্যান্স-পিটার শ্নাইডারও এবার এদিকেই এসেছে। ধনী লোকেদের নৃশংস কল্পনা চরিতার্থ করে পেট চালায় সে। নিজের কার্য সমাধা করার জন্য বদ্ধ পরিকর। নিজভূম থেকে নানা ঘাত-প্রতিঘাত সয়ে ক্যারি মোরা পালিয়ে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রে। পশুপাখির সেবা করার মাঝেই অনাবিল আনন্দ খুঁজে পায় সে। তবুও একলা ঘরে ফিরে গিয়ে তার মনটাও একটু খারাপ হয় বৈকি। বিশাল এই ম্যানশনের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে নিয়োজিত আছে মেয়েটা। বেঁচে থাকবার জন্য নানা ধরনের কাজ করে সে। সুন্দরী, যুদ্ধের ক্ষত বয়ে চলা ক্যারি দেখতে পেল হ্যান্সকে। লোকটা তার বিশাল পাঞ্জা তুলে এগিয়ে আসছে গুপ্তধন উদ্ধারের জন্য। তবে ক্যারির অসামান্য দক্ষতা আর বেঁচে থাকার তাগিদের পরীক্ষা এর আগেও নেয়া হয়েছে বহুবার। দেখা যাক এই যুদ্ধে কে হারে, কে জেতে! পুরুষের আকাঙ্ক্ষা আর নারীর বেঁচে থাকার তাগিদ, এই দুইয়ের চেয়ে বড় কোনো দানব বোধহয় আর নেই। টমাস হ্যারিসের মতো আর কোন লেখক এই দানবীয় আখ্যান চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলতে পেরেছে? আমেরিকান থ্রিলার মাস্টার বহুদিন পর হাজির হয়েছেন তার ষষ্ঠ উপন্যাস নিয়ে। আপনি আমন্ত্রিত...
Elephant Can Remember
Endless Night
সাহিত্যিকদের ভোজসভায় প্রথমবারের মতো গিয়েই ফেঁসে গেলেন স্বনামধন্য রহস্য ঔপন্যাসিকা মিসেস অলিভার। চেনা নেই, জানা নেই, হঠাত করেই উটকো এক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হলো। সিলিয়া র্যাভেন্সক্রফটের বাবা-মায়ের সাথে আসলে কী ঘটেছিল? পরিকল্পিত আত্মহত্যা, নাকি ঠাণ্ডা মাথায় খুন? মিসেস বার্টন-কক্সের জন্য প্রশ্নটির উত্তর জানা জরুরী। তার ছেলে ডেসমন্ড ও মিসেস অলিভারের ধর্মকন্যা সিলিয়ার বিয়ে হতে যাচ্ছে খুব শিগগির। কিন্তু যে মেয়ের বাবা-মায়ের সাথে এমন ঘটনা ঘটেছে, তার সাথে কি ছেলের বিয়ে দিতে আছে? নাকি অন্য কোন স্বার্থ আছে মিসেস বার্টন-কক্সের এ প্রশ্নের? কৌতুহল চেপে রাখা কঠিন হয়ে দাঁড়াল মিসেস অলিভারের জন্য। সাহায্যের জন্য দ্বারস্থ হলেন বন্ধু ও দুঁদে গোয়েন্দা এরকুল পোয়ারোর। বিনি সুতোয় মালা গাঁথতে শুরু করলেন দু’জনে। একের পর এক ‘হাতির’ কাছে যাচ্ছেন, শুনছেন অতীতের এক অবিশ্বাস্য কাহিনি। সত্যটা কী, জানতে হলে যেতে হবে আরো গভীরে। পোয়ারোর সামনে এবার স্বামী-স্ত্রী দ্বৈত হত্যা মামলা। গুলিবিদ্ধ দেহদুটো নিজেরাই কি বেছে নিয়েছিল করুণ এক পরিণতি? নাকি তারা কারো প্রতিহিংসার শিকার? সামান্য কিছু উইগের সূত্র ধরে পোয়ারো ধীরে ধীরে উন্মোচন করলেন অকল্পনীয় এক সত্য। হিংসা, ঘৃণা, আবেগ, ভালোবাসা
Elephant Can Remember
Endless Night
সাহিত্যিকদের ভোজসভায় প্রথমবারের মতো গিয়েই ফেঁসে গেলেন স্বনামধন্য রহস্য ঔপন্যাসিকা মিসেস অলিভার। চেনা নেই, জানা নেই, হঠাত করেই উটকো এক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হলো। সিলিয়া র্যাভেন্সক্রফটের বাবা-মায়ের সাথে আসলে কী ঘটেছিল? পরিকল্পিত আত্মহত্যা, নাকি ঠাণ্ডা মাথায় খুন? মিসেস বার্টন-কক্সের জন্য প্রশ্নটির উত্তর জানা জরুরী। তার ছেলে ডেসমন্ড ও মিসেস অলিভারের ধর্মকন্যা সিলিয়ার বিয়ে হতে যাচ্ছে খুব শিগগির। কিন্তু যে মেয়ের বাবা-মায়ের সাথে এমন ঘটনা ঘটেছে, তার সাথে কি ছেলের বিয়ে দিতে আছে? নাকি অন্য কোন স্বার্থ আছে মিসেস বার্টন-কক্সের এ প্রশ্নের? কৌতুহল চেপে রাখা কঠিন হয়ে দাঁড়াল মিসেস অলিভারের জন্য। সাহায্যের জন্য দ্বারস্থ হলেন বন্ধু ও দুঁদে গোয়েন্দা এরকুল পোয়ারোর। বিনি সুতোয় মালা গাঁথতে শুরু করলেন দু’জনে। একের পর এক ‘হাতির’ কাছে যাচ্ছেন, শুনছেন অতীতের এক অবিশ্বাস্য কাহিনি। সত্যটা কী, জানতে হলে যেতে হবে আরো গভীরে। পোয়ারোর সামনে এবার স্বামী-স্ত্রী দ্বৈত হত্যা মামলা। গুলিবিদ্ধ দেহদুটো নিজেরাই কি বেছে নিয়েছিল করুণ এক পরিণতি? নাকি তারা কারো প্রতিহিংসার শিকার? সামান্য কিছু উইগের সূত্র ধরে পোয়ারো ধীরে ধীরে উন্মোচন করলেন অকল্পনীয় এক সত্য। হিংসা, ঘৃণা, আবেগ, ভালোবাসা
Towards Zero and The Witness For The Prosecution and Other Stories
নিজ গৃহে গভীর রাতে খুন হলেন লেডি ট্রেসেলিয়ান! কিন্তু আত্মহত্যার এক ব্যর্থ প্রচেষ্টা, এক স্কুল পড়ুয়া মেয়ের বিরুদ্ধে চুরির ভুল অভিযোগ আর মিঃ ট্রেভস এর মৃত্যুর সাথে এক জনপ্রিয় টেনিস খেলোয়ারের ব্যক্তিগত জীবনের সম্পর্কটা কী? আপাতদৃষ্টিতে ঘটনাগুলো খাপছাড়া মনে হয়। কিন্তু যখন লেডি ট্রেসেলিয়ানের বাড়িতে একই ছাদের নিচে অনেক অতিথি এসে উপস্থিত, তখন ঘটনা নাটকীয় মোড় নেয়। একে একে পরিষ্কার হয়ে আসে সব কিছু। খাপছাড়া ঘটনাগুলোই তখন তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে পড়ে! সব কিছু ঘটছে এক খুনের পরিকল্পনাকে ঘিরে...! কিন্তু কে কাকে খুন করতে চাইছে? রহস্যের এই ধূম্রজাল কাটবে তো?
Towards Zero and The Witness For The Prosecution and Other Stories
নিজ গৃহে গভীর রাতে খুন হলেন লেডি ট্রেসেলিয়ান! কিন্তু আত্মহত্যার এক ব্যর্থ প্রচেষ্টা, এক স্কুল পড়ুয়া মেয়ের বিরুদ্ধে চুরির ভুল অভিযোগ আর মিঃ ট্রেভস এর মৃত্যুর সাথে এক জনপ্রিয় টেনিস খেলোয়ারের ব্যক্তিগত জীবনের সম্পর্কটা কী? আপাতদৃষ্টিতে ঘটনাগুলো খাপছাড়া মনে হয়। কিন্তু যখন লেডি ট্রেসেলিয়ানের বাড়িতে একই ছাদের নিচে অনেক অতিথি এসে উপস্থিত, তখন ঘটনা নাটকীয় মোড় নেয়। একে একে পরিষ্কার হয়ে আসে সব কিছু। খাপছাড়া ঘটনাগুলোই তখন তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে পড়ে! সব কিছু ঘটছে এক খুনের পরিকল্পনাকে ঘিরে...! কিন্তু কে কাকে খুন করতে চাইছে? রহস্যের এই ধূম্রজাল কাটবে তো?

Reviews
There are no reviews yet.