Patang
৳ 300 Original price was: ৳ 300.৳ 225Current price is: ৳ 225.
Author: Bhaskar Chattopadhyay
Translator: Shahriar Shaikat
মুম্বাই শহরে নৃশংসভাবে একের পর এক খুন হয়ে যাচ্ছে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। প্র্যত্যেককে খুন করে সুউচ্চ স্থানে ঘুড়ির মতো আকার দিয়ে ঝুলিয়ে রেখে যাচ্ছে খুনি। প্রত্যেকের লাশের সাথে কাগজে লেখা চিরকুটে মিলছে একটি ধাঁধাঁ, যেখানে রয়েছে পরবর্তী খুনের পূর্বাভাস। এটা কি তবে কোন সিরিয়াল কিলারের কাজ? কিন্তু একা এতো উঁচুতে খুনি কিভাবে তুলল ওর শিকারকে? এতো পরিশ্রম করে এভাবে মেরে ফেলে রেখে যাবার উদ্দেশ্যই বা কী? তদন্তে নেমেছে দুঁদে ডিটেকটিভ চন্দ্রকান্ত রাঠোর। সূত্র ধরে একের পর এক ধাঁধাঁ সমাধা করে খুনিকে খুঁজে বের করতে হবে তার। পরের খুন হয়ে যাবার আগেই ধরে ফেলতে হবে পাগল খুনিটাকে। কিন্তু এবারের খুনি সত্যিই তুখোড় মেধা সম্পন্ন। ঘাম ছুটে যাচ্ছে রাঠোরের। যার দীর্ঘদিনের ক্যারিয়ারে ব্যর্থতা বলতে কোন শব্দ নেই সেই রাঠোর কি তবে এবার হেরে যেতে চলেছে? চলছে খুনি ও ডিটেকটিভের মনস্তাত্ত্বিক ইঁদুর বিড়াল খেলা। গুরুতর সমস্যা উদ্ভুত হয়েছে আরো। প্রায় একই ধরণের আরেকটি খুন হয়েছে শহরে। এক কেস সমাধান করতে গিয়ে আরেকটি কেসের সাথে যোগসূত্র মিলে যাচ্ছে। কিন্তু এ কী করে সম্ভব? দারুণ এক টানাপোড়েনে আটকে রয়েছে ডিটেকটিভ রাঠোর। সে কি পারবে এর জট ছাড়াতে?
প্রখ্যাত গল্পকার ভাস্কর চট্টোপাধ্যায়ের ‘পাতাং’ এক টানটান উত্তেজনায় পরিপূর্ণ থ্রিলার যা পাঠককে এক টানে নিয়ে যাবে এক অজানা ভূবনে। সেই অজানা ভূবনে আপনাকে স্বাগতম।
255 in stock
Additional information
| Author | Bhaskar Chattopadhyay |
|---|---|
| Translator | Shahriar Shaikat |
| Cover Designer | Adnan Ahmed Rizon |
| Language | Bangla |
| ISBN | 9789849132875 |
| Page Number | 222 |
| Release Date | February, 2020 |
1 review for Patang
Related products
The Paris Vendetta
১৮২১ সালে মৃত্যু হয় নির্বাসিত সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্টের। তিনি কবরে সাথে করে নিয়ে যান এক গোপন তথ্য। লুটপাট করা অজস্র সম্পদ কোথায় লুকিয়ে রেখেছিলেন তিনি- সে তথ্য অনেক চেষ্টা করেও তার জীবদ্দশায় জানতে পারেনি ব্রিটিশরা। বলা হয়, তার উইলেও তেমন কিছু খুঁজে পাওয়া যায়নি। কিন্তু সত্যিই কি তাই? জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের এক প্রাক্তন অপারেটিভ কটন ম্যালন চায় নির্ঝঞ্ঝাট জীবন। কিন্তু তার কোপেনহেগেনের বইয়ের দোকানের কাচ ভেঙে প্রবেশ করা আমেরিকান সিক্রেট সার্ভিস এজেন্ট সে সুযোগ দিল কই? বাধ্য করল ওকে অস্ত্র হাতে নামতে । ম্যালনের বন্ধু থ্রভাল্ডসেনও জড়িয়ে পড়ল এতে। কিন্তু ডেনিশ এই ধনী ব্যবসায়ীর আসল উদ্দেশ্যটা কী? কঠিন এক সিদ্ধান্তের সামনে এসে দাঁড়াল ম্যালন, কাকে বেছে নেবে ও? রাষ্ট্রের চেয়ে কি বন্ধুত্ব বড়? বর্তমানের চেয়ে অতীত? ডেনমার্কে যে যাত্রার শুরু, তার শেষ হলো প্যারিসে এসে। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো তো?
The Paris Vendetta
১৮২১ সালে মৃত্যু হয় নির্বাসিত সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্টের। তিনি কবরে সাথে করে নিয়ে যান এক গোপন তথ্য। লুটপাট করা অজস্র সম্পদ কোথায় লুকিয়ে রেখেছিলেন তিনি- সে তথ্য অনেক চেষ্টা করেও তার জীবদ্দশায় জানতে পারেনি ব্রিটিশরা। বলা হয়, তার উইলেও তেমন কিছু খুঁজে পাওয়া যায়নি। কিন্তু সত্যিই কি তাই? জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের এক প্রাক্তন অপারেটিভ কটন ম্যালন চায় নির্ঝঞ্ঝাট জীবন। কিন্তু তার কোপেনহেগেনের বইয়ের দোকানের কাচ ভেঙে প্রবেশ করা আমেরিকান সিক্রেট সার্ভিস এজেন্ট সে সুযোগ দিল কই? বাধ্য করল ওকে অস্ত্র হাতে নামতে । ম্যালনের বন্ধু থ্রভাল্ডসেনও জড়িয়ে পড়ল এতে। কিন্তু ডেনিশ এই ধনী ব্যবসায়ীর আসল উদ্দেশ্যটা কী? কঠিন এক সিদ্ধান্তের সামনে এসে দাঁড়াল ম্যালন, কাকে বেছে নেবে ও? রাষ্ট্রের চেয়ে কি বন্ধুত্ব বড়? বর্তমানের চেয়ে অতীত? ডেনমার্কে যে যাত্রার শুরু, তার শেষ হলো প্যারিসে এসে। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো তো?
The Eyes of Darkness
The Eyes of Darkness
Contest
নিউ ইয়র্ক পাবলিক লাইব্রেরী। ১০০ বছরের পুরনো জ্ঞানভান্ডারটিতে বইয়ের তাকগুলো যেন তৈরি করেছে এক গোলকধাঁধা, সরু সব করিডর আর মার্বেল পাথরের হলওয়ে। আর দশজনের কাছে এটি সাধারণ লাইব্রেরী হলেও, ডক্টর স্ফিফেন সোয়েইন আর তার একমাত্র কন্যা হলির কাছে তা রীতিমতো দুঃস্বপ্নের সামিল। কারণ এখানে কাটানো এক রাতের কন্টেস্টে অংশ নিয়ে প্রাণ খোয়াতে বসেছিল তারা। কন্টেস্টের কথা শুনে আকাশ থেকে পড়েছিল সোয়েইন। ইচ্ছার বিরুদ্ধে হলেও যেখানে তাকে অংশ নিতে হবে। খেলার নিয়ম খুব সহজ-সাতজন প্রতিযোগী গোলকধাঁধায় প্রবেশ করবে, বের হবে মাত্র একজন।
Contest
নিউ ইয়র্ক পাবলিক লাইব্রেরী। ১০০ বছরের পুরনো জ্ঞানভান্ডারটিতে বইয়ের তাকগুলো যেন তৈরি করেছে এক গোলকধাঁধা, সরু সব করিডর আর মার্বেল পাথরের হলওয়ে। আর দশজনের কাছে এটি সাধারণ লাইব্রেরী হলেও, ডক্টর স্ফিফেন সোয়েইন আর তার একমাত্র কন্যা হলির কাছে তা রীতিমতো দুঃস্বপ্নের সামিল। কারণ এখানে কাটানো এক রাতের কন্টেস্টে অংশ নিয়ে প্রাণ খোয়াতে বসেছিল তারা। কন্টেস্টের কথা শুনে আকাশ থেকে পড়েছিল সোয়েইন। ইচ্ছার বিরুদ্ধে হলেও যেখানে তাকে অংশ নিতে হবে। খেলার নিয়ম খুব সহজ-সাতজন প্রতিযোগী গোলকধাঁধায় প্রবেশ করবে, বের হবে মাত্র একজন।
The Innocent
আমেরিকান সরকারের ভাড়াটে খুন উইল রোবি, কঠিন সব মিশন ওর কাছে নস্যি। সেই রোবিই করে বসল অঘটন, মিশনে ঘাপলা টের পেয়ে না মেরে ছেড়ে দিলো টার্গেটকে। সাথে সাথে বন্ধুরাই হয়ে গেল ওর শত্রু। ওকে ধ্বংস করার জন্য উঠে পড়ে লাগল। পালাতে গিয়ে ওর দেখা হলো এক কিশোরীর সাথে। পালিয়েছে মেয়েটাও। ওর ঘাড়েও ঝুলছে বিপদের খাঁড়া। মেয়েটাকে উদ্ধার করে সঙ্গী করল রোবি। ভয়ঙ্কর অতীত তাড়া করে চলছে কিশোরীকে। খতম করে দিতে পারে যখন তখন। বাঁচতে হলে লুকিয়ে থাকা চলবে না। আবার ধরা পড়লেও বিপদ। কী আছে ওদের ভাগ্যে? জানতে হলে পড়ুন ডেভিড বালদাশির থ্রিলার উপন্যাস- দ্য ইনোসেন্ট।
The Innocent
আমেরিকান সরকারের ভাড়াটে খুন উইল রোবি, কঠিন সব মিশন ওর কাছে নস্যি। সেই রোবিই করে বসল অঘটন, মিশনে ঘাপলা টের পেয়ে না মেরে ছেড়ে দিলো টার্গেটকে। সাথে সাথে বন্ধুরাই হয়ে গেল ওর শত্রু। ওকে ধ্বংস করার জন্য উঠে পড়ে লাগল। পালাতে গিয়ে ওর দেখা হলো এক কিশোরীর সাথে। পালিয়েছে মেয়েটাও। ওর ঘাড়েও ঝুলছে বিপদের খাঁড়া। মেয়েটাকে উদ্ধার করে সঙ্গী করল রোবি। ভয়ঙ্কর অতীত তাড়া করে চলছে কিশোরীকে। খতম করে দিতে পারে যখন তখন। বাঁচতে হলে লুকিয়ে থাকা চলবে না। আবার ধরা পড়লেও বিপদ। কী আছে ওদের ভাগ্যে? জানতে হলে পড়ুন ডেভিড বালদাশির থ্রিলার উপন্যাস- দ্য ইনোসেন্ট।

Ahnaf Tahmid –
ভিউ দেয়ার আগে আমি প্রথমে নেট ঘেঁটে একটু দেখে নিই বইটা সম্পর্কে কে কেমন কথাবার্তা বলেছেন। পাতাং নিয়ে আমার মধ্যে একটা কৌতূহল কাজ করেছিল একজনের কথা শুনে। তাকে নিয়ে লেখকের একটি ইন্টারভিউও পড়েছিলাম হিন্দুস্তান টাইমসে কিংবা দ্য হিন্দু (এর মাঝে কোনো একটা। ঠিক নিশ্চিত হতে পারছি না পত্রিকাটার নাম কী ছিল)। তার নাম শ্রীরাম রাঘাভান। বলিউডের থ্রিলার জনরা চলচ্চিত্রের অন্যতম দিকপাল শ্রীরাম পাতাংকে দিয়েছেন অকুণ্ঠ প্রশংসা। এবারের বইমেলা থেকে এই বইটাই প্রথম সংগ্রহ করলাম।
এবার আসি টুকরো কাহিনীতে।
মুম্বাই শহরে একের পর এক খুন হয়ে যাচ্ছে। মৃত শরীরগুলো সাজিয়ে রাখা হচ্ছে ঠিক ঘুড়ির আদলে। টেলিকম টাওয়ারের একদম উঁচুতে ঝুলিয়ে দেয়া হচ্ছে শরীরগুলো। পুলিশ খুনীর পেছনে আদাজল খেয়ে লাগল। কোনো লাভ হচ্ছে না। এরপর সাহায্য চাওয়া হলো ডাকসাইটে প্রাইভেট ইনভেস্টিগেটর এবং প্রাক্তন জার্নালিস্ট চন্দ্রকান্ত রাঠোরের কাছে। পুলিশের কাজে আগেও সে বেশ অনেকবার সাহায্য করেছে। পাতাং কিলারকে ধরতে তারও কালোঘাম ছুটে গেল। তবে শেষ পর্যন্ত ধরতে সমর্থ হলো সে।
গল্প এখানেই শেষ নয়। বলা যায় মাত্র শুরু হয়েছে। ঠিক তিনমাস পর আবারও হত্যাযজ্ঞ। ঠিক একইভাবে। পাতাং কিলার কি তবে ফিরে এসেছে? কিন্তু তা কীভাবে সম্ভব? চন্দ্রকান্ত তো সাইকোপ্যাথকে চোদ্দশিকের আড়ালে পাঠিয়ে দিয়েছে। তাহলে এই খুনগুলো করছে কে? কোনো কপিক্যাট কিলার নাকি আমাদের বুঝতে ভুল হচ্ছে? আসল খুনী আদতে ধরাই পড়েনি তো?
পয়েন্ট আকারে তুলে দিচ্ছি নিজের ভালো লাগা এবং মন্দ লাগাঃ
১) যেহেতু বইটার অনুবাদ পড়েছি, শুরুতেই আসি অনুবাদ প্রসঙ্গে। অনুবাদ সামান্য জড়তা আছে তবে তা টানটান উত্তেজনার পাতাংকে একটুও বিরক্তিকর মাত্রায় নিয়ে যায়নি। অনুবাদককে বলব তিনি যেন তার পরবর্তী অনুবাদগুলোটে জটিল বাক্যের ব্যবহার আরও কমান। সামান্য কিছু বানানের ভুল আছে। বাদবাকি ঠিকঠাক। পড়তে সমস্যা হয়নি। একটান দিয়েই পড়া গিয়েছে।
২) পাতাং-এর প্রধান নায়ক হচ্ছে এর কাহিনী। একদম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পাঠককে ধরে রাখবে, এ কথা নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি। চন্দ্রকান্ত রাঠোর যে সুপার হিউম্যান কোনো ডিটেকটিভ না, তারও ভুল হতে পারে- এটাও তুলে ধরা হয়েছে চমৎকারভাবে। তবে প্রতিটা অধ্যায়ে পাঠককে বারবার মনে করিয়ে দেয়া হয়েছে চন্দ্রকান্ত এবং খল প্রচণ্ড বুদ্ধিমান দুজন মানুষ। এটার দরকার ছিল না। তাছাড়া পুলিশ সুপারের সাথে চন্দ্রকান্তের বচসাও খুব একটা ভালো লাগেনি। পুলিশ যেখানে নিজেই সাহায্য চাইছে চন্দ্রকান্ত রাঠোরের, সেখানে তার সাথে এমন বাজে ব্যবহারের দরকার ছিল বলে মনে করি না।
৩) মুম্বাইয়ের প্রেক্ষাপটে তৈরি করা হয়েছে গল্পটা। যখন খুনগুলো হচ্ছে, তখন শহরে বৃষ্টিপাতের মৌসুম। বর্ণনার দিক থেকে কিছুটা খামতি মনে হয়েছে লেখকের দিক থেকে। বৃষ্টি এবং শহরের আবহাওয়া বইটির অন্যতম প্রধান দুটো এলিমেন্ট। লেখক কাহিনীতেই মন দিয়েছেন বেশি। বর্ণনার দিকে না। সেদিক থেকে দেখতে গেলে ঠিকই আছে।
৪) চরিত্রায়ণের দিক থেকে বলব পাতাং-এর অন্যতম টুইস্টিং এলিমেন্ট অনন্যা সম্পর্কে আরও একটু বিস্তারিত বললে ভালো হতো।
৫) গল্পের শেষটা একেবারে মাথা ঘুরিয়ে দেবার মতো। হত্যাকারী কে, সেটা নিশ্চিত হয়ে যখন একটা দেঁতো হাসি দিচ্ছি, ঠিক তখনই পুরো গল্পটা ১৮০ ডিগ্রী ঘুরে গেল। এরকম যবনিকা আমি আশা করিনি। লেখক ভাস্করকে চট্টোপাধ্যায়কে একটা ধন্যবাদ দিতেই হয়।
৬) সাউথ ইন্ডিয়াতে যে ধরনের টানটান উত্তেজনাকর থ্রিলার চলচ্চিত্র তৈরি করা হয়, পাতাং তার কাছাকাছি যেয়েও ঠিকভাবে ছুঁতে পারেনি। লেখম নিজেই একটা ইন্টারভিউতে বলেছেন বইটি তিনি প্রথমে শুরু করেছিলেন চলচ্চিত্রের স্ক্রিপ্ট হিসেবে। পরে উপন্যাসে রূপ দিয়েছেন। প্রথম কারণ- লেখকের মূল ফোকাস ছিল কাহিনীতে। সেক্ষেত্রে তিনি সফল। তবে, চরিত্রায়নের দিকে খুব বেশি ডিটেইলিঙের চেষ্টা তিনি করেননি। প্রটাগনিস্ট এবং এন্টাগনিস্টের দ্বৈরথের মাঝেই নিমজ্জিত ছিলেন। বাকি চরিত্রগুলোর ব্যাপ্তি-বুৎপত্তি আমার মতো পাঠকদের কাছে অধরাই থাকবে (কিংবা না)
রেটিং: মূল গল্প- ৪.২/৫
অনুবাদ- ৪/৫