Ramses: Under the Western Acacia
৳ 350 Original price was: ৳ 350.৳ 263Current price is: ৳ 263.
Author: Christian Jacq
Translator: Md. Fuad Al Fidah
স্বর্ণালী বিশটি বছর কাটিয়ে, জীবনের সায়াহ্নে এসে উপস্থিত হয়েছেন মহান ফারাও, দ্বিতীয় রামেসিস। কিন্তু স্বর্ণালী যুগটা যেন এখানেই শেষ না হয়ে যায়, সেজন্য স্ত্রী ইসেটকে পাশে নিয়ে আরেকটা কাজ করতে হবে তাকে-নিশ্চিত করতে হবে হাট্টিদের সাথে শান্তিচুক্তি…সেই সাথে বেছে নিতে হবে দুই সন্তানের একজনকে, তার উত্তরাধিকারী হিসাবে।
কিন্তু চাইলেই কী আর অতীতকে ঝেড়ে ফেলা যায়? শান্তি চায় হাট্টিরাও, কিন্তু সেই শান্তির জন্য মিশরকে চুকাতে হবে চরম এক মূল্য। এদিকে অন্ধকারে লুকিয়ে আছে উরি-টেশুপ, রামেসিসের রাজত্বের অবসান ঘটানোই যার পরম লক্ষ্য।
নতুন প্রজন্মের কালো শক্তির সামনে, পথ হারাবেন না তো রামেসিস?
250 in stock
Additional information
| Author | Christian Jacq |
|---|---|
| Translator | Md. Fuad Al Fidah |
| Cover Designer | Adnan Ahmed Rizon |
| Language | Bangla |
| ISBN | 9789849244127 |
| Page Number | 288 |
| Release Date | Boimela 2018 |
Related products
The Widows of Malabar Hill
বোম্বে, ১৯২১ সম্ভ্রান্ত জোরোস্ত্রিয়ান পরিবারের মেয়ে পারভীন মিস্ত্রি। অক্সফোর্ড ফেরত, বোম্বের একমাত্র নারী আইনজীবী। পারিবারিক ল ফার্মে সাহায্য করছে বাবাকে। তিন বিধবা স্ত্রী আর অগাধ সম্পত্তি রেখে মারা গেলেন মিঃ ওমর ফরিদ। প্রয়াত মক্কেলের সম্পত্তির মীমাংসার দায়িত্ব চাপল মিস্ত্রি ল এর উপর। কাগজ ঘাঁটাঘাঁটি করতে গিয়ে পারভীনের চোখে অদ্ভূত একটা ব্যাপার চোখে পড়ল- তিন বিধবাই তাদের সম্পত্তির অংশ দান করে দিতে চাইছে। সদ্য স্বামী হারা স্ত্রীদের এহেন আচরণে খটকা লাগে ওর। যেখানে পর্দার আড়ালে বাস করা নারীদের অবলম্বন বলতে কিছুই নেই, কেন তারা কপর্দকহীন হয়ে যেতে চাইছে? পিছন থেকে কলকাঠি নাড়ছে না তো কেউ? নিজে গিয়ে খোঁজ নেবে- সিদ্ধান্ত নিলো ও। আর তারপরেই ঘটতে শুরু করলো ঘটনা- খুন হয়ে গেলো ফরিদ হাউজের এক সদস্য, হারিয়ে গেলো এক শিশু। এদিকে পারভীনকে তাড়া করে ফিরছে ওর অতীত। বর্তমানে এসেও হানা দিচ্ছে সেই ফেলে আসা স্মৃতি। কোনদিক আগে সামলাবে ও?
The Widows of Malabar Hill
বোম্বে, ১৯২১ সম্ভ্রান্ত জোরোস্ত্রিয়ান পরিবারের মেয়ে পারভীন মিস্ত্রি। অক্সফোর্ড ফেরত, বোম্বের একমাত্র নারী আইনজীবী। পারিবারিক ল ফার্মে সাহায্য করছে বাবাকে। তিন বিধবা স্ত্রী আর অগাধ সম্পত্তি রেখে মারা গেলেন মিঃ ওমর ফরিদ। প্রয়াত মক্কেলের সম্পত্তির মীমাংসার দায়িত্ব চাপল মিস্ত্রি ল এর উপর। কাগজ ঘাঁটাঘাঁটি করতে গিয়ে পারভীনের চোখে অদ্ভূত একটা ব্যাপার চোখে পড়ল- তিন বিধবাই তাদের সম্পত্তির অংশ দান করে দিতে চাইছে। সদ্য স্বামী হারা স্ত্রীদের এহেন আচরণে খটকা লাগে ওর। যেখানে পর্দার আড়ালে বাস করা নারীদের অবলম্বন বলতে কিছুই নেই, কেন তারা কপর্দকহীন হয়ে যেতে চাইছে? পিছন থেকে কলকাঠি নাড়ছে না তো কেউ? নিজে গিয়ে খোঁজ নেবে- সিদ্ধান্ত নিলো ও। আর তারপরেই ঘটতে শুরু করলো ঘটনা- খুন হয়ে গেলো ফরিদ হাউজের এক সদস্য, হারিয়ে গেলো এক শিশু। এদিকে পারভীনকে তাড়া করে ফিরছে ওর অতীত। বর্তমানে এসেও হানা দিচ্ছে সেই ফেলে আসা স্মৃতি। কোনদিক আগে সামলাবে ও?
Seraglio Sultan Suleiman 2nd Part
আমার ছেলেদেরকে কবে আর কখন খুন করলে ভালো হয়? ভাবলেন সুলতান সুলেইমান। পারব কি কাজটা করতে? আমার পিতা পেরেছিলেন। তার পর এই দায়িত্বটা তো আমার উপরেই বর্তায়। আমি কেন মুস্তাফার জন্য পিতা হিসেবে একই কাজটা করব না? হ্যাঁ, শাহজাদা তো মুস্তাফাই। কিন্তু একবার সিংহাসনে বসার পর, রাতে শান্তির ঘুম ঘুমাতে চাইলে অন্য দাবীদারকে ওর হত্যা করতেই হবে। সেলিমকে হারাতে খুব একটা কষ্ট হবে না। কিন্তু ছোট্ট জাহাঙ্গীরের কী হবে? বাচ্চাটা তো মাছির কষ্টও সহ্য করতে পারে না! পঙ্গু ছেলেটা কার কী ক্ষতি করবে! ওকেও কী জল্লাদের হাতে তুলে দেব? আর হুররেম, আমার মিষ্টি হুররেম; ওর কী হবে? মুস্তাফা সিংহাসনে বসার সাথে সাথে ওর মা হুররেমকে বসফরাসের পানিতে চুবিয়ে পারবে। আগেও একবার গুলবাহার ক্ষতি করতে চেয়েছিল রানির। এখন নাকি মোটা হয়েছে মুস্তাফার মা। মানিশায় বসে বসে হুররেমের নামে কুৎসা গেয়ে আর ওকে ডাইনী বলে গালি দিয়েই দিন কাটে এখন তার। ওর কাছ থেকে আর যা-ই হোক, ক্ষমা আশা করা যায় না। কী করব তাহলে আমি? আমার অন্য সন্তানদের খুন করব? নাকি সমস্যাটা মৃত্যুর সময় আমার বড় ছেলের ঘাড়ে চাপিয়ে দেব? আর যদি খুন করি, তাহলে কবে বা কখন করব? আর ওদের মা, একমাত্র যে মেয়েটাকে আমি এ জীবনে ভালবেসেছি, তার-ই বা কী হবে?
Seraglio Sultan Suleiman 2nd Part
আমার ছেলেদেরকে কবে আর কখন খুন করলে ভালো হয়? ভাবলেন সুলতান সুলেইমান। পারব কি কাজটা করতে? আমার পিতা পেরেছিলেন। তার পর এই দায়িত্বটা তো আমার উপরেই বর্তায়। আমি কেন মুস্তাফার জন্য পিতা হিসেবে একই কাজটা করব না? হ্যাঁ, শাহজাদা তো মুস্তাফাই। কিন্তু একবার সিংহাসনে বসার পর, রাতে শান্তির ঘুম ঘুমাতে চাইলে অন্য দাবীদারকে ওর হত্যা করতেই হবে। সেলিমকে হারাতে খুব একটা কষ্ট হবে না। কিন্তু ছোট্ট জাহাঙ্গীরের কী হবে? বাচ্চাটা তো মাছির কষ্টও সহ্য করতে পারে না! পঙ্গু ছেলেটা কার কী ক্ষতি করবে! ওকেও কী জল্লাদের হাতে তুলে দেব? আর হুররেম, আমার মিষ্টি হুররেম; ওর কী হবে? মুস্তাফা সিংহাসনে বসার সাথে সাথে ওর মা হুররেমকে বসফরাসের পানিতে চুবিয়ে পারবে। আগেও একবার গুলবাহার ক্ষতি করতে চেয়েছিল রানির। এখন নাকি মোটা হয়েছে মুস্তাফার মা। মানিশায় বসে বসে হুররেমের নামে কুৎসা গেয়ে আর ওকে ডাইনী বলে গালি দিয়েই দিন কাটে এখন তার। ওর কাছ থেকে আর যা-ই হোক, ক্ষমা আশা করা যায় না। কী করব তাহলে আমি? আমার অন্য সন্তানদের খুন করব? নাকি সমস্যাটা মৃত্যুর সময় আমার বড় ছেলের ঘাড়ে চাপিয়ে দেব? আর যদি খুন করি, তাহলে কবে বা কখন করব? আর ওদের মা, একমাত্র যে মেয়েটাকে আমি এ জীবনে ভালবেসেছি, তার-ই বা কী হবে?
Taj Mohol Trilogy: The Feast of Roses
সম্রাট জাহাঙ্গীরের বিশতম স্ত্রী হয়ে এলেন মেহেরুন্নিসা, ওরফে সম্রাজ্ঞী নূর জাহান। বিয়ের পর থেকেই সম্রাট এবং সাম্রাজ্য-এ দুইয়ের দায়িত্ব নিজের হাতে তুলে নিলেন তিনি। বিশাল মুঘল সাম্রাজ্যকে সামলানাে কোনাে পুরুষের পক্ষেই দুরহ ব্যাপার, সেখানে অন্তঃপুরবাসিনী মেহেরুন্নিসা এই দায়িত্ব কিভাবে পালন করবেন সম্রাটের হারেম এবং দরবার-দুই দিক থেকেই নানা রকম বাধাবিপত্তির সম্মুখীন হতে হলাে তাকে। এসব কাটিয়ে উঠে তিনি কী পারবেন নিজের স্বপ্নকে সফল করতে? তার প্রতি সম্রাটের ভালবাসায় চিড় ধরবে না তাে? দ্য টুয়েন্টিয়েথ ওয়াইফের সফলতার পর তাজমহল ট্রিলােজির দ্বিতীয় বইয়ে ইন্দু সুন্দরেসান লিখেছেন সেই সময়ের কাহিনী, যখন সম্রাজ্ঞী নূর জাহানের বর্ণাঢ্য জীবনের সূর্য মধ্য গগণে। এ কাহিনী ভালবাসার, ক্ষমতার, ঈর্ষার, প্রতিশােধের। প্রিয় পাঠক, মুঘল সাম্রাজ্যের জাদুময় দুনিয়ায় আপনাদের আরও একবার স্বাগতম।
Taj Mohol Trilogy: The Feast of Roses
সম্রাট জাহাঙ্গীরের বিশতম স্ত্রী হয়ে এলেন মেহেরুন্নিসা, ওরফে সম্রাজ্ঞী নূর জাহান। বিয়ের পর থেকেই সম্রাট এবং সাম্রাজ্য-এ দুইয়ের দায়িত্ব নিজের হাতে তুলে নিলেন তিনি। বিশাল মুঘল সাম্রাজ্যকে সামলানাে কোনাে পুরুষের পক্ষেই দুরহ ব্যাপার, সেখানে অন্তঃপুরবাসিনী মেহেরুন্নিসা এই দায়িত্ব কিভাবে পালন করবেন সম্রাটের হারেম এবং দরবার-দুই দিক থেকেই নানা রকম বাধাবিপত্তির সম্মুখীন হতে হলাে তাকে। এসব কাটিয়ে উঠে তিনি কী পারবেন নিজের স্বপ্নকে সফল করতে? তার প্রতি সম্রাটের ভালবাসায় চিড় ধরবে না তাে? দ্য টুয়েন্টিয়েথ ওয়াইফের সফলতার পর তাজমহল ট্রিলােজির দ্বিতীয় বইয়ে ইন্দু সুন্দরেসান লিখেছেন সেই সময়ের কাহিনী, যখন সম্রাজ্ঞী নূর জাহানের বর্ণাঢ্য জীবনের সূর্য মধ্য গগণে। এ কাহিনী ভালবাসার, ক্ষমতার, ঈর্ষার, প্রতিশােধের। প্রিয় পাঠক, মুঘল সাম্রাজ্যের জাদুময় দুনিয়ায় আপনাদের আরও একবার স্বাগতম।

Reviews
There are no reviews yet.