The Innocent
৳ 320 Original price was: ৳ 320.৳ 240Current price is: ৳ 240.
Author: David Baldacci
Translator: Sayeed Shihab
আমেরিকান সরকারের ভাড়াটে খুন উইল রোবি, কঠিন সব মিশন ওর কাছে নস্যি। সেই রোবিই করে বসল অঘটন, মিশনে ঘাপলা টের পেয়ে না মেরে ছেড়ে দিলো টার্গেটকে। সাথে সাথে বন্ধুরাই হয়ে গেল ওর শত্রু। ওকে ধ্বংস করার জন্য উঠে পড়ে লাগল। পালাতে গিয়ে ওর দেখা হলো এক কিশোরীর সাথে। পালিয়েছে মেয়েটাও। ওর ঘাড়েও ঝুলছে বিপদের খাঁড়া। মেয়েটাকে উদ্ধার করে সঙ্গী করল রোবি। ভয়ঙ্কর অতীত তাড়া করে চলছে কিশোরীকে। খতম করে দিতে পারে যখন তখন। বাঁচতে হলে লুকিয়ে থাকা চলবে না। আবার ধরা পড়লেও বিপদ। কী আছে ওদের ভাগ্যে? জানতে হলে পড়ুন ডেভিড বালদাশির থ্রিলার উপন্যাস- দ্য ইনোসেন্ট।
Out of stock
Additional information
| Author | David Baldacci |
|---|---|
| Translator | Sayeed Shihab |
| Cover Designer | Pranto Ghosh Dostidar |
| Language | Bangla |
| ISBN | 9789849132844 |
| Page Number | 320 |
| Release Date | September 2015 |
Related products
Patang
মুম্বাই শহরে নৃশংসভাবে একের পর এক খুন হয়ে যাচ্ছে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। প্র্যত্যেককে খুন করে সুউচ্চ স্থানে ঘুড়ির মতো আকার দিয়ে ঝুলিয়ে রেখে যাচ্ছে খুনি। প্রত্যেকের লাশের সাথে কাগজে লেখা চিরকুটে মিলছে একটি ধাঁধাঁ, যেখানে রয়েছে পরবর্তী খুনের পূর্বাভাস। এটা কি তবে কোন সিরিয়াল কিলারের কাজ? কিন্তু একা এতো উঁচুতে খুনি কিভাবে তুলল ওর শিকারকে? এতো পরিশ্রম করে এভাবে মেরে ফেলে রেখে যাবার উদ্দেশ্যই বা কী? তদন্তে নেমেছে দুঁদে ডিটেকটিভ চন্দ্রকান্ত রাঠোর। সূত্র ধরে একের পর এক ধাঁধাঁ সমাধা করে খুনিকে খুঁজে বের করতে হবে তার। পরের খুন হয়ে যাবার আগেই ধরে ফেলতে হবে পাগল খুনিটাকে। কিন্তু এবারের খুনি সত্যিই তুখোড় মেধা সম্পন্ন। ঘাম ছুটে যাচ্ছে রাঠোরের। যার দীর্ঘদিনের ক্যারিয়ারে ব্যর্থতা বলতে কোন শব্দ নেই সেই রাঠোর কি তবে এবার হেরে যেতে চলেছে? চলছে খুনি ও ডিটেকটিভের মনস্তাত্ত্বিক ইঁদুর বিড়াল খেলা। গুরুতর সমস্যা উদ্ভুত হয়েছে আরো। প্রায় একই ধরণের আরেকটি খুন হয়েছে শহরে। এক কেস সমাধান করতে গিয়ে আরেকটি কেসের সাথে যোগসূত্র মিলে যাচ্ছে। কিন্তু এ কী করে সম্ভব? দারুণ এক টানাপোড়েনে আটকে রয়েছে ডিটেকটিভ রাঠোর। সে কি পারবে এর জট ছাড়াতে? প্রখ্যাত গল্পকার ভাস্কর চট্টোপাধ্যায়ের ‘পাতাং’ এক টানটান উত্তেজনায় পরিপূর্ণ থ্রিলার যা পাঠককে এক টানে নিয়ে যাবে এক অজানা ভূবনে। সেই অজানা ভূবনে আপনাকে স্বাগতম।
Patang
মুম্বাই শহরে নৃশংসভাবে একের পর এক খুন হয়ে যাচ্ছে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। প্র্যত্যেককে খুন করে সুউচ্চ স্থানে ঘুড়ির মতো আকার দিয়ে ঝুলিয়ে রেখে যাচ্ছে খুনি। প্রত্যেকের লাশের সাথে কাগজে লেখা চিরকুটে মিলছে একটি ধাঁধাঁ, যেখানে রয়েছে পরবর্তী খুনের পূর্বাভাস। এটা কি তবে কোন সিরিয়াল কিলারের কাজ? কিন্তু একা এতো উঁচুতে খুনি কিভাবে তুলল ওর শিকারকে? এতো পরিশ্রম করে এভাবে মেরে ফেলে রেখে যাবার উদ্দেশ্যই বা কী? তদন্তে নেমেছে দুঁদে ডিটেকটিভ চন্দ্রকান্ত রাঠোর। সূত্র ধরে একের পর এক ধাঁধাঁ সমাধা করে খুনিকে খুঁজে বের করতে হবে তার। পরের খুন হয়ে যাবার আগেই ধরে ফেলতে হবে পাগল খুনিটাকে। কিন্তু এবারের খুনি সত্যিই তুখোড় মেধা সম্পন্ন। ঘাম ছুটে যাচ্ছে রাঠোরের। যার দীর্ঘদিনের ক্যারিয়ারে ব্যর্থতা বলতে কোন শব্দ নেই সেই রাঠোর কি তবে এবার হেরে যেতে চলেছে? চলছে খুনি ও ডিটেকটিভের মনস্তাত্ত্বিক ইঁদুর বিড়াল খেলা। গুরুতর সমস্যা উদ্ভুত হয়েছে আরো। প্রায় একই ধরণের আরেকটি খুন হয়েছে শহরে। এক কেস সমাধান করতে গিয়ে আরেকটি কেসের সাথে যোগসূত্র মিলে যাচ্ছে। কিন্তু এ কী করে সম্ভব? দারুণ এক টানাপোড়েনে আটকে রয়েছে ডিটেকটিভ রাঠোর। সে কি পারবে এর জট ছাড়াতে? প্রখ্যাত গল্পকার ভাস্কর চট্টোপাধ্যায়ের ‘পাতাং’ এক টানটান উত্তেজনায় পরিপূর্ণ থ্রিলার যা পাঠককে এক টানে নিয়ে যাবে এক অজানা ভূবনে। সেই অজানা ভূবনে আপনাকে স্বাগতম।
The Pilgrimage
জীবন পাল্টে দেয়া বইয়ের তালিকা করলে সম্ভবত সেই তালিকার একেবারে শীর্ষে থাকবে 'দি আলকেমিস্ট' বইটি। কিন্তু অনেকেই জানেন না- 'দি আলকেমিস্ট'কে বুঝতে হলে চাই 'দ্য পিলগ্রিমেজ'। আর 'দ্য পিলগ্রিমেজ'কে অনুধাবন করতে হলে 'দি আলকেমিস্ট'-ছাড়া উপায় নেই। ১৯৮৬ সালের ২ জানুয়ারি, র্যাম-এর দীক্ষা নিতে গিয়ে ব্যর্থ হয় পাওলো। নিজের হারানো সম্মান আর পদমর্যাদা ফিরে পেতে হলে তাকে চলতে হবে সাধারণ মানুষের হেঁটে যাওয়া পথে, নতুন করে চিনতে হবে নিজেকে... ...হতে হবে সান্তিয়াগোর পথের এক তীর্থযাত্রী। সান্তিয়াগোর পথে পাওলোর সঙ্গী হলো পেত্রাস। সে তাকে শেখাল জীবনের অন্য এক দিক, র্যামের বিভিন্ন অনুশীলন চর্চা করার মাধ্যমে নিজেকে খুঁজে পাওয়ার উপায়। প্রতিটি মুহূর্তে নিজেকে প্রমাণ করতে হবে পাওলোকে। পাওলো কি অবশেষে বুঝতে পারবে এই যাত্রার উদ্দেশ্য? খুঁজে কি পাবে সেই লক্ষ্য, যার খোঁজ করতে এতদূর এসেছে সে?
The Pilgrimage
জীবন পাল্টে দেয়া বইয়ের তালিকা করলে সম্ভবত সেই তালিকার একেবারে শীর্ষে থাকবে 'দি আলকেমিস্ট' বইটি। কিন্তু অনেকেই জানেন না- 'দি আলকেমিস্ট'কে বুঝতে হলে চাই 'দ্য পিলগ্রিমেজ'। আর 'দ্য পিলগ্রিমেজ'কে অনুধাবন করতে হলে 'দি আলকেমিস্ট'-ছাড়া উপায় নেই। ১৯৮৬ সালের ২ জানুয়ারি, র্যাম-এর দীক্ষা নিতে গিয়ে ব্যর্থ হয় পাওলো। নিজের হারানো সম্মান আর পদমর্যাদা ফিরে পেতে হলে তাকে চলতে হবে সাধারণ মানুষের হেঁটে যাওয়া পথে, নতুন করে চিনতে হবে নিজেকে... ...হতে হবে সান্তিয়াগোর পথের এক তীর্থযাত্রী। সান্তিয়াগোর পথে পাওলোর সঙ্গী হলো পেত্রাস। সে তাকে শেখাল জীবনের অন্য এক দিক, র্যামের বিভিন্ন অনুশীলন চর্চা করার মাধ্যমে নিজেকে খুঁজে পাওয়ার উপায়। প্রতিটি মুহূর্তে নিজেকে প্রমাণ করতে হবে পাওলোকে। পাওলো কি অবশেষে বুঝতে পারবে এই যাত্রার উদ্দেশ্য? খুঁজে কি পাবে সেই লক্ষ্য, যার খোঁজ করতে এতদূর এসেছে সে?
The Paris Vendetta
১৮২১ সালে মৃত্যু হয় নির্বাসিত সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্টের। তিনি কবরে সাথে করে নিয়ে যান এক গোপন তথ্য। লুটপাট করা অজস্র সম্পদ কোথায় লুকিয়ে রেখেছিলেন তিনি- সে তথ্য অনেক চেষ্টা করেও তার জীবদ্দশায় জানতে পারেনি ব্রিটিশরা। বলা হয়, তার উইলেও তেমন কিছু খুঁজে পাওয়া যায়নি। কিন্তু সত্যিই কি তাই? জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের এক প্রাক্তন অপারেটিভ কটন ম্যালন চায় নির্ঝঞ্ঝাট জীবন। কিন্তু তার কোপেনহেগেনের বইয়ের দোকানের কাচ ভেঙে প্রবেশ করা আমেরিকান সিক্রেট সার্ভিস এজেন্ট সে সুযোগ দিল কই? বাধ্য করল ওকে অস্ত্র হাতে নামতে । ম্যালনের বন্ধু থ্রভাল্ডসেনও জড়িয়ে পড়ল এতে। কিন্তু ডেনিশ এই ধনী ব্যবসায়ীর আসল উদ্দেশ্যটা কী? কঠিন এক সিদ্ধান্তের সামনে এসে দাঁড়াল ম্যালন, কাকে বেছে নেবে ও? রাষ্ট্রের চেয়ে কি বন্ধুত্ব বড়? বর্তমানের চেয়ে অতীত? ডেনমার্কে যে যাত্রার শুরু, তার শেষ হলো প্যারিসে এসে। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো তো?
The Paris Vendetta
১৮২১ সালে মৃত্যু হয় নির্বাসিত সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্টের। তিনি কবরে সাথে করে নিয়ে যান এক গোপন তথ্য। লুটপাট করা অজস্র সম্পদ কোথায় লুকিয়ে রেখেছিলেন তিনি- সে তথ্য অনেক চেষ্টা করেও তার জীবদ্দশায় জানতে পারেনি ব্রিটিশরা। বলা হয়, তার উইলেও তেমন কিছু খুঁজে পাওয়া যায়নি। কিন্তু সত্যিই কি তাই? জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের এক প্রাক্তন অপারেটিভ কটন ম্যালন চায় নির্ঝঞ্ঝাট জীবন। কিন্তু তার কোপেনহেগেনের বইয়ের দোকানের কাচ ভেঙে প্রবেশ করা আমেরিকান সিক্রেট সার্ভিস এজেন্ট সে সুযোগ দিল কই? বাধ্য করল ওকে অস্ত্র হাতে নামতে । ম্যালনের বন্ধু থ্রভাল্ডসেনও জড়িয়ে পড়ল এতে। কিন্তু ডেনিশ এই ধনী ব্যবসায়ীর আসল উদ্দেশ্যটা কী? কঠিন এক সিদ্ধান্তের সামনে এসে দাঁড়াল ম্যালন, কাকে বেছে নেবে ও? রাষ্ট্রের চেয়ে কি বন্ধুত্ব বড়? বর্তমানের চেয়ে অতীত? ডেনমার্কে যে যাত্রার শুরু, তার শেষ হলো প্যারিসে এসে। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো তো?

Reviews
There are no reviews yet.