Psycho 2
দু:স্বপ্নের রাত... চলছেই... নরম্যান বেটসের কথা সবার মনে আছে তো? ওই যে, ওই বিনম্র, লজ্জাবনত মোটেল পরিচালক? বহু বছর মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর, আবার মানুষের মাঝে ফিরে এসেছে সে। পথে রক্তের দাগ রেখে এগিয়ে যাচ্ছে হলিউডের দিকে। যেখানে, বিশ্বাস হবে কি না জানি না, ওর জীবনকে নিয়েই বানানো হচ্ছে চলচ্চিত্র! আগেরবারের মতো আরেক বীভৎস দৃশ্যের অবতারণা হতে চলছে না তো?
Psycho 2
দু:স্বপ্নের রাত... চলছেই... নরম্যান বেটসের কথা সবার মনে আছে তো? ওই যে, ওই বিনম্র, লজ্জাবনত মোটেল পরিচালক? বহু বছর মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর, আবার মানুষের মাঝে ফিরে এসেছে সে। পথে রক্তের দাগ রেখে এগিয়ে যাচ্ছে হলিউডের দিকে। যেখানে, বিশ্বাস হবে কি না জানি না, ওর জীবনকে নিয়েই বানানো হচ্ছে চলচ্চিত্র! আগেরবারের মতো আরেক বীভৎস দৃশ্যের অবতারণা হতে চলছে না তো?
One Down
বইটি ক্রিকেট ডমিনেটেড, ক্রিকেটকে কেন্দ্র করেই পুরো উপন্যাসের চরিত্র, গল্পগুলো গড়ে উঠেছে, তবু এই ক্রিকেটের গল্পের আড়ালে রয়েছে নিম্ন মধ্যবিত্ত এক অসহায় পরিবারের ছেলের গল্প, প্রবাসীদের বুকের মধ্যে দেশকে পুষে রাখা, আছে আমাদের নব্বইয়ের দশকের মধ্যবিত্তের পাড়া-প্রতিবেশীদের সম্পর্কের গল্প। এটি সামাজিক সমস্যা, স্বপ্নের, স্বপ্নজয়ের গল্প।
One Down
বইটি ক্রিকেট ডমিনেটেড, ক্রিকেটকে কেন্দ্র করেই পুরো উপন্যাসের চরিত্র, গল্পগুলো গড়ে উঠেছে, তবু এই ক্রিকেটের গল্পের আড়ালে রয়েছে নিম্ন মধ্যবিত্ত এক অসহায় পরিবারের ছেলের গল্প, প্রবাসীদের বুকের মধ্যে দেশকে পুষে রাখা, আছে আমাদের নব্বইয়ের দশকের মধ্যবিত্তের পাড়া-প্রতিবেশীদের সম্পর্কের গল্প। এটি সামাজিক সমস্যা, স্বপ্নের, স্বপ্নজয়ের গল্প।
Ronaldo the Obsession for Perfection
Ronaldo the Obsession for Perfection
The Sultan’s Harem
The Sultan’s Harem
The Subtle Art of Not Giving a F*ck
ঘুণে ধরা ব্যর্থ সামাজিক শিক্ষার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ইন্টারনেট জগতে সাড়া ফেলে দিয়েছেন ব্লগার মার্ক ম্যানসন। তার লেখা এই বইটি তিন মিলিয়ন কপিরও বেশি বিক্রি হয়েছে। পাঠকের কাছে নিজের লেখাকে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে মিথ্যে প্রয়াসের আশ্রয় নিতে আগ্রহী নন লেখক। বরং সমাজের তিক্ত সত্যিগুলোকেই তুলে ধরেছেন স্পষ্টভাবে। প্রচলিত আদিখ্যেতার বিরুদ্ধে এই বইটি আক্ষরিক অর্থেই প্রতিষেধকের মতো। সীমাবদ্ধ ক্ষমতা নিয়ে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি হলো, "সবার পক্ষে অসাধারণ হওয়া সম্ভব নয়" সমাজে সাফল্য এবং ব্যর্থতা দুই-ই আছে। হয়তো কোনোটা অন্যায্য, আবার কোনোটা আপনার ব্যর্থতা। লেখকের বিশ্বাস- ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি সবসময় ইতিবাচক ফল বয়ে আনে না। ম্যানসন নিজেদের ভুল-ভ্রান্তি, সীমাবদ্ধতা, ভয়কে স্বীকার করার সাহস, সততা এবং দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেবার আহ্বান জানিয়ে যাচ্ছেন অবিরত। জোর করে ভাল থাকার প্রয়াস সমাজকে গ্রাস করে চলেছে। বইটি নিঃসন্দেহে সমাজের এসব প্রচলিত ধ্যান-ধারণা ও বিশ্বাসের প্রতি চপেটাঘাত।
The Subtle Art of Not Giving a F*ck
ঘুণে ধরা ব্যর্থ সামাজিক শিক্ষার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ইন্টারনেট জগতে সাড়া ফেলে দিয়েছেন ব্লগার মার্ক ম্যানসন। তার লেখা এই বইটি তিন মিলিয়ন কপিরও বেশি বিক্রি হয়েছে। পাঠকের কাছে নিজের লেখাকে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে মিথ্যে প্রয়াসের আশ্রয় নিতে আগ্রহী নন লেখক। বরং সমাজের তিক্ত সত্যিগুলোকেই তুলে ধরেছেন স্পষ্টভাবে। প্রচলিত আদিখ্যেতার বিরুদ্ধে এই বইটি আক্ষরিক অর্থেই প্রতিষেধকের মতো। সীমাবদ্ধ ক্ষমতা নিয়ে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি হলো, "সবার পক্ষে অসাধারণ হওয়া সম্ভব নয়" সমাজে সাফল্য এবং ব্যর্থতা দুই-ই আছে। হয়তো কোনোটা অন্যায্য, আবার কোনোটা আপনার ব্যর্থতা। লেখকের বিশ্বাস- ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি সবসময় ইতিবাচক ফল বয়ে আনে না। ম্যানসন নিজেদের ভুল-ভ্রান্তি, সীমাবদ্ধতা, ভয়কে স্বীকার করার সাহস, সততা এবং দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেবার আহ্বান জানিয়ে যাচ্ছেন অবিরত। জোর করে ভাল থাকার প্রয়াস সমাজকে গ্রাস করে চলেছে। বইটি নিঃসন্দেহে সমাজের এসব প্রচলিত ধ্যান-ধারণা ও বিশ্বাসের প্রতি চপেটাঘাত।
Sea Prayer
'সি প্রেয়ার' এক বাবা আর ছেলের গল্প। যুদ্ধ-বিদ্ধস্ত সিরিয়ার হোমস থেকে পালাচ্ছে তারা। সমুদ্রতীরে চলছে অপেক্ষা। ভোর হলেই আসবে একটা নৌকা। তাতে চড়ে সমুদ্র পাড়ি দিতে পারলেই বোমা-গুলির বারুদগন্ধ ছাড়িয়ে চলে যাওয়া যাবে অনেক দূরে। কোলে ঘুমন্ত ছেলের দিকে চেয়ে বিড়বিড় করে বাবা। মনে পড়ে সেই দিনগুলো, যখন গ্রীষ্মের ঝলমলে দিনগুলোয় হাওয়ায় দুলত বাড়ির জলপাই গাছটা, খুটখাট করত রান্নাঘরে, বাইরে বেরোলেই গমগমে রাস্তা। আকাশ থেকে রাশি রাশি বোমা নেমে আসেনি তখনও। চারদিকে শান্তি-সুখের জয়গান। ঘুমন্ত পুত্রের কাছে বাবার এই অস্ফুট স্বরে ব্যক্ত চিঠি পাঠকের চোখে অশ্রু আনবেই!
Sea Prayer
'সি প্রেয়ার' এক বাবা আর ছেলের গল্প। যুদ্ধ-বিদ্ধস্ত সিরিয়ার হোমস থেকে পালাচ্ছে তারা। সমুদ্রতীরে চলছে অপেক্ষা। ভোর হলেই আসবে একটা নৌকা। তাতে চড়ে সমুদ্র পাড়ি দিতে পারলেই বোমা-গুলির বারুদগন্ধ ছাড়িয়ে চলে যাওয়া যাবে অনেক দূরে। কোলে ঘুমন্ত ছেলের দিকে চেয়ে বিড়বিড় করে বাবা। মনে পড়ে সেই দিনগুলো, যখন গ্রীষ্মের ঝলমলে দিনগুলোয় হাওয়ায় দুলত বাড়ির জলপাই গাছটা, খুটখাট করত রান্নাঘরে, বাইরে বেরোলেই গমগমে রাস্তা। আকাশ থেকে রাশি রাশি বোমা নেমে আসেনি তখনও। চারদিকে শান্তি-সুখের জয়গান। ঘুমন্ত পুত্রের কাছে বাবার এই অস্ফুট স্বরে ব্যক্ত চিঠি পাঠকের চোখে অশ্রু আনবেই!