kolaholey
ঐ গল্পটা লিখে ফেললে কেমন দাঁড়াবে? বজ্রের ঘরে প্রত্যাবর্তনে কিংবদন্তি। বর্ষার মৌসুমে ঘনঘন বাজ পড়ে গ্রামভর, আর আটকে থাকে গাছের মগডালে, মাটির খোড়লে, পুকুর পাতালে আকাশে ফিরে যেতে পারে না। এই সমস্ত বিদ্যুতের খণ্ড অপেক্ষা করে পরবর্তী বরষার, আবার যখন আকাশ ডাকবে সে ডাকে সাড়া দিয়ে লাঙ্গলের ফলার মতো দুনিয়া চিরে তারা ফিরে যাবে। সকলেই তার শেকড়ে ফিরতে চায়, উপরঅলার নির্দেশে দুনিয়ায় নামা বিদ্যুতের শিখাদের কেন ফিরতে ইচ্ছা যাবে না?
kolaholey
ঐ গল্পটা লিখে ফেললে কেমন দাঁড়াবে? বজ্রের ঘরে প্রত্যাবর্তনে কিংবদন্তি। বর্ষার মৌসুমে ঘনঘন বাজ পড়ে গ্রামভর, আর আটকে থাকে গাছের মগডালে, মাটির খোড়লে, পুকুর পাতালে আকাশে ফিরে যেতে পারে না। এই সমস্ত বিদ্যুতের খণ্ড অপেক্ষা করে পরবর্তী বরষার, আবার যখন আকাশ ডাকবে সে ডাকে সাড়া দিয়ে লাঙ্গলের ফলার মতো দুনিয়া চিরে তারা ফিরে যাবে। সকলেই তার শেকড়ে ফিরতে চায়, উপরঅলার নির্দেশে দুনিয়ায় নামা বিদ্যুতের শিখাদের কেন ফিরতে ইচ্ছা যাবে না?
Kalkut
কালকূট। যার অর্থ- তীব্র বিষ। যে বিষের ক্ষমতা অনেক। জীবন থেকে পাওয়া সুখগুলো যেমন অমৃতের মতো। তেমনিভাবে দুঃখগুলো কি বিষের মতো নয়? জীবনের গল্পগুলো বিষাদের হয়। সুখের কোনো গল্প কেন যেন হয় না। সুখ মানুষের আকাঙ্ক্ষিত বিষয়। তাই সুখ স্বাভাবিক। স্বাভাবিকের বাইরে না চাওয়ার যে বিষাদপ্রাপ্তি, গল্প তো তারই হবে। একজীবনে মানুষের অসংখ্য ছোটো-বড় কষ্ট। কেউ সয়ে সয়ে বয়ে যায়। কেউ শেষ হতে থাকে ভেতর থেকে। কোনো কোনো ছোটো কষ্টও তীব্র বিষ হয়ে বাসা বাঁধে মায়ার গহীনে। হৃদয়কে বিষাক্ত করে দেয়। বেঁচে থাকাকে করে দেয় অর্থহীন। অর্থহীন জীবন নিয়েই পৃথিবীর মায়ায়, আপনজনের মায়ায় মানুষ বেঁচে থাকার চেষ্টা করে। এই। চেষ্টাটাও কখনো কারো কারো সফল হয় না। এই সফল না হওয়া মানুষের সংখ্যা কিন্তু কম না। যখন আরো মানুষের এই গল্পগুলো চোখের সামনে চলে আসে, তখন মানুষ শক্তি পায়। নিজেকে হালকা করতে পারে। ভাবে, দুনিয়ায় সে একাই দুঃখী নয়। অথবা অন্যের সুখগুলো দেখে মিলিয়ে নিতে পারে যে, তার। জীবনেও তো ছোটো ছোটো কিছু সুখ আছে যা অতি মূল্যবান।
Kalkut
কালকূট। যার অর্থ- তীব্র বিষ। যে বিষের ক্ষমতা অনেক। জীবন থেকে পাওয়া সুখগুলো যেমন অমৃতের মতো। তেমনিভাবে দুঃখগুলো কি বিষের মতো নয়? জীবনের গল্পগুলো বিষাদের হয়। সুখের কোনো গল্প কেন যেন হয় না। সুখ মানুষের আকাঙ্ক্ষিত বিষয়। তাই সুখ স্বাভাবিক। স্বাভাবিকের বাইরে না চাওয়ার যে বিষাদপ্রাপ্তি, গল্প তো তারই হবে। একজীবনে মানুষের অসংখ্য ছোটো-বড় কষ্ট। কেউ সয়ে সয়ে বয়ে যায়। কেউ শেষ হতে থাকে ভেতর থেকে। কোনো কোনো ছোটো কষ্টও তীব্র বিষ হয়ে বাসা বাঁধে মায়ার গহীনে। হৃদয়কে বিষাক্ত করে দেয়। বেঁচে থাকাকে করে দেয় অর্থহীন। অর্থহীন জীবন নিয়েই পৃথিবীর মায়ায়, আপনজনের মায়ায় মানুষ বেঁচে থাকার চেষ্টা করে। এই। চেষ্টাটাও কখনো কারো কারো সফল হয় না। এই সফল না হওয়া মানুষের সংখ্যা কিন্তু কম না। যখন আরো মানুষের এই গল্পগুলো চোখের সামনে চলে আসে, তখন মানুষ শক্তি পায়। নিজেকে হালকা করতে পারে। ভাবে, দুনিয়ায় সে একাই দুঃখী নয়। অথবা অন্যের সুখগুলো দেখে মিলিয়ে নিতে পারে যে, তার। জীবনেও তো ছোটো ছোটো কিছু সুখ আছে যা অতি মূল্যবান।
Monopakhi
Monopakhi
Poddo Bole Asho
ঘরে ঢুকেই নিচু মাথায় লুতফা অস্ফুট গলায় বলল, ‘এইটা মফঃস্বল শহর। এখানে মানুষ দেখার আগে, নিয়ম কানুন ঠিকমতো পালন হল কিনা সেটা দেখা হয়। আপনি হবু জামাই, এ বাড়িতে প্রথম এসেছেন। আপনার খালি হাতে হুট করে আসা নিয়ে অনেকেই অনেক আজেবাজে কথা বলবে। কয়েক রাস্তা পরেই সুধীর ঘোষ মিষ্টির দোকান। আপনি কি পিছনের দরজা দিয়ে গিয়ে পাঁচ কেজি মিষ্টি নিয়ে আসতে পারবেন?’ থতমত মুখে আদিল উঠে দাঁড়ায়, ‘ভুল হয়ে গেছে। তুমি দেখা করবে না কিন্তু তোমার সাথে আমার কথা বলাটা জরুরী ছিল। ঝোঁকের মাথায় চলে এসেছি। আমার এভাবে আসাটা ঠিক হয়নি। আমি এক্ষুণি মিষ্টি নিয়ে আসছি।’ লুতফা বলল, ‘বলছেন ঝোঁকের মাথায় চলে এসেছেন, তো আপনার কাছে পাঁচ কেজি মিষ্টি কেনার টাকা আছে?’ ঠোঁট কামড়াতে কামড়াতে আদিল মানিব্যাগ বের করল, তাকে দেখে মনে হচ্ছে সে মাটির সাথে মিশে যাবে। দ্বিধান্বিত স্বরে সে বলল, ‘মিষ্টি কেনা যাবে, কিন্তু কেনার পর আর ঢাকা ফিরে যাওয়ার ভাড়া থাকবে না।’
Poddo Bole Asho
ঘরে ঢুকেই নিচু মাথায় লুতফা অস্ফুট গলায় বলল, ‘এইটা মফঃস্বল শহর। এখানে মানুষ দেখার আগে, নিয়ম কানুন ঠিকমতো পালন হল কিনা সেটা দেখা হয়। আপনি হবু জামাই, এ বাড়িতে প্রথম এসেছেন। আপনার খালি হাতে হুট করে আসা নিয়ে অনেকেই অনেক আজেবাজে কথা বলবে। কয়েক রাস্তা পরেই সুধীর ঘোষ মিষ্টির দোকান। আপনি কি পিছনের দরজা দিয়ে গিয়ে পাঁচ কেজি মিষ্টি নিয়ে আসতে পারবেন?’ থতমত মুখে আদিল উঠে দাঁড়ায়, ‘ভুল হয়ে গেছে। তুমি দেখা করবে না কিন্তু তোমার সাথে আমার কথা বলাটা জরুরী ছিল। ঝোঁকের মাথায় চলে এসেছি। আমার এভাবে আসাটা ঠিক হয়নি। আমি এক্ষুণি মিষ্টি নিয়ে আসছি।’ লুতফা বলল, ‘বলছেন ঝোঁকের মাথায় চলে এসেছেন, তো আপনার কাছে পাঁচ কেজি মিষ্টি কেনার টাকা আছে?’ ঠোঁট কামড়াতে কামড়াতে আদিল মানিব্যাগ বের করল, তাকে দেখে মনে হচ্ছে সে মাটির সাথে মিশে যাবে। দ্বিধান্বিত স্বরে সে বলল, ‘মিষ্টি কেনা যাবে, কিন্তু কেনার পর আর ঢাকা ফিরে যাওয়ার ভাড়া থাকবে না।’