“জলরঙ” has been added to your cart. View cart
Add to Wishlist
-26%
The Girl in the Ice
৳ 375 Original price was: ৳ 375.৳ 281Current price is: ৳ 281.
Author: Robert Bryndza
Translator: Fuad Anas Ahmed
অপলক দৃষ্টি তাকিয়ে রয়েছে মেয়েটা। একটু ফাঁক হয়ে আছে দু’ঠোট, যেন কিছু বলতে চায়। তবে লাশটা বন্দী জমাট বাঁধা বরফের মাঝে!
সাউথ লন্ডন পার্কে এই মৃতদেহ আবিষ্কারের পর তদন্তের জন্য ডাক পড়ল ডিটেকটিভ এরিকা ফস্টারের। আপাতদৃষ্টিতে সাধারণ ঠেকলেও, তদন্ত শুরু করার পর এরিকা বুঝতে পারল- লাশটাকে বন্দী করা বরফের মতোই জমাট বেঁধেছে এ খুনের রহস্য!
এখানেই শেষ নয়। এক খুনের রহস্য উৎঘাটন করতে গিয়ে খোঁজ মিলল আরও কিছু খুনের।
কী রহস্য লুকিয়ে আছে এসবের ভেতর?
132 in stock
Usually dispatched in 2 to 3 days
Safe & secure checkout
Additional information
| Author | Robert Bryndza |
|---|---|
| Translator | Fuad Anas Ahmed |
| Cover Designer | Adnan Ahmed Rizon |
| Language | Bangla |
| ISBN | 978 984 94826 8 0 |
| Page Number | 304 |
| Release Date | February 2020 |
Be the first to review “The Girl in the Ice” Cancel reply
Related products
-40%
দ্য গেইজ
Add to Wishlist
Add to Wishlist
-25%
Mithya Tumi Dosh Pipra
Author: <a href="https://adeeprokashon.com/authors/nazim-ud-daula/
হানিমুন কাটাতে কার্ডিফে এসেছে নবদম্পতি- আবরার ও লিজা। কিন্তু বিদেশের মাটিতে পা রাখতেই শুরু হয়েছে একের পর এক বিপদ। হানিমুন স্যুইটে পাওয়া গেলো লিসেনিং বাগ। হোটেল ম্যানেজারের আচরণ সন্দেহজনক। জার্মান স্পাইরা ঘুরছে আশে পাশেই। গোলকধাঁধার চক্করে পড়ে নবদম্পতির মধুচন্দ্রিমা রূপ নিলো দুঃস্বপ্নে।
বাঁচার জন্য জানতে হবে তিনটি প্রশ্নের উত্তর। এক: মৃত্যুর পূর্বে হিটলার গোপন বৈঠকে বসে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন? দুই: একাত্তরে কেরানীগঞ্জের মাস্টারবাড়িতে পাওয়া সেই শ্বেতাঙ্গ ব্যক্তির লাশের পরিচয় কী? তিন: ত্রিশ বছর যাবত কোন রহস্য বুকে লুকিয়ে রেখেছে কার্ডিফ শহর?
প্রশ্নগুলোর উত্তর লুকনো আছে খুব চেনা এক পাজলের অন্তরালে- “মিথ্যা তুমি দশ পিঁপড়া”। সমাধানের জন্য যেতে হবে কার্ডিফ সাগরের গভীরে অবস্থিত ফ্ল্যাটহোম দ্বীপে। কিন্তু কীভাবে যাবে ওরা? সরকার নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। চারিদিকে ওঁত পেতে আছে অচেনা শত্রু। এদিকে আবহাওয়া বার্তা জানাচ্ছে- কার্ডিফের দিকে ধেয়ে আসছে এক প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড়!
-25%
Mithya Tumi Dosh Pipra
Author: <a href="https://adeeprokashon.com/authors/nazim-ud-daula/
হানিমুন কাটাতে কার্ডিফে এসেছে নবদম্পতি- আবরার ও লিজা। কিন্তু বিদেশের মাটিতে পা রাখতেই শুরু হয়েছে একের পর এক বিপদ। হানিমুন স্যুইটে পাওয়া গেলো লিসেনিং বাগ। হোটেল ম্যানেজারের আচরণ সন্দেহজনক। জার্মান স্পাইরা ঘুরছে আশে পাশেই। গোলকধাঁধার চক্করে পড়ে নবদম্পতির মধুচন্দ্রিমা রূপ নিলো দুঃস্বপ্নে।
বাঁচার জন্য জানতে হবে তিনটি প্রশ্নের উত্তর। এক: মৃত্যুর পূর্বে হিটলার গোপন বৈঠকে বসে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন? দুই: একাত্তরে কেরানীগঞ্জের মাস্টারবাড়িতে পাওয়া সেই শ্বেতাঙ্গ ব্যক্তির লাশের পরিচয় কী? তিন: ত্রিশ বছর যাবত কোন রহস্য বুকে লুকিয়ে রেখেছে কার্ডিফ শহর?
প্রশ্নগুলোর উত্তর লুকনো আছে খুব চেনা এক পাজলের অন্তরালে- “মিথ্যা তুমি দশ পিঁপড়া”। সমাধানের জন্য যেতে হবে কার্ডিফ সাগরের গভীরে অবস্থিত ফ্ল্যাটহোম দ্বীপে। কিন্তু কীভাবে যাবে ওরা? সরকার নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। চারিদিকে ওঁত পেতে আছে অচেনা শত্রু। এদিকে আবহাওয়া বার্তা জানাচ্ছে- কার্ডিফের দিকে ধেয়ে আসছে এক প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড়!
Add to Wishlist
Add to Wishlist
-30%
জলরঙ
By Sajid Rahman
জলরঙে আঁকা ছবি নাকি প্রধানত দু’ধরণের। স্বচ্ছ আর অস্বচ্ছ। আমি বলি, না। ছবি কখনও অস্বচ্ছ হতে পারে না। বাঁকগুলো হয়ত অস্বচ্ছ মাধ্যমের সাহায্যে মূলবিন্দুতে পৌঁছোয়। তবে উদ্দেশ্য একটাই। যারা ছবি দেখছে, তাদের জন্য একটি স্বচ্ছ, স্পষ্ট অর্থ তৈরি করা। এই বইটিকে পাঠকেরা কীভাবে নেবেন? কিছু চরিত্রের সম্মিলন ঘটিয়েছি। জীবনের বাঁকে বাঁকে তাদের দৃশ্যপট আঁকার চেষ্টা করেছি। কারও জীবন হয়েছে জলের মতোই টলটলে, স্বচ্ছ। কারও জীবন অশান্ত আবহাওয়ায় সমুদ্রের জলের মতো উত্তাল, প্রলয়ঙ্করী। সময়কাল? উপন্যাসটিকে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বললে ভুল করবেন। মুক্তিযুদ্ধনির্ভর উপন্যাস এটি নয়। তবে আমাদের মহান যুদ্ধে কিছু মানুষের জীবন আর দিনযাপন কেমন ছিল, তার একটি ছবি আঁকার চেষ্টা করেছি আমার ঠাসবুনোনি লেখার ক্যানভাসে। এদের মাঝে কেউ কেউ আমার জীবনের সাথে জড়িত, কাউকে আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি। জলরঙকে কেউ যদি মেমোয়ার হিসেবেও দাবি করেন, তাতে আপত্তি করব না। যুদ্ধের খণ্ড খণ্ড ছবি আছে, প্রেম-ভালোবাসা আছে, বিচ্ছেদ আছে, মিলন আছে, বিষাদমাখা আখ্যান আর আছে মন ভালো করে দেবার মতো কিছু মুহূর্ত। ক্যানভাসে জলরঙে আঁকা ছবি শেষ করলাম। ছবিটা কেমন হলো, তা বিচার করার দায়িত্ব পাঠকের ওপর ন্যস্ত করে দিলাম...
-30%
জলরঙ
By Sajid Rahman
জলরঙে আঁকা ছবি নাকি প্রধানত দু’ধরণের। স্বচ্ছ আর অস্বচ্ছ। আমি বলি, না। ছবি কখনও অস্বচ্ছ হতে পারে না। বাঁকগুলো হয়ত অস্বচ্ছ মাধ্যমের সাহায্যে মূলবিন্দুতে পৌঁছোয়। তবে উদ্দেশ্য একটাই। যারা ছবি দেখছে, তাদের জন্য একটি স্বচ্ছ, স্পষ্ট অর্থ তৈরি করা। এই বইটিকে পাঠকেরা কীভাবে নেবেন? কিছু চরিত্রের সম্মিলন ঘটিয়েছি। জীবনের বাঁকে বাঁকে তাদের দৃশ্যপট আঁকার চেষ্টা করেছি। কারও জীবন হয়েছে জলের মতোই টলটলে, স্বচ্ছ। কারও জীবন অশান্ত আবহাওয়ায় সমুদ্রের জলের মতো উত্তাল, প্রলয়ঙ্করী। সময়কাল? উপন্যাসটিকে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বললে ভুল করবেন। মুক্তিযুদ্ধনির্ভর উপন্যাস এটি নয়। তবে আমাদের মহান যুদ্ধে কিছু মানুষের জীবন আর দিনযাপন কেমন ছিল, তার একটি ছবি আঁকার চেষ্টা করেছি আমার ঠাসবুনোনি লেখার ক্যানভাসে। এদের মাঝে কেউ কেউ আমার জীবনের সাথে জড়িত, কাউকে আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি। জলরঙকে কেউ যদি মেমোয়ার হিসেবেও দাবি করেন, তাতে আপত্তি করব না। যুদ্ধের খণ্ড খণ্ড ছবি আছে, প্রেম-ভালোবাসা আছে, বিচ্ছেদ আছে, মিলন আছে, বিষাদমাখা আখ্যান আর আছে মন ভালো করে দেবার মতো কিছু মুহূর্ত। ক্যানভাসে জলরঙে আঁকা ছবি শেষ করলাম। ছবিটা কেমন হলো, তা বিচার করার দায়িত্ব পাঠকের ওপর ন্যস্ত করে দিলাম...
Add to Wishlist
Add to Wishlist
-30%
একদিন বৃষ্টি হয়ে নামবে
By Sajid Rahman
একটা বাজনার শব্দ গভীর কুয়ার ভেতর থেকে উঠে আসতে থাকে। আমি সেই শব্দের তালে তালে পা ফেলার চেষ্টা করি, কিন্তু তাল মেলাতে পারি না। বাজনা একদিকে বাজে, আর আমার পা পড়ে অন্য দিকে। টলতে টলতে দু’পা জড়িয়ে আসতে চায় একে-অপরের সাথে। মাথা ঝিমঝিম করে ওঠে। একটা মোটা লোহার বালা পড়া হাত আমার বাহু চেপে ধরে, ক্রমাগত চাপ বাড়তে থাকে.... মেয়েটার মুখ আমার মুখের ওপর ছায়া ফেলে। পরমুহূর্তে সে আমাকে টেনে নেয় তার বিশাল বুকে। আমি একটু ঘুমাতে চাই, কিন্তু অচেনা এক হৃৎপিণ্ডের শব্দ কানে ধাক্কা মারতে থাকে ক্রমাগত...
-30%
একদিন বৃষ্টি হয়ে নামবে
By Sajid Rahman
একটা বাজনার শব্দ গভীর কুয়ার ভেতর থেকে উঠে আসতে থাকে। আমি সেই শব্দের তালে তালে পা ফেলার চেষ্টা করি, কিন্তু তাল মেলাতে পারি না। বাজনা একদিকে বাজে, আর আমার পা পড়ে অন্য দিকে। টলতে টলতে দু’পা জড়িয়ে আসতে চায় একে-অপরের সাথে। মাথা ঝিমঝিম করে ওঠে। একটা মোটা লোহার বালা পড়া হাত আমার বাহু চেপে ধরে, ক্রমাগত চাপ বাড়তে থাকে.... মেয়েটার মুখ আমার মুখের ওপর ছায়া ফেলে। পরমুহূর্তে সে আমাকে টেনে নেয় তার বিশাল বুকে। আমি একটু ঘুমাতে চাই, কিন্তু অচেনা এক হৃৎপিণ্ডের শব্দ কানে ধাক্কা মারতে থাকে ক্রমাগত...
Add to Wishlist
Add to Wishlist

Reviews
There are no reviews yet.