The Girl in the Ice
৳ 375 Original price was: ৳ 375.৳ 281Current price is: ৳ 281.
Author: Robert Bryndza
Translator: Fuad Anas Ahmed
অপলক দৃষ্টি তাকিয়ে রয়েছে মেয়েটা। একটু ফাঁক হয়ে আছে দু’ঠোট, যেন কিছু বলতে চায়। তবে লাশটা বন্দী জমাট বাঁধা বরফের মাঝে!
সাউথ লন্ডন পার্কে এই মৃতদেহ আবিষ্কারের পর তদন্তের জন্য ডাক পড়ল ডিটেকটিভ এরিকা ফস্টারের। আপাতদৃষ্টিতে সাধারণ ঠেকলেও, তদন্ত শুরু করার পর এরিকা বুঝতে পারল- লাশটাকে বন্দী করা বরফের মতোই জমাট বেঁধেছে এ খুনের রহস্য!
এখানেই শেষ নয়। এক খুনের রহস্য উৎঘাটন করতে গিয়ে খোঁজ মিলল আরও কিছু খুনের।
কী রহস্য লুকিয়ে আছে এসবের ভেতর?
132 in stock
Additional information
| Author | Robert Bryndza |
|---|---|
| Translator | Fuad Anas Ahmed |
| Cover Designer | Adnan Ahmed Rizon |
| Language | Bangla |
| ISBN | 978 984 94826 8 0 |
| Page Number | 304 |
| Release Date | February 2020 |
Related products
Elephant Can Remember
Endless Night
সাহিত্যিকদের ভোজসভায় প্রথমবারের মতো গিয়েই ফেঁসে গেলেন স্বনামধন্য রহস্য ঔপন্যাসিকা মিসেস অলিভার। চেনা নেই, জানা নেই, হঠাত করেই উটকো এক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হলো। সিলিয়া র্যাভেন্সক্রফটের বাবা-মায়ের সাথে আসলে কী ঘটেছিল? পরিকল্পিত আত্মহত্যা, নাকি ঠাণ্ডা মাথায় খুন? মিসেস বার্টন-কক্সের জন্য প্রশ্নটির উত্তর জানা জরুরী। তার ছেলে ডেসমন্ড ও মিসেস অলিভারের ধর্মকন্যা সিলিয়ার বিয়ে হতে যাচ্ছে খুব শিগগির। কিন্তু যে মেয়ের বাবা-মায়ের সাথে এমন ঘটনা ঘটেছে, তার সাথে কি ছেলের বিয়ে দিতে আছে? নাকি অন্য কোন স্বার্থ আছে মিসেস বার্টন-কক্সের এ প্রশ্নের? কৌতুহল চেপে রাখা কঠিন হয়ে দাঁড়াল মিসেস অলিভারের জন্য। সাহায্যের জন্য দ্বারস্থ হলেন বন্ধু ও দুঁদে গোয়েন্দা এরকুল পোয়ারোর। বিনি সুতোয় মালা গাঁথতে শুরু করলেন দু’জনে। একের পর এক ‘হাতির’ কাছে যাচ্ছেন, শুনছেন অতীতের এক অবিশ্বাস্য কাহিনি। সত্যটা কী, জানতে হলে যেতে হবে আরো গভীরে। পোয়ারোর সামনে এবার স্বামী-স্ত্রী দ্বৈত হত্যা মামলা। গুলিবিদ্ধ দেহদুটো নিজেরাই কি বেছে নিয়েছিল করুণ এক পরিণতি? নাকি তারা কারো প্রতিহিংসার শিকার? সামান্য কিছু উইগের সূত্র ধরে পোয়ারো ধীরে ধীরে উন্মোচন করলেন অকল্পনীয় এক সত্য। হিংসা, ঘৃণা, আবেগ, ভালোবাসা
Elephant Can Remember
Endless Night
সাহিত্যিকদের ভোজসভায় প্রথমবারের মতো গিয়েই ফেঁসে গেলেন স্বনামধন্য রহস্য ঔপন্যাসিকা মিসেস অলিভার। চেনা নেই, জানা নেই, হঠাত করেই উটকো এক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হলো। সিলিয়া র্যাভেন্সক্রফটের বাবা-মায়ের সাথে আসলে কী ঘটেছিল? পরিকল্পিত আত্মহত্যা, নাকি ঠাণ্ডা মাথায় খুন? মিসেস বার্টন-কক্সের জন্য প্রশ্নটির উত্তর জানা জরুরী। তার ছেলে ডেসমন্ড ও মিসেস অলিভারের ধর্মকন্যা সিলিয়ার বিয়ে হতে যাচ্ছে খুব শিগগির। কিন্তু যে মেয়ের বাবা-মায়ের সাথে এমন ঘটনা ঘটেছে, তার সাথে কি ছেলের বিয়ে দিতে আছে? নাকি অন্য কোন স্বার্থ আছে মিসেস বার্টন-কক্সের এ প্রশ্নের? কৌতুহল চেপে রাখা কঠিন হয়ে দাঁড়াল মিসেস অলিভারের জন্য। সাহায্যের জন্য দ্বারস্থ হলেন বন্ধু ও দুঁদে গোয়েন্দা এরকুল পোয়ারোর। বিনি সুতোয় মালা গাঁথতে শুরু করলেন দু’জনে। একের পর এক ‘হাতির’ কাছে যাচ্ছেন, শুনছেন অতীতের এক অবিশ্বাস্য কাহিনি। সত্যটা কী, জানতে হলে যেতে হবে আরো গভীরে। পোয়ারোর সামনে এবার স্বামী-স্ত্রী দ্বৈত হত্যা মামলা। গুলিবিদ্ধ দেহদুটো নিজেরাই কি বেছে নিয়েছিল করুণ এক পরিণতি? নাকি তারা কারো প্রতিহিংসার শিকার? সামান্য কিছু উইগের সূত্র ধরে পোয়ারো ধীরে ধীরে উন্মোচন করলেন অকল্পনীয় এক সত্য। হিংসা, ঘৃণা, আবেগ, ভালোবাসা
And Then There Were None
The Mysterious Affairs at Styles
ডেভন কোস্ট থেকে অনতিদূরের এক দ্বীপে জড়ো হয়েছেন তাঁরা দশজন। আমন্ত্রণ জানিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাঁদেরকে সেখানে। যিনি আমন্ত্রণ জানিয়েছেন, তাঁকে ঠিকমতো চেনেন না কেউই। অতিথিদের প্রত্যেকেরই আছে গোপন আর খারাপ একটা অতীত। তাঁরা প্রত্যেকেই কোনও-না-কোনও কুকর্মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এবং তাঁরা একে একে পরিণত হতে লাগলেন কোনও এক খুনির শিকারে। পালানোর কোনও উপায় নেই। ক্লু একটাই: যিনি মারা যাচ্ছেন, তিনি খুনি না। তা হলে ওই দ্বীপে হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে কে? ...নৃশংস প্লট আর অনিশ্চয়তায় পূর্ণ ঘটনাপ্রবাহে হারিয়ে গিয়ে নিজেকে প্রশ্নটা জিজ্ঞেস করতে বাধ্য হবেন আপনি বার বার। এবং কাহিনির শেষভাগে এসে হতভম্ব না-হয়ে পারবেন না।
And Then There Were None
The Mysterious Affairs at Styles
ডেভন কোস্ট থেকে অনতিদূরের এক দ্বীপে জড়ো হয়েছেন তাঁরা দশজন। আমন্ত্রণ জানিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাঁদেরকে সেখানে। যিনি আমন্ত্রণ জানিয়েছেন, তাঁকে ঠিকমতো চেনেন না কেউই। অতিথিদের প্রত্যেকেরই আছে গোপন আর খারাপ একটা অতীত। তাঁরা প্রত্যেকেই কোনও-না-কোনও কুকর্মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এবং তাঁরা একে একে পরিণত হতে লাগলেন কোনও এক খুনির শিকারে। পালানোর কোনও উপায় নেই। ক্লু একটাই: যিনি মারা যাচ্ছেন, তিনি খুনি না। তা হলে ওই দ্বীপে হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে কে? ...নৃশংস প্লট আর অনিশ্চয়তায় পূর্ণ ঘটনাপ্রবাহে হারিয়ে গিয়ে নিজেকে প্রশ্নটা জিজ্ঞেস করতে বাধ্য হবেন আপনি বার বার। এবং কাহিনির শেষভাগে এসে হতভম্ব না-হয়ে পারবেন না।
Patang
মুম্বাই শহরে নৃশংসভাবে একের পর এক খুন হয়ে যাচ্ছে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। প্র্যত্যেককে খুন করে সুউচ্চ স্থানে ঘুড়ির মতো আকার দিয়ে ঝুলিয়ে রেখে যাচ্ছে খুনি। প্রত্যেকের লাশের সাথে কাগজে লেখা চিরকুটে মিলছে একটি ধাঁধাঁ, যেখানে রয়েছে পরবর্তী খুনের পূর্বাভাস। এটা কি তবে কোন সিরিয়াল কিলারের কাজ? কিন্তু একা এতো উঁচুতে খুনি কিভাবে তুলল ওর শিকারকে? এতো পরিশ্রম করে এভাবে মেরে ফেলে রেখে যাবার উদ্দেশ্যই বা কী? তদন্তে নেমেছে দুঁদে ডিটেকটিভ চন্দ্রকান্ত রাঠোর। সূত্র ধরে একের পর এক ধাঁধাঁ সমাধা করে খুনিকে খুঁজে বের করতে হবে তার। পরের খুন হয়ে যাবার আগেই ধরে ফেলতে হবে পাগল খুনিটাকে। কিন্তু এবারের খুনি সত্যিই তুখোড় মেধা সম্পন্ন। ঘাম ছুটে যাচ্ছে রাঠোরের। যার দীর্ঘদিনের ক্যারিয়ারে ব্যর্থতা বলতে কোন শব্দ নেই সেই রাঠোর কি তবে এবার হেরে যেতে চলেছে? চলছে খুনি ও ডিটেকটিভের মনস্তাত্ত্বিক ইঁদুর বিড়াল খেলা। গুরুতর সমস্যা উদ্ভুত হয়েছে আরো। প্রায় একই ধরণের আরেকটি খুন হয়েছে শহরে। এক কেস সমাধান করতে গিয়ে আরেকটি কেসের সাথে যোগসূত্র মিলে যাচ্ছে। কিন্তু এ কী করে সম্ভব? দারুণ এক টানাপোড়েনে আটকে রয়েছে ডিটেকটিভ রাঠোর। সে কি পারবে এর জট ছাড়াতে? প্রখ্যাত গল্পকার ভাস্কর চট্টোপাধ্যায়ের ‘পাতাং’ এক টানটান উত্তেজনায় পরিপূর্ণ থ্রিলার যা পাঠককে এক টানে নিয়ে যাবে এক অজানা ভূবনে। সেই অজানা ভূবনে আপনাকে স্বাগতম।
Patang
মুম্বাই শহরে নৃশংসভাবে একের পর এক খুন হয়ে যাচ্ছে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। প্র্যত্যেককে খুন করে সুউচ্চ স্থানে ঘুড়ির মতো আকার দিয়ে ঝুলিয়ে রেখে যাচ্ছে খুনি। প্রত্যেকের লাশের সাথে কাগজে লেখা চিরকুটে মিলছে একটি ধাঁধাঁ, যেখানে রয়েছে পরবর্তী খুনের পূর্বাভাস। এটা কি তবে কোন সিরিয়াল কিলারের কাজ? কিন্তু একা এতো উঁচুতে খুনি কিভাবে তুলল ওর শিকারকে? এতো পরিশ্রম করে এভাবে মেরে ফেলে রেখে যাবার উদ্দেশ্যই বা কী? তদন্তে নেমেছে দুঁদে ডিটেকটিভ চন্দ্রকান্ত রাঠোর। সূত্র ধরে একের পর এক ধাঁধাঁ সমাধা করে খুনিকে খুঁজে বের করতে হবে তার। পরের খুন হয়ে যাবার আগেই ধরে ফেলতে হবে পাগল খুনিটাকে। কিন্তু এবারের খুনি সত্যিই তুখোড় মেধা সম্পন্ন। ঘাম ছুটে যাচ্ছে রাঠোরের। যার দীর্ঘদিনের ক্যারিয়ারে ব্যর্থতা বলতে কোন শব্দ নেই সেই রাঠোর কি তবে এবার হেরে যেতে চলেছে? চলছে খুনি ও ডিটেকটিভের মনস্তাত্ত্বিক ইঁদুর বিড়াল খেলা। গুরুতর সমস্যা উদ্ভুত হয়েছে আরো। প্রায় একই ধরণের আরেকটি খুন হয়েছে শহরে। এক কেস সমাধান করতে গিয়ে আরেকটি কেসের সাথে যোগসূত্র মিলে যাচ্ছে। কিন্তু এ কী করে সম্ভব? দারুণ এক টানাপোড়েনে আটকে রয়েছে ডিটেকটিভ রাঠোর। সে কি পারবে এর জট ছাড়াতে? প্রখ্যাত গল্পকার ভাস্কর চট্টোপাধ্যায়ের ‘পাতাং’ এক টানটান উত্তেজনায় পরিপূর্ণ থ্রিলার যা পাঠককে এক টানে নিয়ে যাবে এক অজানা ভূবনে। সেই অজানা ভূবনে আপনাকে স্বাগতম।

Reviews
There are no reviews yet.