The President Is Missing
৳ 430 Original price was: ৳ 430.৳ 323Current price is: ৳ 323.
Author: Bill Clinton, James Patterson
Translator: Adnan Ahmed Rizon
কালো মেঘ ঘনিয়ে এসেছে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী দেশটির আকাশে। সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কায় কম্পমান গোটা ইউনাইটেড স্টেটস। হোয়াইট হাউজে রাজত্ব বিস্তার করেছে অনিশ্চয়তা আর ভয়। সাইবার এবং এসপিওনাজ দুনিয়ায় যত্রতত্র কানাকানি। সিকিউরিটি টিমে লুকিয়ে আছে মারাত্মক এক বিশ্বাসঘাতক। সবার সন্দেহের আঙুল খোদ আমেরিকার প্রেসিডেন্টের দিকে। এরইমাঝে হঠাৎ করে নিখোঁজ হলেন তিনি!
প্রথমবারের মতো এক মলাটে আবদ্ধ হয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এবং বিশ্বসেরা থ্রিলার লেখক জেমস প্যাটারসন। আসুন পাঠক, চড়ে বসুন বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে রচিত দুর্দান্ত এক রোলার কোষ্টারে! উন্মোচন করুন বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী দেশটির গোপন কালো এক অধ্যায়!
120 in stock
Additional information
| Author | Bill Clinton, James Patterson |
|---|---|
| Translator | Adnan Ahmed Rizon |
| Cover Designer | Adnan Ahmed Rizon |
| Language | Bangla |
| ISBN | 9789849244189 |
| Page Number | 396 |
| Release Date | Boimela, 2018 |
Related products
Cari Mora
মিয়ামি বীচ জলাধারের কাছেই বিশাল এক ম্যানশন। লোকে বলে ওটা নাকি পাবলো এসকোবার তার পরিবারের জন্য তৈরি করে গিয়েছিল। বছরের পর বছর ধরে নিষ্ঠুর লোকেরা বাড়িটার ওপর চোখ দিয়ে আসছে। আর দেবে না-ই বা কেন? পঁচিশ মিলিয়ন ডলার সমমূল্যের স্বর্ণ ওখানে লুকিয়ে রাখা আছে। হ্যান্স-পিটার শ্নাইডারও এবার এদিকেই এসেছে। ধনী লোকেদের নৃশংস কল্পনা চরিতার্থ করে পেট চালায় সে। নিজের কার্য সমাধা করার জন্য বদ্ধ পরিকর। নিজভূম থেকে নানা ঘাত-প্রতিঘাত সয়ে ক্যারি মোরা পালিয়ে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রে। পশুপাখির সেবা করার মাঝেই অনাবিল আনন্দ খুঁজে পায় সে। তবুও একলা ঘরে ফিরে গিয়ে তার মনটাও একটু খারাপ হয় বৈকি। বিশাল এই ম্যানশনের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে নিয়োজিত আছে মেয়েটা। বেঁচে থাকবার জন্য নানা ধরনের কাজ করে সে। সুন্দরী, যুদ্ধের ক্ষত বয়ে চলা ক্যারি দেখতে পেল হ্যান্সকে। লোকটা তার বিশাল পাঞ্জা তুলে এগিয়ে আসছে গুপ্তধন উদ্ধারের জন্য। তবে ক্যারির অসামান্য দক্ষতা আর বেঁচে থাকার তাগিদের পরীক্ষা এর আগেও নেয়া হয়েছে বহুবার। দেখা যাক এই যুদ্ধে কে হারে, কে জেতে! পুরুষের আকাঙ্ক্ষা আর নারীর বেঁচে থাকার তাগিদ, এই দুইয়ের চেয়ে বড় কোনো দানব বোধহয় আর নেই। টমাস হ্যারিসের মতো আর কোন লেখক এই দানবীয় আখ্যান চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলতে পেরেছে? আমেরিকান থ্রিলার মাস্টার বহুদিন পর হাজির হয়েছেন তার ষষ্ঠ উপন্যাস নিয়ে। আপনি আমন্ত্রিত...
Cari Mora
মিয়ামি বীচ জলাধারের কাছেই বিশাল এক ম্যানশন। লোকে বলে ওটা নাকি পাবলো এসকোবার তার পরিবারের জন্য তৈরি করে গিয়েছিল। বছরের পর বছর ধরে নিষ্ঠুর লোকেরা বাড়িটার ওপর চোখ দিয়ে আসছে। আর দেবে না-ই বা কেন? পঁচিশ মিলিয়ন ডলার সমমূল্যের স্বর্ণ ওখানে লুকিয়ে রাখা আছে। হ্যান্স-পিটার শ্নাইডারও এবার এদিকেই এসেছে। ধনী লোকেদের নৃশংস কল্পনা চরিতার্থ করে পেট চালায় সে। নিজের কার্য সমাধা করার জন্য বদ্ধ পরিকর। নিজভূম থেকে নানা ঘাত-প্রতিঘাত সয়ে ক্যারি মোরা পালিয়ে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রে। পশুপাখির সেবা করার মাঝেই অনাবিল আনন্দ খুঁজে পায় সে। তবুও একলা ঘরে ফিরে গিয়ে তার মনটাও একটু খারাপ হয় বৈকি। বিশাল এই ম্যানশনের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে নিয়োজিত আছে মেয়েটা। বেঁচে থাকবার জন্য নানা ধরনের কাজ করে সে। সুন্দরী, যুদ্ধের ক্ষত বয়ে চলা ক্যারি দেখতে পেল হ্যান্সকে। লোকটা তার বিশাল পাঞ্জা তুলে এগিয়ে আসছে গুপ্তধন উদ্ধারের জন্য। তবে ক্যারির অসামান্য দক্ষতা আর বেঁচে থাকার তাগিদের পরীক্ষা এর আগেও নেয়া হয়েছে বহুবার। দেখা যাক এই যুদ্ধে কে হারে, কে জেতে! পুরুষের আকাঙ্ক্ষা আর নারীর বেঁচে থাকার তাগিদ, এই দুইয়ের চেয়ে বড় কোনো দানব বোধহয় আর নেই। টমাস হ্যারিসের মতো আর কোন লেখক এই দানবীয় আখ্যান চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলতে পেরেছে? আমেরিকান থ্রিলার মাস্টার বহুদিন পর হাজির হয়েছেন তার ষষ্ঠ উপন্যাস নিয়ে। আপনি আমন্ত্রিত...
Contest
নিউ ইয়র্ক পাবলিক লাইব্রেরী। ১০০ বছরের পুরনো জ্ঞানভান্ডারটিতে বইয়ের তাকগুলো যেন তৈরি করেছে এক গোলকধাঁধা, সরু সব করিডর আর মার্বেল পাথরের হলওয়ে। আর দশজনের কাছে এটি সাধারণ লাইব্রেরী হলেও, ডক্টর স্ফিফেন সোয়েইন আর তার একমাত্র কন্যা হলির কাছে তা রীতিমতো দুঃস্বপ্নের সামিল। কারণ এখানে কাটানো এক রাতের কন্টেস্টে অংশ নিয়ে প্রাণ খোয়াতে বসেছিল তারা। কন্টেস্টের কথা শুনে আকাশ থেকে পড়েছিল সোয়েইন। ইচ্ছার বিরুদ্ধে হলেও যেখানে তাকে অংশ নিতে হবে। খেলার নিয়ম খুব সহজ-সাতজন প্রতিযোগী গোলকধাঁধায় প্রবেশ করবে, বের হবে মাত্র একজন।
Contest
নিউ ইয়র্ক পাবলিক লাইব্রেরী। ১০০ বছরের পুরনো জ্ঞানভান্ডারটিতে বইয়ের তাকগুলো যেন তৈরি করেছে এক গোলকধাঁধা, সরু সব করিডর আর মার্বেল পাথরের হলওয়ে। আর দশজনের কাছে এটি সাধারণ লাইব্রেরী হলেও, ডক্টর স্ফিফেন সোয়েইন আর তার একমাত্র কন্যা হলির কাছে তা রীতিমতো দুঃস্বপ্নের সামিল। কারণ এখানে কাটানো এক রাতের কন্টেস্টে অংশ নিয়ে প্রাণ খোয়াতে বসেছিল তারা। কন্টেস্টের কথা শুনে আকাশ থেকে পড়েছিল সোয়েইন। ইচ্ছার বিরুদ্ধে হলেও যেখানে তাকে অংশ নিতে হবে। খেলার নিয়ম খুব সহজ-সাতজন প্রতিযোগী গোলকধাঁধায় প্রবেশ করবে, বের হবে মাত্র একজন।
Patang
মুম্বাই শহরে নৃশংসভাবে একের পর এক খুন হয়ে যাচ্ছে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। প্র্যত্যেককে খুন করে সুউচ্চ স্থানে ঘুড়ির মতো আকার দিয়ে ঝুলিয়ে রেখে যাচ্ছে খুনি। প্রত্যেকের লাশের সাথে কাগজে লেখা চিরকুটে মিলছে একটি ধাঁধাঁ, যেখানে রয়েছে পরবর্তী খুনের পূর্বাভাস। এটা কি তবে কোন সিরিয়াল কিলারের কাজ? কিন্তু একা এতো উঁচুতে খুনি কিভাবে তুলল ওর শিকারকে? এতো পরিশ্রম করে এভাবে মেরে ফেলে রেখে যাবার উদ্দেশ্যই বা কী? তদন্তে নেমেছে দুঁদে ডিটেকটিভ চন্দ্রকান্ত রাঠোর। সূত্র ধরে একের পর এক ধাঁধাঁ সমাধা করে খুনিকে খুঁজে বের করতে হবে তার। পরের খুন হয়ে যাবার আগেই ধরে ফেলতে হবে পাগল খুনিটাকে। কিন্তু এবারের খুনি সত্যিই তুখোড় মেধা সম্পন্ন। ঘাম ছুটে যাচ্ছে রাঠোরের। যার দীর্ঘদিনের ক্যারিয়ারে ব্যর্থতা বলতে কোন শব্দ নেই সেই রাঠোর কি তবে এবার হেরে যেতে চলেছে? চলছে খুনি ও ডিটেকটিভের মনস্তাত্ত্বিক ইঁদুর বিড়াল খেলা। গুরুতর সমস্যা উদ্ভুত হয়েছে আরো। প্রায় একই ধরণের আরেকটি খুন হয়েছে শহরে। এক কেস সমাধান করতে গিয়ে আরেকটি কেসের সাথে যোগসূত্র মিলে যাচ্ছে। কিন্তু এ কী করে সম্ভব? দারুণ এক টানাপোড়েনে আটকে রয়েছে ডিটেকটিভ রাঠোর। সে কি পারবে এর জট ছাড়াতে? প্রখ্যাত গল্পকার ভাস্কর চট্টোপাধ্যায়ের ‘পাতাং’ এক টানটান উত্তেজনায় পরিপূর্ণ থ্রিলার যা পাঠককে এক টানে নিয়ে যাবে এক অজানা ভূবনে। সেই অজানা ভূবনে আপনাকে স্বাগতম।
Patang
মুম্বাই শহরে নৃশংসভাবে একের পর এক খুন হয়ে যাচ্ছে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। প্র্যত্যেককে খুন করে সুউচ্চ স্থানে ঘুড়ির মতো আকার দিয়ে ঝুলিয়ে রেখে যাচ্ছে খুনি। প্রত্যেকের লাশের সাথে কাগজে লেখা চিরকুটে মিলছে একটি ধাঁধাঁ, যেখানে রয়েছে পরবর্তী খুনের পূর্বাভাস। এটা কি তবে কোন সিরিয়াল কিলারের কাজ? কিন্তু একা এতো উঁচুতে খুনি কিভাবে তুলল ওর শিকারকে? এতো পরিশ্রম করে এভাবে মেরে ফেলে রেখে যাবার উদ্দেশ্যই বা কী? তদন্তে নেমেছে দুঁদে ডিটেকটিভ চন্দ্রকান্ত রাঠোর। সূত্র ধরে একের পর এক ধাঁধাঁ সমাধা করে খুনিকে খুঁজে বের করতে হবে তার। পরের খুন হয়ে যাবার আগেই ধরে ফেলতে হবে পাগল খুনিটাকে। কিন্তু এবারের খুনি সত্যিই তুখোড় মেধা সম্পন্ন। ঘাম ছুটে যাচ্ছে রাঠোরের। যার দীর্ঘদিনের ক্যারিয়ারে ব্যর্থতা বলতে কোন শব্দ নেই সেই রাঠোর কি তবে এবার হেরে যেতে চলেছে? চলছে খুনি ও ডিটেকটিভের মনস্তাত্ত্বিক ইঁদুর বিড়াল খেলা। গুরুতর সমস্যা উদ্ভুত হয়েছে আরো। প্রায় একই ধরণের আরেকটি খুন হয়েছে শহরে। এক কেস সমাধান করতে গিয়ে আরেকটি কেসের সাথে যোগসূত্র মিলে যাচ্ছে। কিন্তু এ কী করে সম্ভব? দারুণ এক টানাপোড়েনে আটকে রয়েছে ডিটেকটিভ রাঠোর। সে কি পারবে এর জট ছাড়াতে? প্রখ্যাত গল্পকার ভাস্কর চট্টোপাধ্যায়ের ‘পাতাং’ এক টানটান উত্তেজনায় পরিপূর্ণ থ্রিলার যা পাঠককে এক টানে নিয়ে যাবে এক অজানা ভূবনে। সেই অজানা ভূবনে আপনাকে স্বাগতম।
The Paris Vendetta
১৮২১ সালে মৃত্যু হয় নির্বাসিত সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্টের। তিনি কবরে সাথে করে নিয়ে যান এক গোপন তথ্য। লুটপাট করা অজস্র সম্পদ কোথায় লুকিয়ে রেখেছিলেন তিনি- সে তথ্য অনেক চেষ্টা করেও তার জীবদ্দশায় জানতে পারেনি ব্রিটিশরা। বলা হয়, তার উইলেও তেমন কিছু খুঁজে পাওয়া যায়নি। কিন্তু সত্যিই কি তাই? জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের এক প্রাক্তন অপারেটিভ কটন ম্যালন চায় নির্ঝঞ্ঝাট জীবন। কিন্তু তার কোপেনহেগেনের বইয়ের দোকানের কাচ ভেঙে প্রবেশ করা আমেরিকান সিক্রেট সার্ভিস এজেন্ট সে সুযোগ দিল কই? বাধ্য করল ওকে অস্ত্র হাতে নামতে । ম্যালনের বন্ধু থ্রভাল্ডসেনও জড়িয়ে পড়ল এতে। কিন্তু ডেনিশ এই ধনী ব্যবসায়ীর আসল উদ্দেশ্যটা কী? কঠিন এক সিদ্ধান্তের সামনে এসে দাঁড়াল ম্যালন, কাকে বেছে নেবে ও? রাষ্ট্রের চেয়ে কি বন্ধুত্ব বড়? বর্তমানের চেয়ে অতীত? ডেনমার্কে যে যাত্রার শুরু, তার শেষ হলো প্যারিসে এসে। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো তো?
The Paris Vendetta
১৮২১ সালে মৃত্যু হয় নির্বাসিত সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্টের। তিনি কবরে সাথে করে নিয়ে যান এক গোপন তথ্য। লুটপাট করা অজস্র সম্পদ কোথায় লুকিয়ে রেখেছিলেন তিনি- সে তথ্য অনেক চেষ্টা করেও তার জীবদ্দশায় জানতে পারেনি ব্রিটিশরা। বলা হয়, তার উইলেও তেমন কিছু খুঁজে পাওয়া যায়নি। কিন্তু সত্যিই কি তাই? জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের এক প্রাক্তন অপারেটিভ কটন ম্যালন চায় নির্ঝঞ্ঝাট জীবন। কিন্তু তার কোপেনহেগেনের বইয়ের দোকানের কাচ ভেঙে প্রবেশ করা আমেরিকান সিক্রেট সার্ভিস এজেন্ট সে সুযোগ দিল কই? বাধ্য করল ওকে অস্ত্র হাতে নামতে । ম্যালনের বন্ধু থ্রভাল্ডসেনও জড়িয়ে পড়ল এতে। কিন্তু ডেনিশ এই ধনী ব্যবসায়ীর আসল উদ্দেশ্যটা কী? কঠিন এক সিদ্ধান্তের সামনে এসে দাঁড়াল ম্যালন, কাকে বেছে নেবে ও? রাষ্ট্রের চেয়ে কি বন্ধুত্ব বড়? বর্তমানের চেয়ে অতীত? ডেনমার্কে যে যাত্রার শুরু, তার শেষ হলো প্যারিসে এসে। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো তো?

Reviews
There are no reviews yet.