They Do It With Mirrors And Other Stories
৳ 400 Original price was: ৳ 400.৳ 300Current price is: ৳ 300.
Author: Agatha Christie
Translator: Md. Fuad Al Fidah
কিশোর অপরাধী সংশোধন কেন্দ্রটি কেঁপে উঠল গুলির শব্দে।
কিন্তু এ কী!
গুলি ছোড়া হলো কাকে উদ্দেশ্য করে…আর মারা গেল কে!
বান্ধবীর বাড়িতে উদ্দেশ্য নিয়েই পা রেখেছেন মিস মার্পল। দালানটা সংশোধন কেন্দ্রও বটে, কিশোর অপরাধীতে ভর্তি।
আর আসার উদ্দেশ্য সঠিক প্রমাণের জন্যই যেন ঘরের কর্তা লুইস সেরাকোল্ডকে গুলি করল কিশোরদের একজন। কিন্তু কী আশ্চর্য, ঠিক সেই সময়েই খুন হলেন এক অতিথি, মি গালব্রাণ্ডসেন।
কাকতাল?
মিস মার্পলের তা মনে হয় না। পণ করলেন তিনি- এই রহস্যের শেষ দেখে ছাড়বেন
200 in stock
Additional information
| Author | Agatha Christie |
|---|---|
| Translator | Md. Fuad Al Fidah |
| Cover Designer | Adnan Ahmed Rizon |
| Language | Bangla |
| ISBN | 9789849244288 |
| Page Number | 256 |
| Release Date | October 2018 |
Related products
Dongri to Dubai
তৎকালীন দক্ষিণ বোম্বের (বর্তমান মুম্বাই) থেকে একটু বাইরের এলাকা তেমকার মহল্লায় ১৯৫৫ সালের ২৬শে ডিসেম্বর জন্ম হলো এক ছেলে শিশুর। বাবার নাম ইব্রাহীম কস্কর। শিশুটা তার বাবা-মা'র দ্বিতীয় সন্তান। শিশুটার জন্মের আগে পীর নিরালা শাহ মন্তব্য করেছিলেন, ইব্রাহীম কস্করের এই সন্তান একদিন অনেক ধনী ও প্রতাপশালী হবে। বাবা তার নাম রাখলেন দাউদ ইব্রাহীম কস্কর। সেদিন তিনি নিজেও ভাবতে পারেননি এই দাউদই একদিন চারদিক কাঁপানো আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন হিসেবে নিজেকে তুলে ধরবে। সৎ পুলিশ কনস্টেবল ইব্রাহীম কস্করের দ্বিতীয় পুত্র দাউদ ইব্রাহীম কিশোর বয়স থেকেই টুকটাক অপরাধের সাথে জড়িত হওয়া শুরু করে। আর এর সূত্র ধরেই ধীরে ধীরে সে জড়িয়ে যায় ইন্ডিয়ান আন্ডারওয়ার্ল্ডের সাথে। হাজি মাস্তানের মতো ডনকেও পাশ কাটিয়ে অন্ধকারের জগতে তৈরি করে নেয় নিজের শক্ত অবস্থান। দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে দাউদের প্রতাপ ছড়িয়ে পড়ে বিদেশেও। নানা বৈধ আর অবৈধ ব্যবসায় সরাসরি বিনিয়োগ করা শুরু করে সে। সহকারী হিসেবে জুটে যায় ছোটা রাজন, ছোটা শাকিলের মতো কুখ্যাত সন্ত্রাসীরা। আর সেই সাথে বিরোধী পক্ষের ডন আর গ্যাংস্টারদের সাথেও সমানুপাতিক হারে চলমান থাকে রক্তক্ষয়ী সংঘাত। আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন হিসেবে তার উত্থানের এক পর্যায়ে কুখ্যাত মুম্বাই হামলার জন্য অভিযুক্ত হতে হয় তাকে। ছাড়তে হয় দেশ। নিজের সাম্রাজ্য দুবাইয়ে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয় ডন দাউদ ইব্রাহীম। মহাপরাক্রমশালী ডন হওয়া সত্ত্বেও দাউদ ইব্রাহীমকে ছুটে বেড়াতে হয়েছে পৃথিবীর এক দেশ থেকে আরেক দেশে। বারবার মুখোমুখি হতে হয়েছে চোরাগুপ্তা হামলার। ডংরির আড়ম্বরহীন পরিবেশে বেড়ে ওঠা সাধারণ এক বালকের কুখ্যাত মাফিয়া ডন হয়ে ওঠার রোমাঞ্চকর গল্প এটা। যেখানে শুধু দাউদের কথা না, উঠে এসেছে মুম্বাই মাফিয়ার পুরো ছয় দশকের রক্তাক্ত ইতিহাস।
Dongri to Dubai
তৎকালীন দক্ষিণ বোম্বের (বর্তমান মুম্বাই) থেকে একটু বাইরের এলাকা তেমকার মহল্লায় ১৯৫৫ সালের ২৬শে ডিসেম্বর জন্ম হলো এক ছেলে শিশুর। বাবার নাম ইব্রাহীম কস্কর। শিশুটা তার বাবা-মা'র দ্বিতীয় সন্তান। শিশুটার জন্মের আগে পীর নিরালা শাহ মন্তব্য করেছিলেন, ইব্রাহীম কস্করের এই সন্তান একদিন অনেক ধনী ও প্রতাপশালী হবে। বাবা তার নাম রাখলেন দাউদ ইব্রাহীম কস্কর। সেদিন তিনি নিজেও ভাবতে পারেননি এই দাউদই একদিন চারদিক কাঁপানো আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন হিসেবে নিজেকে তুলে ধরবে। সৎ পুলিশ কনস্টেবল ইব্রাহীম কস্করের দ্বিতীয় পুত্র দাউদ ইব্রাহীম কিশোর বয়স থেকেই টুকটাক অপরাধের সাথে জড়িত হওয়া শুরু করে। আর এর সূত্র ধরেই ধীরে ধীরে সে জড়িয়ে যায় ইন্ডিয়ান আন্ডারওয়ার্ল্ডের সাথে। হাজি মাস্তানের মতো ডনকেও পাশ কাটিয়ে অন্ধকারের জগতে তৈরি করে নেয় নিজের শক্ত অবস্থান। দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে দাউদের প্রতাপ ছড়িয়ে পড়ে বিদেশেও। নানা বৈধ আর অবৈধ ব্যবসায় সরাসরি বিনিয়োগ করা শুরু করে সে। সহকারী হিসেবে জুটে যায় ছোটা রাজন, ছোটা শাকিলের মতো কুখ্যাত সন্ত্রাসীরা। আর সেই সাথে বিরোধী পক্ষের ডন আর গ্যাংস্টারদের সাথেও সমানুপাতিক হারে চলমান থাকে রক্তক্ষয়ী সংঘাত। আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন হিসেবে তার উত্থানের এক পর্যায়ে কুখ্যাত মুম্বাই হামলার জন্য অভিযুক্ত হতে হয় তাকে। ছাড়তে হয় দেশ। নিজের সাম্রাজ্য দুবাইয়ে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয় ডন দাউদ ইব্রাহীম। মহাপরাক্রমশালী ডন হওয়া সত্ত্বেও দাউদ ইব্রাহীমকে ছুটে বেড়াতে হয়েছে পৃথিবীর এক দেশ থেকে আরেক দেশে। বারবার মুখোমুখি হতে হয়েছে চোরাগুপ্তা হামলার। ডংরির আড়ম্বরহীন পরিবেশে বেড়ে ওঠা সাধারণ এক বালকের কুখ্যাত মাফিয়া ডন হয়ে ওঠার রোমাঞ্চকর গল্প এটা। যেখানে শুধু দাউদের কথা না, উঠে এসেছে মুম্বাই মাফিয়ার পুরো ছয় দশকের রক্তাক্ত ইতিহাস।
The President Is Missing
Translator: Adnan Ahmed Rizon
কালো মেঘ ঘনিয়ে এসেছে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী দেশটির আকাশে। সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কায় কম্পমান গোটা ইউনাইটেড স্টেটস। হোয়াইট হাউজে রাজত্ব বিস্তার করেছে অনিশ্চয়তা আর ভয়। সাইবার এবং এসপিওনাজ দুনিয়ায় যত্রতত্র কানাকানি। সিকিউরিটি টিমে লুকিয়ে আছে মারাত্মক এক বিশ্বাসঘাতক। সবার সন্দেহের আঙুল খোদ আমেরিকার প্রেসিডেন্টের দিকে। এরইমাঝে হঠাৎ করে নিখোঁজ হলেন তিনি! প্রথমবারের মতো এক মলাটে আবদ্ধ হয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এবং বিশ্বসেরা থ্রিলার লেখক জেমস প্যাটারসন। আসুন পাঠক, চড়ে বসুন বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে রচিত দুর্দান্ত এক রোলার কোষ্টারে! উন্মোচন করুন বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী দেশটির গোপন কালো এক অধ্যায়!
The President Is Missing
Translator: Adnan Ahmed Rizon
কালো মেঘ ঘনিয়ে এসেছে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী দেশটির আকাশে। সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কায় কম্পমান গোটা ইউনাইটেড স্টেটস। হোয়াইট হাউজে রাজত্ব বিস্তার করেছে অনিশ্চয়তা আর ভয়। সাইবার এবং এসপিওনাজ দুনিয়ায় যত্রতত্র কানাকানি। সিকিউরিটি টিমে লুকিয়ে আছে মারাত্মক এক বিশ্বাসঘাতক। সবার সন্দেহের আঙুল খোদ আমেরিকার প্রেসিডেন্টের দিকে। এরইমাঝে হঠাৎ করে নিখোঁজ হলেন তিনি! প্রথমবারের মতো এক মলাটে আবদ্ধ হয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এবং বিশ্বসেরা থ্রিলার লেখক জেমস প্যাটারসন। আসুন পাঠক, চড়ে বসুন বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে রচিত দুর্দান্ত এক রোলার কোষ্টারে! উন্মোচন করুন বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী দেশটির গোপন কালো এক অধ্যায়!
Patang
মুম্বাই শহরে নৃশংসভাবে একের পর এক খুন হয়ে যাচ্ছে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। প্র্যত্যেককে খুন করে সুউচ্চ স্থানে ঘুড়ির মতো আকার দিয়ে ঝুলিয়ে রেখে যাচ্ছে খুনি। প্রত্যেকের লাশের সাথে কাগজে লেখা চিরকুটে মিলছে একটি ধাঁধাঁ, যেখানে রয়েছে পরবর্তী খুনের পূর্বাভাস। এটা কি তবে কোন সিরিয়াল কিলারের কাজ? কিন্তু একা এতো উঁচুতে খুনি কিভাবে তুলল ওর শিকারকে? এতো পরিশ্রম করে এভাবে মেরে ফেলে রেখে যাবার উদ্দেশ্যই বা কী? তদন্তে নেমেছে দুঁদে ডিটেকটিভ চন্দ্রকান্ত রাঠোর। সূত্র ধরে একের পর এক ধাঁধাঁ সমাধা করে খুনিকে খুঁজে বের করতে হবে তার। পরের খুন হয়ে যাবার আগেই ধরে ফেলতে হবে পাগল খুনিটাকে। কিন্তু এবারের খুনি সত্যিই তুখোড় মেধা সম্পন্ন। ঘাম ছুটে যাচ্ছে রাঠোরের। যার দীর্ঘদিনের ক্যারিয়ারে ব্যর্থতা বলতে কোন শব্দ নেই সেই রাঠোর কি তবে এবার হেরে যেতে চলেছে? চলছে খুনি ও ডিটেকটিভের মনস্তাত্ত্বিক ইঁদুর বিড়াল খেলা। গুরুতর সমস্যা উদ্ভুত হয়েছে আরো। প্রায় একই ধরণের আরেকটি খুন হয়েছে শহরে। এক কেস সমাধান করতে গিয়ে আরেকটি কেসের সাথে যোগসূত্র মিলে যাচ্ছে। কিন্তু এ কী করে সম্ভব? দারুণ এক টানাপোড়েনে আটকে রয়েছে ডিটেকটিভ রাঠোর। সে কি পারবে এর জট ছাড়াতে? প্রখ্যাত গল্পকার ভাস্কর চট্টোপাধ্যায়ের ‘পাতাং’ এক টানটান উত্তেজনায় পরিপূর্ণ থ্রিলার যা পাঠককে এক টানে নিয়ে যাবে এক অজানা ভূবনে। সেই অজানা ভূবনে আপনাকে স্বাগতম।
Patang
মুম্বাই শহরে নৃশংসভাবে একের পর এক খুন হয়ে যাচ্ছে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। প্র্যত্যেককে খুন করে সুউচ্চ স্থানে ঘুড়ির মতো আকার দিয়ে ঝুলিয়ে রেখে যাচ্ছে খুনি। প্রত্যেকের লাশের সাথে কাগজে লেখা চিরকুটে মিলছে একটি ধাঁধাঁ, যেখানে রয়েছে পরবর্তী খুনের পূর্বাভাস। এটা কি তবে কোন সিরিয়াল কিলারের কাজ? কিন্তু একা এতো উঁচুতে খুনি কিভাবে তুলল ওর শিকারকে? এতো পরিশ্রম করে এভাবে মেরে ফেলে রেখে যাবার উদ্দেশ্যই বা কী? তদন্তে নেমেছে দুঁদে ডিটেকটিভ চন্দ্রকান্ত রাঠোর। সূত্র ধরে একের পর এক ধাঁধাঁ সমাধা করে খুনিকে খুঁজে বের করতে হবে তার। পরের খুন হয়ে যাবার আগেই ধরে ফেলতে হবে পাগল খুনিটাকে। কিন্তু এবারের খুনি সত্যিই তুখোড় মেধা সম্পন্ন। ঘাম ছুটে যাচ্ছে রাঠোরের। যার দীর্ঘদিনের ক্যারিয়ারে ব্যর্থতা বলতে কোন শব্দ নেই সেই রাঠোর কি তবে এবার হেরে যেতে চলেছে? চলছে খুনি ও ডিটেকটিভের মনস্তাত্ত্বিক ইঁদুর বিড়াল খেলা। গুরুতর সমস্যা উদ্ভুত হয়েছে আরো। প্রায় একই ধরণের আরেকটি খুন হয়েছে শহরে। এক কেস সমাধান করতে গিয়ে আরেকটি কেসের সাথে যোগসূত্র মিলে যাচ্ছে। কিন্তু এ কী করে সম্ভব? দারুণ এক টানাপোড়েনে আটকে রয়েছে ডিটেকটিভ রাঠোর। সে কি পারবে এর জট ছাড়াতে? প্রখ্যাত গল্পকার ভাস্কর চট্টোপাধ্যায়ের ‘পাতাং’ এক টানটান উত্তেজনায় পরিপূর্ণ থ্রিলার যা পাঠককে এক টানে নিয়ে যাবে এক অজানা ভূবনে। সেই অজানা ভূবনে আপনাকে স্বাগতম।
Why Didn’t They Ask Evans And Other Stories
পাহাড়ের চূড়া থেকে ভুলক্রমে পা ফস্কেই কি তাহলে মৃত্যু ঘটলো অপরিচিত ব্যক্তিটির? নাকি এর পেছনে অশুভ কোনো বিষয় লুকিয়ে রয়েছে? ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ববি জোন্স এবং ফ্রান্সিস ডারোয়েন্টের সন্দেহ আস্তে আস্তে বাড়তে থাকলো। বিশেষ করে তাদের মনোযোগ আকর্ষণ করল মৃত ব্যক্তিটির বলা শেষ কথাগুলো, "কেন তারা ইভান্সকে জিজ্ঞেস করেনি?" উদ্ভট এবং একই সাথে ধাঁধায় পরিপূর্ণ এই কথাগুলো অর্থ বুঝতে বদ্ধপরিকর ববি এবং ফ্রান্সিস রহস্য উন্মোচনের খেলায় নেমে পড়ল। কিন্তু দুর্ভাগক্রমে তারা বিপদের সম্মুখীন হতে থাকল এবং ইভান্সকে খোঁজার প্রক্রিয়া আস্তে আস্তে কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে পড়ল। রহস্যসম্রাজ্ঞীর ধাঁধায় পরিপূর্ণ লেখনীতে বুঁদ হয়ে যাওয়ার জন্য পাঠককে স্বাগতম।
Why Didn’t They Ask Evans And Other Stories
পাহাড়ের চূড়া থেকে ভুলক্রমে পা ফস্কেই কি তাহলে মৃত্যু ঘটলো অপরিচিত ব্যক্তিটির? নাকি এর পেছনে অশুভ কোনো বিষয় লুকিয়ে রয়েছে? ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ববি জোন্স এবং ফ্রান্সিস ডারোয়েন্টের সন্দেহ আস্তে আস্তে বাড়তে থাকলো। বিশেষ করে তাদের মনোযোগ আকর্ষণ করল মৃত ব্যক্তিটির বলা শেষ কথাগুলো, "কেন তারা ইভান্সকে জিজ্ঞেস করেনি?" উদ্ভট এবং একই সাথে ধাঁধায় পরিপূর্ণ এই কথাগুলো অর্থ বুঝতে বদ্ধপরিকর ববি এবং ফ্রান্সিস রহস্য উন্মোচনের খেলায় নেমে পড়ল। কিন্তু দুর্ভাগক্রমে তারা বিপদের সম্মুখীন হতে থাকল এবং ইভান্সকে খোঁজার প্রক্রিয়া আস্তে আস্তে কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে পড়ল। রহস্যসম্রাজ্ঞীর ধাঁধায় পরিপূর্ণ লেখনীতে বুঁদ হয়ে যাওয়ার জন্য পাঠককে স্বাগতম।

Reviews
There are no reviews yet.