Towards Zero and The Witness For The Prosecution and Other Stories
৳ 450 Original price was: ৳ 450.৳ 338Current price is: ৳ 338.
Author: Agatha Christie
Translator: Md. Fuad Al Fidah
নিজ গৃহে গভীর রাতে খুন হলেন লেডি ট্রেসেলিয়ান!
কিন্তু আত্মহত্যার এক ব্যর্থ প্রচেষ্টা, এক স্কুল পড়ুয়া মেয়ের বিরুদ্ধে চুরির ভুল অভিযোগ আর মিঃ ট্রেভস এর মৃত্যুর সাথে এক জনপ্রিয় টেনিস খেলোয়ারের ব্যক্তিগত জীবনের সম্পর্কটা কী?
আপাতদৃষ্টিতে ঘটনাগুলো খাপছাড়া মনে হয়। কিন্তু যখন লেডি ট্রেসেলিয়ানের বাড়িতে একই ছাদের নিচে অনেক অতিথি এসে উপস্থিত, তখন ঘটনা নাটকীয় মোড় নেয়। একে একে পরিষ্কার হয়ে আসে সব কিছু।
খাপছাড়া ঘটনাগুলোই তখন তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে পড়ে!
সব কিছু ঘটছে এক খুনের পরিকল্পনাকে ঘিরে…!
কিন্তু কে কাকে খুন করতে চাইছে?
রহস্যের এই ধূম্রজাল কাটবে তো?
200 in stock
Additional information
| Author | Agatha Christie |
|---|---|
| Translator | Md. Fuad Al Fidah |
| Cover Designer | Adnan Ahmed Rizon |
| Language | Bangla |
| ISBN | 9789849243731 |
| Page Number | 358 |
| Release Date | December 2016 |
Related products
Sparkling Cyanide And Other Stories
লন্ডনের এক আলো ঝলমলে নাইটক্লাবে পালন করা হচ্ছে রোজমেরি বার্টনের জন্মদিন। কিন্তু শ্যাম্পেন পান করতে গিয়ে ঘটল বিপত্তি। গ্লাসে মেশানো ছিলো সায়ানাইড। জন্মদিনেই মৃত্যু হলো সুন্দরী এই যুবতীর। করোনারের দৃষ্টিতে ঘটনাটা নিছক আত্মহত্যা। কিন্তু বেনামী চিঠি বলছে অন্য কথা- খুন করা হয়েছে মেয়েটাকে। সন্দেহভাজনের তালিকায় নাম এলো তিনজনের- স্বামী, বোন আর এমন এক প্রেমিক, যে চাইতো রোজমেরির সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করতে। কে করেছে খুনটা?
Sparkling Cyanide And Other Stories
লন্ডনের এক আলো ঝলমলে নাইটক্লাবে পালন করা হচ্ছে রোজমেরি বার্টনের জন্মদিন। কিন্তু শ্যাম্পেন পান করতে গিয়ে ঘটল বিপত্তি। গ্লাসে মেশানো ছিলো সায়ানাইড। জন্মদিনেই মৃত্যু হলো সুন্দরী এই যুবতীর। করোনারের দৃষ্টিতে ঘটনাটা নিছক আত্মহত্যা। কিন্তু বেনামী চিঠি বলছে অন্য কথা- খুন করা হয়েছে মেয়েটাকে। সন্দেহভাজনের তালিকায় নাম এলো তিনজনের- স্বামী, বোন আর এমন এক প্রেমিক, যে চাইতো রোজমেরির সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করতে। কে করেছে খুনটা?
Dongri to Dubai
তৎকালীন দক্ষিণ বোম্বের (বর্তমান মুম্বাই) থেকে একটু বাইরের এলাকা তেমকার মহল্লায় ১৯৫৫ সালের ২৬শে ডিসেম্বর জন্ম হলো এক ছেলে শিশুর। বাবার নাম ইব্রাহীম কস্কর। শিশুটা তার বাবা-মা'র দ্বিতীয় সন্তান। শিশুটার জন্মের আগে পীর নিরালা শাহ মন্তব্য করেছিলেন, ইব্রাহীম কস্করের এই সন্তান একদিন অনেক ধনী ও প্রতাপশালী হবে। বাবা তার নাম রাখলেন দাউদ ইব্রাহীম কস্কর। সেদিন তিনি নিজেও ভাবতে পারেননি এই দাউদই একদিন চারদিক কাঁপানো আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন হিসেবে নিজেকে তুলে ধরবে। সৎ পুলিশ কনস্টেবল ইব্রাহীম কস্করের দ্বিতীয় পুত্র দাউদ ইব্রাহীম কিশোর বয়স থেকেই টুকটাক অপরাধের সাথে জড়িত হওয়া শুরু করে। আর এর সূত্র ধরেই ধীরে ধীরে সে জড়িয়ে যায় ইন্ডিয়ান আন্ডারওয়ার্ল্ডের সাথে। হাজি মাস্তানের মতো ডনকেও পাশ কাটিয়ে অন্ধকারের জগতে তৈরি করে নেয় নিজের শক্ত অবস্থান। দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে দাউদের প্রতাপ ছড়িয়ে পড়ে বিদেশেও। নানা বৈধ আর অবৈধ ব্যবসায় সরাসরি বিনিয়োগ করা শুরু করে সে। সহকারী হিসেবে জুটে যায় ছোটা রাজন, ছোটা শাকিলের মতো কুখ্যাত সন্ত্রাসীরা। আর সেই সাথে বিরোধী পক্ষের ডন আর গ্যাংস্টারদের সাথেও সমানুপাতিক হারে চলমান থাকে রক্তক্ষয়ী সংঘাত। আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন হিসেবে তার উত্থানের এক পর্যায়ে কুখ্যাত মুম্বাই হামলার জন্য অভিযুক্ত হতে হয় তাকে। ছাড়তে হয় দেশ। নিজের সাম্রাজ্য দুবাইয়ে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয় ডন দাউদ ইব্রাহীম। মহাপরাক্রমশালী ডন হওয়া সত্ত্বেও দাউদ ইব্রাহীমকে ছুটে বেড়াতে হয়েছে পৃথিবীর এক দেশ থেকে আরেক দেশে। বারবার মুখোমুখি হতে হয়েছে চোরাগুপ্তা হামলার। ডংরির আড়ম্বরহীন পরিবেশে বেড়ে ওঠা সাধারণ এক বালকের কুখ্যাত মাফিয়া ডন হয়ে ওঠার রোমাঞ্চকর গল্প এটা। যেখানে শুধু দাউদের কথা না, উঠে এসেছে মুম্বাই মাফিয়ার পুরো ছয় দশকের রক্তাক্ত ইতিহাস।
Dongri to Dubai
তৎকালীন দক্ষিণ বোম্বের (বর্তমান মুম্বাই) থেকে একটু বাইরের এলাকা তেমকার মহল্লায় ১৯৫৫ সালের ২৬শে ডিসেম্বর জন্ম হলো এক ছেলে শিশুর। বাবার নাম ইব্রাহীম কস্কর। শিশুটা তার বাবা-মা'র দ্বিতীয় সন্তান। শিশুটার জন্মের আগে পীর নিরালা শাহ মন্তব্য করেছিলেন, ইব্রাহীম কস্করের এই সন্তান একদিন অনেক ধনী ও প্রতাপশালী হবে। বাবা তার নাম রাখলেন দাউদ ইব্রাহীম কস্কর। সেদিন তিনি নিজেও ভাবতে পারেননি এই দাউদই একদিন চারদিক কাঁপানো আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন হিসেবে নিজেকে তুলে ধরবে। সৎ পুলিশ কনস্টেবল ইব্রাহীম কস্করের দ্বিতীয় পুত্র দাউদ ইব্রাহীম কিশোর বয়স থেকেই টুকটাক অপরাধের সাথে জড়িত হওয়া শুরু করে। আর এর সূত্র ধরেই ধীরে ধীরে সে জড়িয়ে যায় ইন্ডিয়ান আন্ডারওয়ার্ল্ডের সাথে। হাজি মাস্তানের মতো ডনকেও পাশ কাটিয়ে অন্ধকারের জগতে তৈরি করে নেয় নিজের শক্ত অবস্থান। দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে দাউদের প্রতাপ ছড়িয়ে পড়ে বিদেশেও। নানা বৈধ আর অবৈধ ব্যবসায় সরাসরি বিনিয়োগ করা শুরু করে সে। সহকারী হিসেবে জুটে যায় ছোটা রাজন, ছোটা শাকিলের মতো কুখ্যাত সন্ত্রাসীরা। আর সেই সাথে বিরোধী পক্ষের ডন আর গ্যাংস্টারদের সাথেও সমানুপাতিক হারে চলমান থাকে রক্তক্ষয়ী সংঘাত। আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন হিসেবে তার উত্থানের এক পর্যায়ে কুখ্যাত মুম্বাই হামলার জন্য অভিযুক্ত হতে হয় তাকে। ছাড়তে হয় দেশ। নিজের সাম্রাজ্য দুবাইয়ে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয় ডন দাউদ ইব্রাহীম। মহাপরাক্রমশালী ডন হওয়া সত্ত্বেও দাউদ ইব্রাহীমকে ছুটে বেড়াতে হয়েছে পৃথিবীর এক দেশ থেকে আরেক দেশে। বারবার মুখোমুখি হতে হয়েছে চোরাগুপ্তা হামলার। ডংরির আড়ম্বরহীন পরিবেশে বেড়ে ওঠা সাধারণ এক বালকের কুখ্যাত মাফিয়া ডন হয়ে ওঠার রোমাঞ্চকর গল্প এটা। যেখানে শুধু দাউদের কথা না, উঠে এসেছে মুম্বাই মাফিয়ার পুরো ছয় দশকের রক্তাক্ত ইতিহাস।
Elephant Can Remember
Endless Night
সাহিত্যিকদের ভোজসভায় প্রথমবারের মতো গিয়েই ফেঁসে গেলেন স্বনামধন্য রহস্য ঔপন্যাসিকা মিসেস অলিভার। চেনা নেই, জানা নেই, হঠাত করেই উটকো এক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হলো। সিলিয়া র্যাভেন্সক্রফটের বাবা-মায়ের সাথে আসলে কী ঘটেছিল? পরিকল্পিত আত্মহত্যা, নাকি ঠাণ্ডা মাথায় খুন? মিসেস বার্টন-কক্সের জন্য প্রশ্নটির উত্তর জানা জরুরী। তার ছেলে ডেসমন্ড ও মিসেস অলিভারের ধর্মকন্যা সিলিয়ার বিয়ে হতে যাচ্ছে খুব শিগগির। কিন্তু যে মেয়ের বাবা-মায়ের সাথে এমন ঘটনা ঘটেছে, তার সাথে কি ছেলের বিয়ে দিতে আছে? নাকি অন্য কোন স্বার্থ আছে মিসেস বার্টন-কক্সের এ প্রশ্নের? কৌতুহল চেপে রাখা কঠিন হয়ে দাঁড়াল মিসেস অলিভারের জন্য। সাহায্যের জন্য দ্বারস্থ হলেন বন্ধু ও দুঁদে গোয়েন্দা এরকুল পোয়ারোর। বিনি সুতোয় মালা গাঁথতে শুরু করলেন দু’জনে। একের পর এক ‘হাতির’ কাছে যাচ্ছেন, শুনছেন অতীতের এক অবিশ্বাস্য কাহিনি। সত্যটা কী, জানতে হলে যেতে হবে আরো গভীরে। পোয়ারোর সামনে এবার স্বামী-স্ত্রী দ্বৈত হত্যা মামলা। গুলিবিদ্ধ দেহদুটো নিজেরাই কি বেছে নিয়েছিল করুণ এক পরিণতি? নাকি তারা কারো প্রতিহিংসার শিকার? সামান্য কিছু উইগের সূত্র ধরে পোয়ারো ধীরে ধীরে উন্মোচন করলেন অকল্পনীয় এক সত্য। হিংসা, ঘৃণা, আবেগ, ভালোবাসা
Elephant Can Remember
Endless Night
সাহিত্যিকদের ভোজসভায় প্রথমবারের মতো গিয়েই ফেঁসে গেলেন স্বনামধন্য রহস্য ঔপন্যাসিকা মিসেস অলিভার। চেনা নেই, জানা নেই, হঠাত করেই উটকো এক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হলো। সিলিয়া র্যাভেন্সক্রফটের বাবা-মায়ের সাথে আসলে কী ঘটেছিল? পরিকল্পিত আত্মহত্যা, নাকি ঠাণ্ডা মাথায় খুন? মিসেস বার্টন-কক্সের জন্য প্রশ্নটির উত্তর জানা জরুরী। তার ছেলে ডেসমন্ড ও মিসেস অলিভারের ধর্মকন্যা সিলিয়ার বিয়ে হতে যাচ্ছে খুব শিগগির। কিন্তু যে মেয়ের বাবা-মায়ের সাথে এমন ঘটনা ঘটেছে, তার সাথে কি ছেলের বিয়ে দিতে আছে? নাকি অন্য কোন স্বার্থ আছে মিসেস বার্টন-কক্সের এ প্রশ্নের? কৌতুহল চেপে রাখা কঠিন হয়ে দাঁড়াল মিসেস অলিভারের জন্য। সাহায্যের জন্য দ্বারস্থ হলেন বন্ধু ও দুঁদে গোয়েন্দা এরকুল পোয়ারোর। বিনি সুতোয় মালা গাঁথতে শুরু করলেন দু’জনে। একের পর এক ‘হাতির’ কাছে যাচ্ছেন, শুনছেন অতীতের এক অবিশ্বাস্য কাহিনি। সত্যটা কী, জানতে হলে যেতে হবে আরো গভীরে। পোয়ারোর সামনে এবার স্বামী-স্ত্রী দ্বৈত হত্যা মামলা। গুলিবিদ্ধ দেহদুটো নিজেরাই কি বেছে নিয়েছিল করুণ এক পরিণতি? নাকি তারা কারো প্রতিহিংসার শিকার? সামান্য কিছু উইগের সূত্র ধরে পোয়ারো ধীরে ধীরে উন্মোচন করলেন অকল্পনীয় এক সত্য। হিংসা, ঘৃণা, আবেগ, ভালোবাসা
The President Is Missing
Translator: Adnan Ahmed Rizon
কালো মেঘ ঘনিয়ে এসেছে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী দেশটির আকাশে। সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কায় কম্পমান গোটা ইউনাইটেড স্টেটস। হোয়াইট হাউজে রাজত্ব বিস্তার করেছে অনিশ্চয়তা আর ভয়। সাইবার এবং এসপিওনাজ দুনিয়ায় যত্রতত্র কানাকানি। সিকিউরিটি টিমে লুকিয়ে আছে মারাত্মক এক বিশ্বাসঘাতক। সবার সন্দেহের আঙুল খোদ আমেরিকার প্রেসিডেন্টের দিকে। এরইমাঝে হঠাৎ করে নিখোঁজ হলেন তিনি! প্রথমবারের মতো এক মলাটে আবদ্ধ হয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এবং বিশ্বসেরা থ্রিলার লেখক জেমস প্যাটারসন। আসুন পাঠক, চড়ে বসুন বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে রচিত দুর্দান্ত এক রোলার কোষ্টারে! উন্মোচন করুন বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী দেশটির গোপন কালো এক অধ্যায়!
The President Is Missing
Translator: Adnan Ahmed Rizon
কালো মেঘ ঘনিয়ে এসেছে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী দেশটির আকাশে। সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কায় কম্পমান গোটা ইউনাইটেড স্টেটস। হোয়াইট হাউজে রাজত্ব বিস্তার করেছে অনিশ্চয়তা আর ভয়। সাইবার এবং এসপিওনাজ দুনিয়ায় যত্রতত্র কানাকানি। সিকিউরিটি টিমে লুকিয়ে আছে মারাত্মক এক বিশ্বাসঘাতক। সবার সন্দেহের আঙুল খোদ আমেরিকার প্রেসিডেন্টের দিকে। এরইমাঝে হঠাৎ করে নিখোঁজ হলেন তিনি! প্রথমবারের মতো এক মলাটে আবদ্ধ হয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এবং বিশ্বসেরা থ্রিলার লেখক জেমস প্যাটারসন। আসুন পাঠক, চড়ে বসুন বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে রচিত দুর্দান্ত এক রোলার কোষ্টারে! উন্মোচন করুন বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী দেশটির গোপন কালো এক অধ্যায়!

Reviews
There are no reviews yet.