And Then There Were None
The Mysterious Affairs at Styles
৳ 460 Original price was: ৳ 460.৳ 345Current price is: ৳ 345.
Author: Agatha Christie
Translator: Sayem Solaiman, Ashiqur Rahman Bishal
ডেভন কোস্ট থেকে অনতিদূরের এক দ্বীপে জড়ো হয়েছেন তাঁরা দশজন। আমন্ত্রণ জানিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাঁদেরকে সেখানে। যিনি আমন্ত্রণ জানিয়েছেন, তাঁকে ঠিকমতো চেনেন না কেউই।
অতিথিদের প্রত্যেকেরই আছে গোপন আর খারাপ একটা অতীত। তাঁরা প্রত্যেকেই কোনও-না-কোনও কুকর্মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
এবং তাঁরা একে একে পরিণত হতে লাগলেন কোনও এক খুনির শিকারে। পালানোর কোনও উপায় নেই।
ক্লু একটাই: যিনি মারা যাচ্ছেন, তিনি খুনি না। তা হলে ওই দ্বীপে হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে কে?
…নৃশংস প্লট আর অনিশ্চয়তায় পূর্ণ ঘটনাপ্রবাহে হারিয়ে গিয়ে নিজেকে প্রশ্নটা জিজ্ঞেস করতে বাধ্য হবেন আপনি বার বার। এবং কাহিনির শেষভাগে এসে হতভম্ব না-হয়ে পারবেন না।
Out of stock
Additional information
| Author | Agatha Christie |
|---|---|
| Translator | Sayem Solaiman , Ashiqur Rahman Bishal |
| Cover Designer | Adnan Ahmed Rizon |
| Language | Bangla |
| ISBN | 9789849243946 |
| Page Number | 368 |
| Release Date | January 2017 |
The Mysterious Affairs at Styles” Cancel reply
Related products
Patang
মুম্বাই শহরে নৃশংসভাবে একের পর এক খুন হয়ে যাচ্ছে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। প্র্যত্যেককে খুন করে সুউচ্চ স্থানে ঘুড়ির মতো আকার দিয়ে ঝুলিয়ে রেখে যাচ্ছে খুনি। প্রত্যেকের লাশের সাথে কাগজে লেখা চিরকুটে মিলছে একটি ধাঁধাঁ, যেখানে রয়েছে পরবর্তী খুনের পূর্বাভাস। এটা কি তবে কোন সিরিয়াল কিলারের কাজ? কিন্তু একা এতো উঁচুতে খুনি কিভাবে তুলল ওর শিকারকে? এতো পরিশ্রম করে এভাবে মেরে ফেলে রেখে যাবার উদ্দেশ্যই বা কী? তদন্তে নেমেছে দুঁদে ডিটেকটিভ চন্দ্রকান্ত রাঠোর। সূত্র ধরে একের পর এক ধাঁধাঁ সমাধা করে খুনিকে খুঁজে বের করতে হবে তার। পরের খুন হয়ে যাবার আগেই ধরে ফেলতে হবে পাগল খুনিটাকে। কিন্তু এবারের খুনি সত্যিই তুখোড় মেধা সম্পন্ন। ঘাম ছুটে যাচ্ছে রাঠোরের। যার দীর্ঘদিনের ক্যারিয়ারে ব্যর্থতা বলতে কোন শব্দ নেই সেই রাঠোর কি তবে এবার হেরে যেতে চলেছে? চলছে খুনি ও ডিটেকটিভের মনস্তাত্ত্বিক ইঁদুর বিড়াল খেলা। গুরুতর সমস্যা উদ্ভুত হয়েছে আরো। প্রায় একই ধরণের আরেকটি খুন হয়েছে শহরে। এক কেস সমাধান করতে গিয়ে আরেকটি কেসের সাথে যোগসূত্র মিলে যাচ্ছে। কিন্তু এ কী করে সম্ভব? দারুণ এক টানাপোড়েনে আটকে রয়েছে ডিটেকটিভ রাঠোর। সে কি পারবে এর জট ছাড়াতে? প্রখ্যাত গল্পকার ভাস্কর চট্টোপাধ্যায়ের ‘পাতাং’ এক টানটান উত্তেজনায় পরিপূর্ণ থ্রিলার যা পাঠককে এক টানে নিয়ে যাবে এক অজানা ভূবনে। সেই অজানা ভূবনে আপনাকে স্বাগতম।
Patang
মুম্বাই শহরে নৃশংসভাবে একের পর এক খুন হয়ে যাচ্ছে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। প্র্যত্যেককে খুন করে সুউচ্চ স্থানে ঘুড়ির মতো আকার দিয়ে ঝুলিয়ে রেখে যাচ্ছে খুনি। প্রত্যেকের লাশের সাথে কাগজে লেখা চিরকুটে মিলছে একটি ধাঁধাঁ, যেখানে রয়েছে পরবর্তী খুনের পূর্বাভাস। এটা কি তবে কোন সিরিয়াল কিলারের কাজ? কিন্তু একা এতো উঁচুতে খুনি কিভাবে তুলল ওর শিকারকে? এতো পরিশ্রম করে এভাবে মেরে ফেলে রেখে যাবার উদ্দেশ্যই বা কী? তদন্তে নেমেছে দুঁদে ডিটেকটিভ চন্দ্রকান্ত রাঠোর। সূত্র ধরে একের পর এক ধাঁধাঁ সমাধা করে খুনিকে খুঁজে বের করতে হবে তার। পরের খুন হয়ে যাবার আগেই ধরে ফেলতে হবে পাগল খুনিটাকে। কিন্তু এবারের খুনি সত্যিই তুখোড় মেধা সম্পন্ন। ঘাম ছুটে যাচ্ছে রাঠোরের। যার দীর্ঘদিনের ক্যারিয়ারে ব্যর্থতা বলতে কোন শব্দ নেই সেই রাঠোর কি তবে এবার হেরে যেতে চলেছে? চলছে খুনি ও ডিটেকটিভের মনস্তাত্ত্বিক ইঁদুর বিড়াল খেলা। গুরুতর সমস্যা উদ্ভুত হয়েছে আরো। প্রায় একই ধরণের আরেকটি খুন হয়েছে শহরে। এক কেস সমাধান করতে গিয়ে আরেকটি কেসের সাথে যোগসূত্র মিলে যাচ্ছে। কিন্তু এ কী করে সম্ভব? দারুণ এক টানাপোড়েনে আটকে রয়েছে ডিটেকটিভ রাঠোর। সে কি পারবে এর জট ছাড়াতে? প্রখ্যাত গল্পকার ভাস্কর চট্টোপাধ্যায়ের ‘পাতাং’ এক টানটান উত্তেজনায় পরিপূর্ণ থ্রিলার যা পাঠককে এক টানে নিয়ে যাবে এক অজানা ভূবনে। সেই অজানা ভূবনে আপনাকে স্বাগতম।
Dongri to Dubai
তৎকালীন দক্ষিণ বোম্বের (বর্তমান মুম্বাই) থেকে একটু বাইরের এলাকা তেমকার মহল্লায় ১৯৫৫ সালের ২৬শে ডিসেম্বর জন্ম হলো এক ছেলে শিশুর। বাবার নাম ইব্রাহীম কস্কর। শিশুটা তার বাবা-মা'র দ্বিতীয় সন্তান। শিশুটার জন্মের আগে পীর নিরালা শাহ মন্তব্য করেছিলেন, ইব্রাহীম কস্করের এই সন্তান একদিন অনেক ধনী ও প্রতাপশালী হবে। বাবা তার নাম রাখলেন দাউদ ইব্রাহীম কস্কর। সেদিন তিনি নিজেও ভাবতে পারেননি এই দাউদই একদিন চারদিক কাঁপানো আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন হিসেবে নিজেকে তুলে ধরবে। সৎ পুলিশ কনস্টেবল ইব্রাহীম কস্করের দ্বিতীয় পুত্র দাউদ ইব্রাহীম কিশোর বয়স থেকেই টুকটাক অপরাধের সাথে জড়িত হওয়া শুরু করে। আর এর সূত্র ধরেই ধীরে ধীরে সে জড়িয়ে যায় ইন্ডিয়ান আন্ডারওয়ার্ল্ডের সাথে। হাজি মাস্তানের মতো ডনকেও পাশ কাটিয়ে অন্ধকারের জগতে তৈরি করে নেয় নিজের শক্ত অবস্থান। দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে দাউদের প্রতাপ ছড়িয়ে পড়ে বিদেশেও। নানা বৈধ আর অবৈধ ব্যবসায় সরাসরি বিনিয়োগ করা শুরু করে সে। সহকারী হিসেবে জুটে যায় ছোটা রাজন, ছোটা শাকিলের মতো কুখ্যাত সন্ত্রাসীরা। আর সেই সাথে বিরোধী পক্ষের ডন আর গ্যাংস্টারদের সাথেও সমানুপাতিক হারে চলমান থাকে রক্তক্ষয়ী সংঘাত। আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন হিসেবে তার উত্থানের এক পর্যায়ে কুখ্যাত মুম্বাই হামলার জন্য অভিযুক্ত হতে হয় তাকে। ছাড়তে হয় দেশ। নিজের সাম্রাজ্য দুবাইয়ে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয় ডন দাউদ ইব্রাহীম। মহাপরাক্রমশালী ডন হওয়া সত্ত্বেও দাউদ ইব্রাহীমকে ছুটে বেড়াতে হয়েছে পৃথিবীর এক দেশ থেকে আরেক দেশে। বারবার মুখোমুখি হতে হয়েছে চোরাগুপ্তা হামলার। ডংরির আড়ম্বরহীন পরিবেশে বেড়ে ওঠা সাধারণ এক বালকের কুখ্যাত মাফিয়া ডন হয়ে ওঠার রোমাঞ্চকর গল্প এটা। যেখানে শুধু দাউদের কথা না, উঠে এসেছে মুম্বাই মাফিয়ার পুরো ছয় দশকের রক্তাক্ত ইতিহাস।
Dongri to Dubai
তৎকালীন দক্ষিণ বোম্বের (বর্তমান মুম্বাই) থেকে একটু বাইরের এলাকা তেমকার মহল্লায় ১৯৫৫ সালের ২৬শে ডিসেম্বর জন্ম হলো এক ছেলে শিশুর। বাবার নাম ইব্রাহীম কস্কর। শিশুটা তার বাবা-মা'র দ্বিতীয় সন্তান। শিশুটার জন্মের আগে পীর নিরালা শাহ মন্তব্য করেছিলেন, ইব্রাহীম কস্করের এই সন্তান একদিন অনেক ধনী ও প্রতাপশালী হবে। বাবা তার নাম রাখলেন দাউদ ইব্রাহীম কস্কর। সেদিন তিনি নিজেও ভাবতে পারেননি এই দাউদই একদিন চারদিক কাঁপানো আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন হিসেবে নিজেকে তুলে ধরবে। সৎ পুলিশ কনস্টেবল ইব্রাহীম কস্করের দ্বিতীয় পুত্র দাউদ ইব্রাহীম কিশোর বয়স থেকেই টুকটাক অপরাধের সাথে জড়িত হওয়া শুরু করে। আর এর সূত্র ধরেই ধীরে ধীরে সে জড়িয়ে যায় ইন্ডিয়ান আন্ডারওয়ার্ল্ডের সাথে। হাজি মাস্তানের মতো ডনকেও পাশ কাটিয়ে অন্ধকারের জগতে তৈরি করে নেয় নিজের শক্ত অবস্থান। দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে দাউদের প্রতাপ ছড়িয়ে পড়ে বিদেশেও। নানা বৈধ আর অবৈধ ব্যবসায় সরাসরি বিনিয়োগ করা শুরু করে সে। সহকারী হিসেবে জুটে যায় ছোটা রাজন, ছোটা শাকিলের মতো কুখ্যাত সন্ত্রাসীরা। আর সেই সাথে বিরোধী পক্ষের ডন আর গ্যাংস্টারদের সাথেও সমানুপাতিক হারে চলমান থাকে রক্তক্ষয়ী সংঘাত। আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন হিসেবে তার উত্থানের এক পর্যায়ে কুখ্যাত মুম্বাই হামলার জন্য অভিযুক্ত হতে হয় তাকে। ছাড়তে হয় দেশ। নিজের সাম্রাজ্য দুবাইয়ে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয় ডন দাউদ ইব্রাহীম। মহাপরাক্রমশালী ডন হওয়া সত্ত্বেও দাউদ ইব্রাহীমকে ছুটে বেড়াতে হয়েছে পৃথিবীর এক দেশ থেকে আরেক দেশে। বারবার মুখোমুখি হতে হয়েছে চোরাগুপ্তা হামলার। ডংরির আড়ম্বরহীন পরিবেশে বেড়ে ওঠা সাধারণ এক বালকের কুখ্যাত মাফিয়া ডন হয়ে ওঠার রোমাঞ্চকর গল্প এটা। যেখানে শুধু দাউদের কথা না, উঠে এসেছে মুম্বাই মাফিয়ার পুরো ছয় দশকের রক্তাক্ত ইতিহাস।
The Widows of Malabar Hill
বোম্বে, ১৯২১ সম্ভ্রান্ত জোরোস্ত্রিয়ান পরিবারের মেয়ে পারভীন মিস্ত্রি। অক্সফোর্ড ফেরত, বোম্বের একমাত্র নারী আইনজীবী। পারিবারিক ল ফার্মে সাহায্য করছে বাবাকে। তিন বিধবা স্ত্রী আর অগাধ সম্পত্তি রেখে মারা গেলেন মিঃ ওমর ফরিদ। প্রয়াত মক্কেলের সম্পত্তির মীমাংসার দায়িত্ব চাপল মিস্ত্রি ল এর উপর। কাগজ ঘাঁটাঘাঁটি করতে গিয়ে পারভীনের চোখে অদ্ভূত একটা ব্যাপার চোখে পড়ল- তিন বিধবাই তাদের সম্পত্তির অংশ দান করে দিতে চাইছে। সদ্য স্বামী হারা স্ত্রীদের এহেন আচরণে খটকা লাগে ওর। যেখানে পর্দার আড়ালে বাস করা নারীদের অবলম্বন বলতে কিছুই নেই, কেন তারা কপর্দকহীন হয়ে যেতে চাইছে? পিছন থেকে কলকাঠি নাড়ছে না তো কেউ? নিজে গিয়ে খোঁজ নেবে- সিদ্ধান্ত নিলো ও। আর তারপরেই ঘটতে শুরু করলো ঘটনা- খুন হয়ে গেলো ফরিদ হাউজের এক সদস্য, হারিয়ে গেলো এক শিশু। এদিকে পারভীনকে তাড়া করে ফিরছে ওর অতীত। বর্তমানে এসেও হানা দিচ্ছে সেই ফেলে আসা স্মৃতি। কোনদিক আগে সামলাবে ও?
The Widows of Malabar Hill
বোম্বে, ১৯২১ সম্ভ্রান্ত জোরোস্ত্রিয়ান পরিবারের মেয়ে পারভীন মিস্ত্রি। অক্সফোর্ড ফেরত, বোম্বের একমাত্র নারী আইনজীবী। পারিবারিক ল ফার্মে সাহায্য করছে বাবাকে। তিন বিধবা স্ত্রী আর অগাধ সম্পত্তি রেখে মারা গেলেন মিঃ ওমর ফরিদ। প্রয়াত মক্কেলের সম্পত্তির মীমাংসার দায়িত্ব চাপল মিস্ত্রি ল এর উপর। কাগজ ঘাঁটাঘাঁটি করতে গিয়ে পারভীনের চোখে অদ্ভূত একটা ব্যাপার চোখে পড়ল- তিন বিধবাই তাদের সম্পত্তির অংশ দান করে দিতে চাইছে। সদ্য স্বামী হারা স্ত্রীদের এহেন আচরণে খটকা লাগে ওর। যেখানে পর্দার আড়ালে বাস করা নারীদের অবলম্বন বলতে কিছুই নেই, কেন তারা কপর্দকহীন হয়ে যেতে চাইছে? পিছন থেকে কলকাঠি নাড়ছে না তো কেউ? নিজে গিয়ে খোঁজ নেবে- সিদ্ধান্ত নিলো ও। আর তারপরেই ঘটতে শুরু করলো ঘটনা- খুন হয়ে গেলো ফরিদ হাউজের এক সদস্য, হারিয়ে গেলো এক শিশু। এদিকে পারভীনকে তাড়া করে ফিরছে ওর অতীত। বর্তমানে এসেও হানা দিচ্ছে সেই ফেলে আসা স্মৃতি। কোনদিক আগে সামলাবে ও?
Sparkling Cyanide And Other Stories
লন্ডনের এক আলো ঝলমলে নাইটক্লাবে পালন করা হচ্ছে রোজমেরি বার্টনের জন্মদিন। কিন্তু শ্যাম্পেন পান করতে গিয়ে ঘটল বিপত্তি। গ্লাসে মেশানো ছিলো সায়ানাইড। জন্মদিনেই মৃত্যু হলো সুন্দরী এই যুবতীর। করোনারের দৃষ্টিতে ঘটনাটা নিছক আত্মহত্যা। কিন্তু বেনামী চিঠি বলছে অন্য কথা- খুন করা হয়েছে মেয়েটাকে। সন্দেহভাজনের তালিকায় নাম এলো তিনজনের- স্বামী, বোন আর এমন এক প্রেমিক, যে চাইতো রোজমেরির সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করতে। কে করেছে খুনটা?
Sparkling Cyanide And Other Stories
লন্ডনের এক আলো ঝলমলে নাইটক্লাবে পালন করা হচ্ছে রোজমেরি বার্টনের জন্মদিন। কিন্তু শ্যাম্পেন পান করতে গিয়ে ঘটল বিপত্তি। গ্লাসে মেশানো ছিলো সায়ানাইড। জন্মদিনেই মৃত্যু হলো সুন্দরী এই যুবতীর। করোনারের দৃষ্টিতে ঘটনাটা নিছক আত্মহত্যা। কিন্তু বেনামী চিঠি বলছে অন্য কথা- খুন করা হয়েছে মেয়েটাকে। সন্দেহভাজনের তালিকায় নাম এলো তিনজনের- স্বামী, বোন আর এমন এক প্রেমিক, যে চাইতো রোজমেরির সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করতে। কে করেছে খুনটা?

Reviews
There are no reviews yet.