Why Didn’t They Ask Evans And Other Stories
৳ 440 Original price was: ৳ 440.৳ 330Current price is: ৳ 330.
Author: Agatha Christie
Translator: Saanta Riki
পাহাড়ের চূড়া থেকে ভুলক্রমে পা ফস্কেই কি তাহলে মৃত্যু ঘটলো অপরিচিত ব্যক্তিটির? নাকি এর পেছনে অশুভ কোনো বিষয় লুকিয়ে রয়েছে? ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ববি জোন্স এবং ফ্রান্সিস ডারোয়েন্টের সন্দেহ আস্তে আস্তে বাড়তে থাকলো। বিশেষ করে তাদের মনোযোগ আকর্ষণ করল মৃত ব্যক্তিটির বলা শেষ কথাগুলো, “কেন তারা ইভান্সকে জিজ্ঞেস করেনি?” উদ্ভট এবং একই সাথে ধাঁধায় পরিপূর্ণ এই কথাগুলো অর্থ বুঝতে বদ্ধপরিকর ববি এবং ফ্রান্সিস রহস্য উন্মোচনের খেলায় নেমে পড়ল। কিন্তু দুর্ভাগক্রমে তারা বিপদের সম্মুখীন হতে থাকল এবং ইভান্সকে খোঁজার প্রক্রিয়া আস্তে আস্তে কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে পড়ল। রহস্যসম্রাজ্ঞীর ধাঁধায় পরিপূর্ণ লেখনীতে বুঁদ হয়ে যাওয়ার জন্য পাঠককে স্বাগতম।
271 in stock
Additional information
| Author | Agatha Christie |
|---|---|
| Translator | Saanta Riki |
| Cover Designer | Adnan Ahmed Rizon |
| Language | Bangla |
| ISBN | 9789849405238 |
| Page Number | 302 |
| Release Date | Boimela 2018 |
Related products
The Girl in the Ice
The Girl in the Ice
Dongri to Dubai
তৎকালীন দক্ষিণ বোম্বের (বর্তমান মুম্বাই) থেকে একটু বাইরের এলাকা তেমকার মহল্লায় ১৯৫৫ সালের ২৬শে ডিসেম্বর জন্ম হলো এক ছেলে শিশুর। বাবার নাম ইব্রাহীম কস্কর। শিশুটা তার বাবা-মা'র দ্বিতীয় সন্তান। শিশুটার জন্মের আগে পীর নিরালা শাহ মন্তব্য করেছিলেন, ইব্রাহীম কস্করের এই সন্তান একদিন অনেক ধনী ও প্রতাপশালী হবে। বাবা তার নাম রাখলেন দাউদ ইব্রাহীম কস্কর। সেদিন তিনি নিজেও ভাবতে পারেননি এই দাউদই একদিন চারদিক কাঁপানো আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন হিসেবে নিজেকে তুলে ধরবে। সৎ পুলিশ কনস্টেবল ইব্রাহীম কস্করের দ্বিতীয় পুত্র দাউদ ইব্রাহীম কিশোর বয়স থেকেই টুকটাক অপরাধের সাথে জড়িত হওয়া শুরু করে। আর এর সূত্র ধরেই ধীরে ধীরে সে জড়িয়ে যায় ইন্ডিয়ান আন্ডারওয়ার্ল্ডের সাথে। হাজি মাস্তানের মতো ডনকেও পাশ কাটিয়ে অন্ধকারের জগতে তৈরি করে নেয় নিজের শক্ত অবস্থান। দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে দাউদের প্রতাপ ছড়িয়ে পড়ে বিদেশেও। নানা বৈধ আর অবৈধ ব্যবসায় সরাসরি বিনিয়োগ করা শুরু করে সে। সহকারী হিসেবে জুটে যায় ছোটা রাজন, ছোটা শাকিলের মতো কুখ্যাত সন্ত্রাসীরা। আর সেই সাথে বিরোধী পক্ষের ডন আর গ্যাংস্টারদের সাথেও সমানুপাতিক হারে চলমান থাকে রক্তক্ষয়ী সংঘাত। আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন হিসেবে তার উত্থানের এক পর্যায়ে কুখ্যাত মুম্বাই হামলার জন্য অভিযুক্ত হতে হয় তাকে। ছাড়তে হয় দেশ। নিজের সাম্রাজ্য দুবাইয়ে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয় ডন দাউদ ইব্রাহীম। মহাপরাক্রমশালী ডন হওয়া সত্ত্বেও দাউদ ইব্রাহীমকে ছুটে বেড়াতে হয়েছে পৃথিবীর এক দেশ থেকে আরেক দেশে। বারবার মুখোমুখি হতে হয়েছে চোরাগুপ্তা হামলার। ডংরির আড়ম্বরহীন পরিবেশে বেড়ে ওঠা সাধারণ এক বালকের কুখ্যাত মাফিয়া ডন হয়ে ওঠার রোমাঞ্চকর গল্প এটা। যেখানে শুধু দাউদের কথা না, উঠে এসেছে মুম্বাই মাফিয়ার পুরো ছয় দশকের রক্তাক্ত ইতিহাস।
Dongri to Dubai
তৎকালীন দক্ষিণ বোম্বের (বর্তমান মুম্বাই) থেকে একটু বাইরের এলাকা তেমকার মহল্লায় ১৯৫৫ সালের ২৬শে ডিসেম্বর জন্ম হলো এক ছেলে শিশুর। বাবার নাম ইব্রাহীম কস্কর। শিশুটা তার বাবা-মা'র দ্বিতীয় সন্তান। শিশুটার জন্মের আগে পীর নিরালা শাহ মন্তব্য করেছিলেন, ইব্রাহীম কস্করের এই সন্তান একদিন অনেক ধনী ও প্রতাপশালী হবে। বাবা তার নাম রাখলেন দাউদ ইব্রাহীম কস্কর। সেদিন তিনি নিজেও ভাবতে পারেননি এই দাউদই একদিন চারদিক কাঁপানো আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন হিসেবে নিজেকে তুলে ধরবে। সৎ পুলিশ কনস্টেবল ইব্রাহীম কস্করের দ্বিতীয় পুত্র দাউদ ইব্রাহীম কিশোর বয়স থেকেই টুকটাক অপরাধের সাথে জড়িত হওয়া শুরু করে। আর এর সূত্র ধরেই ধীরে ধীরে সে জড়িয়ে যায় ইন্ডিয়ান আন্ডারওয়ার্ল্ডের সাথে। হাজি মাস্তানের মতো ডনকেও পাশ কাটিয়ে অন্ধকারের জগতে তৈরি করে নেয় নিজের শক্ত অবস্থান। দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে দাউদের প্রতাপ ছড়িয়ে পড়ে বিদেশেও। নানা বৈধ আর অবৈধ ব্যবসায় সরাসরি বিনিয়োগ করা শুরু করে সে। সহকারী হিসেবে জুটে যায় ছোটা রাজন, ছোটা শাকিলের মতো কুখ্যাত সন্ত্রাসীরা। আর সেই সাথে বিরোধী পক্ষের ডন আর গ্যাংস্টারদের সাথেও সমানুপাতিক হারে চলমান থাকে রক্তক্ষয়ী সংঘাত। আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন হিসেবে তার উত্থানের এক পর্যায়ে কুখ্যাত মুম্বাই হামলার জন্য অভিযুক্ত হতে হয় তাকে। ছাড়তে হয় দেশ। নিজের সাম্রাজ্য দুবাইয়ে সরিয়ে নিতে বাধ্য হয় ডন দাউদ ইব্রাহীম। মহাপরাক্রমশালী ডন হওয়া সত্ত্বেও দাউদ ইব্রাহীমকে ছুটে বেড়াতে হয়েছে পৃথিবীর এক দেশ থেকে আরেক দেশে। বারবার মুখোমুখি হতে হয়েছে চোরাগুপ্তা হামলার। ডংরির আড়ম্বরহীন পরিবেশে বেড়ে ওঠা সাধারণ এক বালকের কুখ্যাত মাফিয়া ডন হয়ে ওঠার রোমাঞ্চকর গল্প এটা। যেখানে শুধু দাউদের কথা না, উঠে এসেছে মুম্বাই মাফিয়ার পুরো ছয় দশকের রক্তাক্ত ইতিহাস।
They Do It With Mirrors And Other Stories
কিশোর অপরাধী সংশোধন কেন্দ্রটি কেঁপে উঠল গুলির শব্দে। কিন্তু এ কী! গুলি ছোড়া হলো কাকে উদ্দেশ্য করে...আর মারা গেল কে! বান্ধবীর বাড়িতে উদ্দেশ্য নিয়েই পা রেখেছেন মিস মার্পল। দালানটা সংশোধন কেন্দ্রও বটে, কিশোর অপরাধীতে ভর্তি। আর আসার উদ্দেশ্য সঠিক প্রমাণের জন্যই যেন ঘরের কর্তা লুইস সেরাকোল্ডকে গুলি করল কিশোরদের একজন। কিন্তু কী আশ্চর্য, ঠিক সেই সময়েই খুন হলেন এক অতিথি, মি গালব্রাণ্ডসেন। কাকতাল? মিস মার্পলের তা মনে হয় না। পণ করলেন তিনি- এই রহস্যের শেষ দেখে ছাড়বেন
They Do It With Mirrors And Other Stories
কিশোর অপরাধী সংশোধন কেন্দ্রটি কেঁপে উঠল গুলির শব্দে। কিন্তু এ কী! গুলি ছোড়া হলো কাকে উদ্দেশ্য করে...আর মারা গেল কে! বান্ধবীর বাড়িতে উদ্দেশ্য নিয়েই পা রেখেছেন মিস মার্পল। দালানটা সংশোধন কেন্দ্রও বটে, কিশোর অপরাধীতে ভর্তি। আর আসার উদ্দেশ্য সঠিক প্রমাণের জন্যই যেন ঘরের কর্তা লুইস সেরাকোল্ডকে গুলি করল কিশোরদের একজন। কিন্তু কী আশ্চর্য, ঠিক সেই সময়েই খুন হলেন এক অতিথি, মি গালব্রাণ্ডসেন। কাকতাল? মিস মার্পলের তা মনে হয় না। পণ করলেন তিনি- এই রহস্যের শেষ দেখে ছাড়বেন
And Then There Were None
The Mysterious Affairs at Styles
ডেভন কোস্ট থেকে অনতিদূরের এক দ্বীপে জড়ো হয়েছেন তাঁরা দশজন। আমন্ত্রণ জানিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাঁদেরকে সেখানে। যিনি আমন্ত্রণ জানিয়েছেন, তাঁকে ঠিকমতো চেনেন না কেউই। অতিথিদের প্রত্যেকেরই আছে গোপন আর খারাপ একটা অতীত। তাঁরা প্রত্যেকেই কোনও-না-কোনও কুকর্মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এবং তাঁরা একে একে পরিণত হতে লাগলেন কোনও এক খুনির শিকারে। পালানোর কোনও উপায় নেই। ক্লু একটাই: যিনি মারা যাচ্ছেন, তিনি খুনি না। তা হলে ওই দ্বীপে হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে কে? ...নৃশংস প্লট আর অনিশ্চয়তায় পূর্ণ ঘটনাপ্রবাহে হারিয়ে গিয়ে নিজেকে প্রশ্নটা জিজ্ঞেস করতে বাধ্য হবেন আপনি বার বার। এবং কাহিনির শেষভাগে এসে হতভম্ব না-হয়ে পারবেন না।
And Then There Were None
The Mysterious Affairs at Styles
ডেভন কোস্ট থেকে অনতিদূরের এক দ্বীপে জড়ো হয়েছেন তাঁরা দশজন। আমন্ত্রণ জানিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাঁদেরকে সেখানে। যিনি আমন্ত্রণ জানিয়েছেন, তাঁকে ঠিকমতো চেনেন না কেউই। অতিথিদের প্রত্যেকেরই আছে গোপন আর খারাপ একটা অতীত। তাঁরা প্রত্যেকেই কোনও-না-কোনও কুকর্মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এবং তাঁরা একে একে পরিণত হতে লাগলেন কোনও এক খুনির শিকারে। পালানোর কোনও উপায় নেই। ক্লু একটাই: যিনি মারা যাচ্ছেন, তিনি খুনি না। তা হলে ওই দ্বীপে হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে কে? ...নৃশংস প্লট আর অনিশ্চয়তায় পূর্ণ ঘটনাপ্রবাহে হারিয়ে গিয়ে নিজেকে প্রশ্নটা জিজ্ঞেস করতে বাধ্য হবেন আপনি বার বার। এবং কাহিনির শেষভাগে এসে হতভম্ব না-হয়ে পারবেন না।

Reviews
There are no reviews yet.