Ramses: Son of Light
৳ 340 Original price was: ৳ 340.৳ 255Current price is: ৳ 255.
Author: Christian Jacq
Translator: Md. Fuad Al Fidah
ঊনিশতম রাজবংশের দ্বিতীয় ফারাও সেটির কনিষ্ঠ পূত্র রামেসিস। প্রথম পুত্র শানারের পরবর্তী ফারাও হবার ব্যাপারটা প্রায় নিশ্চিত। কিন্তু তবু কেন যেন ফারাও সেটি তার কনিষ্ঠ সন্তানকে নানাভাবে পরীক্ষা করেন। তাহলে কী রামেসিসের ভবিষ্যৎ নিয়ে ফারাও এর অন্য কোনও চিন্তা আছে?
এভাবেই শুরু হয় দ্বিতীয় রামেসিস বা ইতিহাসের ‘রামেসিস দ্য গ্রেট’ এর সিংহাসনের অন্যতম দাবীদার এবং এক পর্যায়ে ফারাও হবার গল্প।
কী নেই এই গল্পে? তারুণ্যের উচ্ছ্বাস আছে, প্রেম আছে, বন্ধুত্ব আছে। আছে দম আটকানো অভিযান আর আছে পিতার কাছ থেকে সরাসরি রামেসিসের শিক্ষা পাওয়ার গল্প।
চুপি চুপি বলি, মোজেস, মেনেলাউস, হেলেন আর হোমারও আছে!
প্রাচীন মিশর বিষয়ে অভিজ্ঞ ক্রিশ্চিয়ান জাঁকের অনবদ্য এই রচনা পাঠককে নিয়ে যাবে সেই অতীতের মিশরে। নতুন এক দুনিয়া উন্মোচিত করে দেবে!
258 in stock
Additional information
| Author | Christian Jacq |
|---|---|
| Translator | Md. Fuad Al Fidah |
| Cover Designer | Adnan Ahmed Rizon |
| Language | Bangla |
| Page Number | 295 |
| ISBN | 9789849191872 |
| Release Date | August 2016 |
Related products
Seraglio Sultan Suleiman 2nd Part
আমার ছেলেদেরকে কবে আর কখন খুন করলে ভালো হয়? ভাবলেন সুলতান সুলেইমান। পারব কি কাজটা করতে? আমার পিতা পেরেছিলেন। তার পর এই দায়িত্বটা তো আমার উপরেই বর্তায়। আমি কেন মুস্তাফার জন্য পিতা হিসেবে একই কাজটা করব না? হ্যাঁ, শাহজাদা তো মুস্তাফাই। কিন্তু একবার সিংহাসনে বসার পর, রাতে শান্তির ঘুম ঘুমাতে চাইলে অন্য দাবীদারকে ওর হত্যা করতেই হবে। সেলিমকে হারাতে খুব একটা কষ্ট হবে না। কিন্তু ছোট্ট জাহাঙ্গীরের কী হবে? বাচ্চাটা তো মাছির কষ্টও সহ্য করতে পারে না! পঙ্গু ছেলেটা কার কী ক্ষতি করবে! ওকেও কী জল্লাদের হাতে তুলে দেব? আর হুররেম, আমার মিষ্টি হুররেম; ওর কী হবে? মুস্তাফা সিংহাসনে বসার সাথে সাথে ওর মা হুররেমকে বসফরাসের পানিতে চুবিয়ে পারবে। আগেও একবার গুলবাহার ক্ষতি করতে চেয়েছিল রানির। এখন নাকি মোটা হয়েছে মুস্তাফার মা। মানিশায় বসে বসে হুররেমের নামে কুৎসা গেয়ে আর ওকে ডাইনী বলে গালি দিয়েই দিন কাটে এখন তার। ওর কাছ থেকে আর যা-ই হোক, ক্ষমা আশা করা যায় না। কী করব তাহলে আমি? আমার অন্য সন্তানদের খুন করব? নাকি সমস্যাটা মৃত্যুর সময় আমার বড় ছেলের ঘাড়ে চাপিয়ে দেব? আর যদি খুন করি, তাহলে কবে বা কখন করব? আর ওদের মা, একমাত্র যে মেয়েটাকে আমি এ জীবনে ভালবেসেছি, তার-ই বা কী হবে?
Seraglio Sultan Suleiman 2nd Part
আমার ছেলেদেরকে কবে আর কখন খুন করলে ভালো হয়? ভাবলেন সুলতান সুলেইমান। পারব কি কাজটা করতে? আমার পিতা পেরেছিলেন। তার পর এই দায়িত্বটা তো আমার উপরেই বর্তায়। আমি কেন মুস্তাফার জন্য পিতা হিসেবে একই কাজটা করব না? হ্যাঁ, শাহজাদা তো মুস্তাফাই। কিন্তু একবার সিংহাসনে বসার পর, রাতে শান্তির ঘুম ঘুমাতে চাইলে অন্য দাবীদারকে ওর হত্যা করতেই হবে। সেলিমকে হারাতে খুব একটা কষ্ট হবে না। কিন্তু ছোট্ট জাহাঙ্গীরের কী হবে? বাচ্চাটা তো মাছির কষ্টও সহ্য করতে পারে না! পঙ্গু ছেলেটা কার কী ক্ষতি করবে! ওকেও কী জল্লাদের হাতে তুলে দেব? আর হুররেম, আমার মিষ্টি হুররেম; ওর কী হবে? মুস্তাফা সিংহাসনে বসার সাথে সাথে ওর মা হুররেমকে বসফরাসের পানিতে চুবিয়ে পারবে। আগেও একবার গুলবাহার ক্ষতি করতে চেয়েছিল রানির। এখন নাকি মোটা হয়েছে মুস্তাফার মা। মানিশায় বসে বসে হুররেমের নামে কুৎসা গেয়ে আর ওকে ডাইনী বলে গালি দিয়েই দিন কাটে এখন তার। ওর কাছ থেকে আর যা-ই হোক, ক্ষমা আশা করা যায় না। কী করব তাহলে আমি? আমার অন্য সন্তানদের খুন করব? নাকি সমস্যাটা মৃত্যুর সময় আমার বড় ছেলের ঘাড়ে চাপিয়ে দেব? আর যদি খুন করি, তাহলে কবে বা কখন করব? আর ওদের মা, একমাত্র যে মেয়েটাকে আমি এ জীবনে ভালবেসেছি, তার-ই বা কী হবে?
The Sultan’s Harem
The Sultan’s Harem
Elirin
Elirin
The Bastard of Istanbul
১৯১৫ সালে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনার দগদগে ক্ষত বুকে বয়ে চলেছে কিছু আর্মেনীয় পরিবার। তুর্কী সেনাবাহিনী কি আসলেই গণহত্যা চালিয়েছিল? নাকি কথাগুলো সবই ক্যাফে কন্সটানটিনোপলে চ্যাট করতে আসা মানুষগুলোর মনের ভুল? কীসের নেশায় ক্যাফে কুন্দেরায় চেয়ার পেতে বসে শ্রমবিমুখ মানুষগুলো? নিজের জন্মদাত্রীকে কেন ‘খালা’ ডাকে আসিয়া? উত্তরটা জানা আছে বানু খালার। তবে কিছু কিছু সত্য উন্মোচন না করাই হয়ত ভালো। দুষ্টু ছেলের হাসিতে শরীরটা শীতল হয়ে যায় তার গভীর রাতে। নিজের পরিবারের সত্য উন্মোচন করতে ইস্তানবুলে এসেছে আরমানুশ চাখমাখচিয়ান, নাকি মায়ের আদরের এমি? কতটুকু উদ্ধার করতে পারবে হারানো অতীত? দাদীমা সুসানের কষ্ট লাঘব করতে পারবে সে? উদ্ধত দুর্বিনীত জেলিহা কাযাঞ্চি বুকের মাঝে বয়ে চলেছে কীসের ব্যথা? ছেলের জন্য রাঁধা আশুরে কি সত্যিই সৌভাগ্য বয়ে নিয়ে এলো কুলসুমের জন্য? প্রশ্নগুলোর উত্তর জানাটা জরুরী। তারচেয়েও জরুরী একটা কথা, জীবনের গোটা ব্যাপারটাই একটা কাকতাল মাত্র!
The Bastard of Istanbul
১৯১৫ সালে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনার দগদগে ক্ষত বুকে বয়ে চলেছে কিছু আর্মেনীয় পরিবার। তুর্কী সেনাবাহিনী কি আসলেই গণহত্যা চালিয়েছিল? নাকি কথাগুলো সবই ক্যাফে কন্সটানটিনোপলে চ্যাট করতে আসা মানুষগুলোর মনের ভুল? কীসের নেশায় ক্যাফে কুন্দেরায় চেয়ার পেতে বসে শ্রমবিমুখ মানুষগুলো? নিজের জন্মদাত্রীকে কেন ‘খালা’ ডাকে আসিয়া? উত্তরটা জানা আছে বানু খালার। তবে কিছু কিছু সত্য উন্মোচন না করাই হয়ত ভালো। দুষ্টু ছেলের হাসিতে শরীরটা শীতল হয়ে যায় তার গভীর রাতে। নিজের পরিবারের সত্য উন্মোচন করতে ইস্তানবুলে এসেছে আরমানুশ চাখমাখচিয়ান, নাকি মায়ের আদরের এমি? কতটুকু উদ্ধার করতে পারবে হারানো অতীত? দাদীমা সুসানের কষ্ট লাঘব করতে পারবে সে? উদ্ধত দুর্বিনীত জেলিহা কাযাঞ্চি বুকের মাঝে বয়ে চলেছে কীসের ব্যথা? ছেলের জন্য রাঁধা আশুরে কি সত্যিই সৌভাগ্য বয়ে নিয়ে এলো কুলসুমের জন্য? প্রশ্নগুলোর উত্তর জানাটা জরুরী। তারচেয়েও জরুরী একটা কথা, জীবনের গোটা ব্যাপারটাই একটা কাকতাল মাত্র!

Reviews
There are no reviews yet.