kothasahitter kothamala
বাংলা গদ্যের বিকাশের সমান্তরালে কথাসাহিত্য জায়গা করে নেয় সাহিত্যের রূপকল্পে। সেই থেকে অদ্যাবধি ব্যাপক দর্প ও দাপটে কথাসাহিত্যই জীবন রূপায়ণে অগ্রগণ্য ভূমিকা রেখে চলেছে। বঙ্কিম-রবীন্দ্র-শরৎ যুগ অতিক্রান্তের পর ত্রিশোত্তর কথাসাহিত্য জীওবনকে বহুরৈখিক প্রেক্ষণবিন্দ্র থেকে পর্যবেক্ষণ করে। বিভাগোত্তর উপন্যাসে সে রূপায়ণ আরও ব্যাপকভাবে পরিলক্ষিত হয়। এ গ্রন্থে বিভাগোত্তর কাল পরিসরের প্রতিনিধিত্বশীল উপন্যাস বিশ্লেষণ ও গল্পশিল্পের ক্রম রূপান্তরের বিষয়টি আলোচিত হয়েছে। পাঠ্যচাহিদা প্রশমন তো হবেই, উপরন্ত সাহিত্য সুধাকরগণ পাবেন সাহিত্যের শাশ্বত রস-আস্বাদন-অনুভব।
kothasahitter kothamala
বাংলা গদ্যের বিকাশের সমান্তরালে কথাসাহিত্য জায়গা করে নেয় সাহিত্যের রূপকল্পে। সেই থেকে অদ্যাবধি ব্যাপক দর্প ও দাপটে কথাসাহিত্যই জীবন রূপায়ণে অগ্রগণ্য ভূমিকা রেখে চলেছে। বঙ্কিম-রবীন্দ্র-শরৎ যুগ অতিক্রান্তের পর ত্রিশোত্তর কথাসাহিত্য জীওবনকে বহুরৈখিক প্রেক্ষণবিন্দ্র থেকে পর্যবেক্ষণ করে। বিভাগোত্তর উপন্যাসে সে রূপায়ণ আরও ব্যাপকভাবে পরিলক্ষিত হয়। এ গ্রন্থে বিভাগোত্তর কাল পরিসরের প্রতিনিধিত্বশীল উপন্যাস বিশ্লেষণ ও গল্পশিল্পের ক্রম রূপান্তরের বিষয়টি আলোচিত হয়েছে। পাঠ্যচাহিদা প্রশমন তো হবেই, উপরন্ত সাহিত্য সুধাকরগণ পাবেন সাহিত্যের শাশ্বত রস-আস্বাদন-অনুভব।
A Falcon Flies Part 02
রবিন ব্যালেন্টাইন - শক্ত ধাঁচের এক মেয়ে, ডাক্তার। বাবার মতোই আফ্রিকাতে দাসব্যবসা বন্ধ করতে চায়। মরিস জুগা ব্যালেন্টাইন - ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর মেজর, বেপরোয়া। ক্লিনটন কড্রিংটন - ব্রিটিশ নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন, দাসব্যবসাকে ঘৃণা করে। মাঙ্গো সেইন্ট জন - আমেরিকান দাসব্যবসায়ী। দুর্দমনীয় পৌরুষের প্রতীক। স্ত্রীকে সাথে নিয়ে আফ্রিকায় নিরুদ্দেশ হয়ে গিয়েছিলেন বিখ্যাত মিশনারি ফুলার ব্যালেন্টাইন। তারপর থেকে তার আর কোন খবর পায়নি কেউ। আট বছর পরে আফ্রিকা রওনা দিল তার দুই সন্তান জুগা আর রবিন, পরিচয় হলো মাঙ্গো সেইন্ট জন আর ক্লিনটন কড্রিংটনের সাথে। বিচিত্র সব বিপদ মোকাবেলা করে দুই ভাইবোন উপস্থিত হলো আফ্রিকার গহীনে। তারপর? ওরা কি খুঁজে পেয়েছিল ওদের বাবাকে? দাসব্যবসার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে পেরেছিল রবিন? অতি আকাঙ্ক্ষিত মনোমাতাপা’র রাজ্যের ঠিকানা শেষ পর্যন্ত খুঁজে পেয়েছিল জুগা? ক্লিনটন আর মাঙ্গোর’ই বা কী হলো? সব প্রশ্নের উত্তর পাঠক খুঁজে পাবেন ‘আ ফ্যালকন ফ্লাইজ’ এ।
A Falcon Flies Part 02
রবিন ব্যালেন্টাইন - শক্ত ধাঁচের এক মেয়ে, ডাক্তার। বাবার মতোই আফ্রিকাতে দাসব্যবসা বন্ধ করতে চায়। মরিস জুগা ব্যালেন্টাইন - ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর মেজর, বেপরোয়া। ক্লিনটন কড্রিংটন - ব্রিটিশ নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন, দাসব্যবসাকে ঘৃণা করে। মাঙ্গো সেইন্ট জন - আমেরিকান দাসব্যবসায়ী। দুর্দমনীয় পৌরুষের প্রতীক। স্ত্রীকে সাথে নিয়ে আফ্রিকায় নিরুদ্দেশ হয়ে গিয়েছিলেন বিখ্যাত মিশনারি ফুলার ব্যালেন্টাইন। তারপর থেকে তার আর কোন খবর পায়নি কেউ। আট বছর পরে আফ্রিকা রওনা দিল তার দুই সন্তান জুগা আর রবিন, পরিচয় হলো মাঙ্গো সেইন্ট জন আর ক্লিনটন কড্রিংটনের সাথে। বিচিত্র সব বিপদ মোকাবেলা করে দুই ভাইবোন উপস্থিত হলো আফ্রিকার গহীনে। তারপর? ওরা কি খুঁজে পেয়েছিল ওদের বাবাকে? দাসব্যবসার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে পেরেছিল রবিন? অতি আকাঙ্ক্ষিত মনোমাতাপা’র রাজ্যের ঠিকানা শেষ পর্যন্ত খুঁজে পেয়েছিল জুগা? ক্লিনটন আর মাঙ্গোর’ই বা কী হলো? সব প্রশ্নের উত্তর পাঠক খুঁজে পাবেন ‘আ ফ্যালকন ফ্লাইজ’ এ।
The Architect’s Apprentice
The Architect’s Apprentice
Jadur Jol
জাদুর জল বইটি আসলে ছোট-বড় স-বার জন্যে। ছোটদের “ছোট” ভেবে গোঁজামিল দেয়া রদ্দি মার্কা কাহিনি ছেপে বের করা একটা বড় ধরনের অবিচার। সত্যি কথা বলতে কী, আজকাল বড়রা বই পড়েনা বললেই চলে। যাকিছু পড়ার ছোটরাই পড়ে। ভালো ভালো কহিনি শুধু তাদেরই প্রাপ্য হওয়া উচিত। উত্তম গল্পে জটিলতা তো একটু থাকবেই। তাই বলে ছোটরা সেইটে পড়তে পাবেনা, আর পড়ে বুঝতে পারবে না─এ কে অবান্তর ধারণা!
Jadur Jol
জাদুর জল বইটি আসলে ছোট-বড় স-বার জন্যে। ছোটদের “ছোট” ভেবে গোঁজামিল দেয়া রদ্দি মার্কা কাহিনি ছেপে বের করা একটা বড় ধরনের অবিচার। সত্যি কথা বলতে কী, আজকাল বড়রা বই পড়েনা বললেই চলে। যাকিছু পড়ার ছোটরাই পড়ে। ভালো ভালো কহিনি শুধু তাদেরই প্রাপ্য হওয়া উচিত। উত্তম গল্পে জটিলতা তো একটু থাকবেই। তাই বলে ছোটরা সেইটে পড়তে পাবেনা, আর পড়ে বুঝতে পারবে না─এ কে অবান্তর ধারণা!
The Girl in the Ice
The Girl in the Ice
You Are a Bad Ass
You Are a Bad Ass
Maharana Pratap
১৫৭৬ সাল। ভারতবর্ষের ইতিহাসের অন্যতম কুখ্যাত হলদিঘাটির যুদ্ধের ময়দান। চারদিকে রণদামামা বাজছে। সম্রাট আকবরের পাঠানো মোঘল বাহিনীর হাতে কচুকাটা হচ্ছে মেবারের সৈন্য। এমন সময় গা ঝাড়া দিয়ে উঠে দাঁড়ালেন ছত্রিশ বছর বয়সী দীর্ঘদেহী এক যোদ্ধা। উচ্চতা প্রায় সাড়ে সাত ফুট, পরনে সত্তর কেজিরও বেশি ওজনের বর্ম! লাফিয়ে চড়লেন তিনি প্রিয় ঘোড়া চেতকের পিঠে, লক্ষ্য- প্রতিপক্ষের সেনাপতি মানসিংহ। জন্মভূমি বাঁচাতে চাইলে হানতে হবে মরণ আঘাত... সুপ্রিয় পাঠক, বলা হচ্ছে ইতিহাসের পাতায় দেশপ্রেমের অভূতপূর্ব দৃষ্টান্ত স্থাপন করা মেবারের মহারাণা প্রতাপের কথা। আজীবন যিনি মেনে এসেছেন- স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন
Maharana Pratap
১৫৭৬ সাল। ভারতবর্ষের ইতিহাসের অন্যতম কুখ্যাত হলদিঘাটির যুদ্ধের ময়দান। চারদিকে রণদামামা বাজছে। সম্রাট আকবরের পাঠানো মোঘল বাহিনীর হাতে কচুকাটা হচ্ছে মেবারের সৈন্য। এমন সময় গা ঝাড়া দিয়ে উঠে দাঁড়ালেন ছত্রিশ বছর বয়সী দীর্ঘদেহী এক যোদ্ধা। উচ্চতা প্রায় সাড়ে সাত ফুট, পরনে সত্তর কেজিরও বেশি ওজনের বর্ম! লাফিয়ে চড়লেন তিনি প্রিয় ঘোড়া চেতকের পিঠে, লক্ষ্য- প্রতিপক্ষের সেনাপতি মানসিংহ। জন্মভূমি বাঁচাতে চাইলে হানতে হবে মরণ আঘাত... সুপ্রিয় পাঠক, বলা হচ্ছে ইতিহাসের পাতায় দেশপ্রেমের অভূতপূর্ব দৃষ্টান্ত স্থাপন করা মেবারের মহারাণা প্রতাপের কথা। আজীবন যিনি মেনে এসেছেন- স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন
Sparkling Cyanide And Other Stories
লন্ডনের এক আলো ঝলমলে নাইটক্লাবে পালন করা হচ্ছে রোজমেরি বার্টনের জন্মদিন। কিন্তু শ্যাম্পেন পান করতে গিয়ে ঘটল বিপত্তি। গ্লাসে মেশানো ছিলো সায়ানাইড। জন্মদিনেই মৃত্যু হলো সুন্দরী এই যুবতীর। করোনারের দৃষ্টিতে ঘটনাটা নিছক আত্মহত্যা। কিন্তু বেনামী চিঠি বলছে অন্য কথা- খুন করা হয়েছে মেয়েটাকে। সন্দেহভাজনের তালিকায় নাম এলো তিনজনের- স্বামী, বোন আর এমন এক প্রেমিক, যে চাইতো রোজমেরির সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করতে। কে করেছে খুনটা?
Sparkling Cyanide And Other Stories
লন্ডনের এক আলো ঝলমলে নাইটক্লাবে পালন করা হচ্ছে রোজমেরি বার্টনের জন্মদিন। কিন্তু শ্যাম্পেন পান করতে গিয়ে ঘটল বিপত্তি। গ্লাসে মেশানো ছিলো সায়ানাইড। জন্মদিনেই মৃত্যু হলো সুন্দরী এই যুবতীর। করোনারের দৃষ্টিতে ঘটনাটা নিছক আত্মহত্যা। কিন্তু বেনামী চিঠি বলছে অন্য কথা- খুন করা হয়েছে মেয়েটাকে। সন্দেহভাজনের তালিকায় নাম এলো তিনজনের- স্বামী, বোন আর এমন এক প্রেমিক, যে চাইতো রোজমেরির সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করতে। কে করেছে খুনটা?
Ekanto Bichare Bichitrojon
মূলত সাহিত্য অঙ্গনের, সেই সঙ্গে রাজনীতিরও কিছু সংখ্যক বিশিষ্টজনের চিত্ররেখা 'একান্ত বিচার বিচিত্রজন' বইটির উপজীব্য বিষয়। লেখকের চেনা ও বোঝার আলোয়, তার ভালো লাগার যুক্তিগ্রাহ্য বিন্দুগুলো ছুঁয়ে ছুঁয়ে আলোচ্য মানুষগুলোর চিত্রন। এদের কারো কারো সঙ্গে ব্যক্তিক সম্পর্ক এবং অনেকের সঙ্গে সাহিত্য সৃষ্টির নান্দনিক সম্পর্কের ভিত্তিতে রেখাচিত্র আঁকা। এ চিত্ররূপ প্রথাসিদ্ধ সাহিত্য সমালোচনা নয়, লেখকের ভালো লাগার সুতোয় গাঁথা। বলা যায় এগুলো লেখকের প্রিয় ব্যক্তিত্ব হিসাবে উপস্থিত, তবে নির্মোহ আন্তরিকতায়। তাই চরিত্রগুলো ব্যক্তিগত রচনা হিসাবে বিবেচ্য। স্বদেশ-বিদেশের খ্যাতিমান এই সব ব্যক্তির পার্শ্বচিত্র পাঠকের ভালো লাগবে বলে আমাদের বিশ্বাস। লাগবে একান্ত ভাবে ব্যক্তি চৈতন্যের রেখা রঙে আঁকা বলে।
Ekanto Bichare Bichitrojon
মূলত সাহিত্য অঙ্গনের, সেই সঙ্গে রাজনীতিরও কিছু সংখ্যক বিশিষ্টজনের চিত্ররেখা 'একান্ত বিচার বিচিত্রজন' বইটির উপজীব্য বিষয়। লেখকের চেনা ও বোঝার আলোয়, তার ভালো লাগার যুক্তিগ্রাহ্য বিন্দুগুলো ছুঁয়ে ছুঁয়ে আলোচ্য মানুষগুলোর চিত্রন। এদের কারো কারো সঙ্গে ব্যক্তিক সম্পর্ক এবং অনেকের সঙ্গে সাহিত্য সৃষ্টির নান্দনিক সম্পর্কের ভিত্তিতে রেখাচিত্র আঁকা। এ চিত্ররূপ প্রথাসিদ্ধ সাহিত্য সমালোচনা নয়, লেখকের ভালো লাগার সুতোয় গাঁথা। বলা যায় এগুলো লেখকের প্রিয় ব্যক্তিত্ব হিসাবে উপস্থিত, তবে নির্মোহ আন্তরিকতায়। তাই চরিত্রগুলো ব্যক্তিগত রচনা হিসাবে বিবেচ্য। স্বদেশ-বিদেশের খ্যাতিমান এই সব ব্যক্তির পার্শ্বচিত্র পাঠকের ভালো লাগবে বলে আমাদের বিশ্বাস। লাগবে একান্ত ভাবে ব্যক্তি চৈতন্যের রেখা রঙে আঁকা বলে।
A Falcon Flies Part 01
রবিন ব্যালেন্টাইন - শক্ত ধাঁচের এক মেয়ে, ডাক্তার। বাবার মতোই আফ্রিকাতে দাসব্যবসা বন্ধ করতে চায়। মরিস জুগা ব্যালেন্টাইন - ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর মেজর, বেপরোয়া। ক্লিনটন কড্রিংটন - ব্রিটিশ নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন, দাসব্যবসাকে ঘৃণা করে। মাঙ্গো সেইন্ট জন - আমেরিকান দাসব্যবসায়ী। দুর্দমনীয় পৌরুষের প্রতীক। স্ত্রীকে সাথে নিয়ে আফ্রিকায় নিরুদ্দেশ হয়ে গিয়েছিলেন বিখ্যাত মিশনারি ফুলার ব্যালেন্টাইন। তারপর থেকে তার আর কোন খবর পায়নি কেউ। আট বছর পরে আফ্রিকা রওনা দিল তার দুই সন্তান জুগা আর রবিন, পরিচয় হলো মাঙ্গো সেইন্ট জন আর ক্লিনটন কড্রিংটনের সাথে। বিচিত্র সব বিপদ মোকাবেলা করে দুই ভাইবোন উপস্থিত হলো আফ্রিকার গহীনে। তারপর? ওরা কি খুঁজে পেয়েছিল ওদের বাবাকে? দাসব্যবসার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে পেরেছিল রবিন? অতি আকাঙ্ক্ষিত মনোমাতাপা’র রাজ্যের ঠিকানা শেষ পর্যন্ত খুঁজে পেয়েছিল জুগা? ক্লিনটন আর মাঙ্গোর’ই বা কী হলো? সব প্রশ্নের উত্তর পাঠক খুঁজে পাবেন ‘আ ফ্যালকন ফ্লাইজ’ এ।
A Falcon Flies Part 01
রবিন ব্যালেন্টাইন - শক্ত ধাঁচের এক মেয়ে, ডাক্তার। বাবার মতোই আফ্রিকাতে দাসব্যবসা বন্ধ করতে চায়। মরিস জুগা ব্যালেন্টাইন - ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর মেজর, বেপরোয়া। ক্লিনটন কড্রিংটন - ব্রিটিশ নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন, দাসব্যবসাকে ঘৃণা করে। মাঙ্গো সেইন্ট জন - আমেরিকান দাসব্যবসায়ী। দুর্দমনীয় পৌরুষের প্রতীক। স্ত্রীকে সাথে নিয়ে আফ্রিকায় নিরুদ্দেশ হয়ে গিয়েছিলেন বিখ্যাত মিশনারি ফুলার ব্যালেন্টাইন। তারপর থেকে তার আর কোন খবর পায়নি কেউ। আট বছর পরে আফ্রিকা রওনা দিল তার দুই সন্তান জুগা আর রবিন, পরিচয় হলো মাঙ্গো সেইন্ট জন আর ক্লিনটন কড্রিংটনের সাথে। বিচিত্র সব বিপদ মোকাবেলা করে দুই ভাইবোন উপস্থিত হলো আফ্রিকার গহীনে। তারপর? ওরা কি খুঁজে পেয়েছিল ওদের বাবাকে? দাসব্যবসার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে পেরেছিল রবিন? অতি আকাঙ্ক্ষিত মনোমাতাপা’র রাজ্যের ঠিকানা শেষ পর্যন্ত খুঁজে পেয়েছিল জুগা? ক্লিনটন আর মাঙ্গোর’ই বা কী হলো? সব প্রশ্নের উত্তর পাঠক খুঁজে পাবেন ‘আ ফ্যালকন ফ্লাইজ’ এ।
Everything Is F*cked
আমরা বড্ড অদ্ভুত একটা সময়ে বাস করছি। ইতিহাসের যেকোনো সময়ের তুলনায় বর্তমানে সবকিছুই উন্নত, সস্তা আর প্রাচুর্যে পরিপূর্ণ। কিন্তু তবুও সবকিছুই কেমন যেন উচ্ছন্নে চলে গেছে- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, সরকার ব্যর্থ হচ্ছে, অর্থনীতি ভেঙে পড়ছে, মানুষ অল্পতেই অপমান বোধ করছে। সবকিছু মিলিয়ে আশাহীন একটা সময় পার করছি আমরা। হচ্ছেটা কী আসলে? কেউ যদি থেকে থাকে সমস্যাটা ধরিয়ে দেবার আর সেই সমস্যা সমাধানে সাহায্য করবার মতো তাহলে সেটা ঠোঁটকাটা মার্ক ম্যানসন। “এভ্রিথিং ইয ফা*ড” বইতে মার্ক ম্যানসন তুলে এনেছেন প্রতিটি মানুষের অন্তর্নিহিত ত্রুটিগুলো, পৃথিবীতে চলমান বিপর্যয়সমূহকে। প্লেটো, নিৎশে আর টম ওয়েইটসের মতো ব্যক্তিদের জ্ঞানকে পুঁজি করে তিনি বর্ণনা করেছেন বর্তমান যুগের সঙ্কটের ধরণ ও তার কারণ। ধর্ম ও রাজনীতির ব্যবচ্ছেদের মাধ্যমে দেখিয়ে দিয়েছেন এই দুইয়ের মাঝে সম্পর্ককে। চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়েছেন অর্থের সাথে আমাদের সম্পর্ককে, বিনোদনের সাথে ইন্টারনেটের অপরিহার্যতাকে। ইতিবাচক কিছু আমাদের কীভাবে কুরে কুরে খেতে পারে তাও দেখিয়েছেন নির্দ্বিধায়। আমাদের বিশ্বাস, আনন্দ, স্বাধীনতার সংজ্ঞাকে করেছেন প্রশ্নবিদ্ধ; বাদ দেননি আশাকেও। স্বভাবসুলভ হাস্যরস আর তির্যক বাক্যের মাধ্যমে এই বইয়ে মার্ক ম্যানসন আমাদের চ্যালেঞ্জ করেছেন নিজের প্রতি সৎ হবার, বাইরের দুনিয়ার সাথে নিজেকে সংযুক্ত করবার। চলুন পাঠক, আরেকবার ঘুরে আসা যাক মার্ক ম্যানসনের তেতো সত্যের দুনিয়ায়!
Everything Is F*cked
আমরা বড্ড অদ্ভুত একটা সময়ে বাস করছি। ইতিহাসের যেকোনো সময়ের তুলনায় বর্তমানে সবকিছুই উন্নত, সস্তা আর প্রাচুর্যে পরিপূর্ণ। কিন্তু তবুও সবকিছুই কেমন যেন উচ্ছন্নে চলে গেছে- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, সরকার ব্যর্থ হচ্ছে, অর্থনীতি ভেঙে পড়ছে, মানুষ অল্পতেই অপমান বোধ করছে। সবকিছু মিলিয়ে আশাহীন একটা সময় পার করছি আমরা। হচ্ছেটা কী আসলে? কেউ যদি থেকে থাকে সমস্যাটা ধরিয়ে দেবার আর সেই সমস্যা সমাধানে সাহায্য করবার মতো তাহলে সেটা ঠোঁটকাটা মার্ক ম্যানসন। “এভ্রিথিং ইয ফা*ড” বইতে মার্ক ম্যানসন তুলে এনেছেন প্রতিটি মানুষের অন্তর্নিহিত ত্রুটিগুলো, পৃথিবীতে চলমান বিপর্যয়সমূহকে। প্লেটো, নিৎশে আর টম ওয়েইটসের মতো ব্যক্তিদের জ্ঞানকে পুঁজি করে তিনি বর্ণনা করেছেন বর্তমান যুগের সঙ্কটের ধরণ ও তার কারণ। ধর্ম ও রাজনীতির ব্যবচ্ছেদের মাধ্যমে দেখিয়ে দিয়েছেন এই দুইয়ের মাঝে সম্পর্ককে। চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়েছেন অর্থের সাথে আমাদের সম্পর্ককে, বিনোদনের সাথে ইন্টারনেটের অপরিহার্যতাকে। ইতিবাচক কিছু আমাদের কীভাবে কুরে কুরে খেতে পারে তাও দেখিয়েছেন নির্দ্বিধায়। আমাদের বিশ্বাস, আনন্দ, স্বাধীনতার সংজ্ঞাকে করেছেন প্রশ্নবিদ্ধ; বাদ দেননি আশাকেও। স্বভাবসুলভ হাস্যরস আর তির্যক বাক্যের মাধ্যমে এই বইয়ে মার্ক ম্যানসন আমাদের চ্যালেঞ্জ করেছেন নিজের প্রতি সৎ হবার, বাইরের দুনিয়ার সাথে নিজেকে সংযুক্ত করবার। চলুন পাঠক, আরেকবার ঘুরে আসা যাক মার্ক ম্যানসনের তেতো সত্যের দুনিয়ায়!
Why Didn’t They Ask Evans And Other Stories
পাহাড়ের চূড়া থেকে ভুলক্রমে পা ফস্কেই কি তাহলে মৃত্যু ঘটলো অপরিচিত ব্যক্তিটির? নাকি এর পেছনে অশুভ কোনো বিষয় লুকিয়ে রয়েছে? ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ববি জোন্স এবং ফ্রান্সিস ডারোয়েন্টের সন্দেহ আস্তে আস্তে বাড়তে থাকলো। বিশেষ করে তাদের মনোযোগ আকর্ষণ করল মৃত ব্যক্তিটির বলা শেষ কথাগুলো, "কেন তারা ইভান্সকে জিজ্ঞেস করেনি?" উদ্ভট এবং একই সাথে ধাঁধায় পরিপূর্ণ এই কথাগুলো অর্থ বুঝতে বদ্ধপরিকর ববি এবং ফ্রান্সিস রহস্য উন্মোচনের খেলায় নেমে পড়ল। কিন্তু দুর্ভাগক্রমে তারা বিপদের সম্মুখীন হতে থাকল এবং ইভান্সকে খোঁজার প্রক্রিয়া আস্তে আস্তে কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে পড়ল। রহস্যসম্রাজ্ঞীর ধাঁধায় পরিপূর্ণ লেখনীতে বুঁদ হয়ে যাওয়ার জন্য পাঠককে স্বাগতম।
Why Didn’t They Ask Evans And Other Stories
পাহাড়ের চূড়া থেকে ভুলক্রমে পা ফস্কেই কি তাহলে মৃত্যু ঘটলো অপরিচিত ব্যক্তিটির? নাকি এর পেছনে অশুভ কোনো বিষয় লুকিয়ে রয়েছে? ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ববি জোন্স এবং ফ্রান্সিস ডারোয়েন্টের সন্দেহ আস্তে আস্তে বাড়তে থাকলো। বিশেষ করে তাদের মনোযোগ আকর্ষণ করল মৃত ব্যক্তিটির বলা শেষ কথাগুলো, "কেন তারা ইভান্সকে জিজ্ঞেস করেনি?" উদ্ভট এবং একই সাথে ধাঁধায় পরিপূর্ণ এই কথাগুলো অর্থ বুঝতে বদ্ধপরিকর ববি এবং ফ্রান্সিস রহস্য উন্মোচনের খেলায় নেমে পড়ল। কিন্তু দুর্ভাগক্রমে তারা বিপদের সম্মুখীন হতে থাকল এবং ইভান্সকে খোঁজার প্রক্রিয়া আস্তে আস্তে কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে পড়ল। রহস্যসম্রাজ্ঞীর ধাঁধায় পরিপূর্ণ লেখনীতে বুঁদ হয়ে যাওয়ার জন্য পাঠককে স্বাগতম।
The Bastard of Istanbul
১৯১৫ সালে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনার দগদগে ক্ষত বুকে বয়ে চলেছে কিছু আর্মেনীয় পরিবার। তুর্কী সেনাবাহিনী কি আসলেই গণহত্যা চালিয়েছিল? নাকি কথাগুলো সবই ক্যাফে কন্সটানটিনোপলে চ্যাট করতে আসা মানুষগুলোর মনের ভুল? কীসের নেশায় ক্যাফে কুন্দেরায় চেয়ার পেতে বসে শ্রমবিমুখ মানুষগুলো? নিজের জন্মদাত্রীকে কেন ‘খালা’ ডাকে আসিয়া? উত্তরটা জানা আছে বানু খালার। তবে কিছু কিছু সত্য উন্মোচন না করাই হয়ত ভালো। দুষ্টু ছেলের হাসিতে শরীরটা শীতল হয়ে যায় তার গভীর রাতে। নিজের পরিবারের সত্য উন্মোচন করতে ইস্তানবুলে এসেছে আরমানুশ চাখমাখচিয়ান, নাকি মায়ের আদরের এমি? কতটুকু উদ্ধার করতে পারবে হারানো অতীত? দাদীমা সুসানের কষ্ট লাঘব করতে পারবে সে? উদ্ধত দুর্বিনীত জেলিহা কাযাঞ্চি বুকের মাঝে বয়ে চলেছে কীসের ব্যথা? ছেলের জন্য রাঁধা আশুরে কি সত্যিই সৌভাগ্য বয়ে নিয়ে এলো কুলসুমের জন্য? প্রশ্নগুলোর উত্তর জানাটা জরুরী। তারচেয়েও জরুরী একটা কথা, জীবনের গোটা ব্যাপারটাই একটা কাকতাল মাত্র!
The Bastard of Istanbul
১৯১৫ সালে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনার দগদগে ক্ষত বুকে বয়ে চলেছে কিছু আর্মেনীয় পরিবার। তুর্কী সেনাবাহিনী কি আসলেই গণহত্যা চালিয়েছিল? নাকি কথাগুলো সবই ক্যাফে কন্সটানটিনোপলে চ্যাট করতে আসা মানুষগুলোর মনের ভুল? কীসের নেশায় ক্যাফে কুন্দেরায় চেয়ার পেতে বসে শ্রমবিমুখ মানুষগুলো? নিজের জন্মদাত্রীকে কেন ‘খালা’ ডাকে আসিয়া? উত্তরটা জানা আছে বানু খালার। তবে কিছু কিছু সত্য উন্মোচন না করাই হয়ত ভালো। দুষ্টু ছেলের হাসিতে শরীরটা শীতল হয়ে যায় তার গভীর রাতে। নিজের পরিবারের সত্য উন্মোচন করতে ইস্তানবুলে এসেছে আরমানুশ চাখমাখচিয়ান, নাকি মায়ের আদরের এমি? কতটুকু উদ্ধার করতে পারবে হারানো অতীত? দাদীমা সুসানের কষ্ট লাঘব করতে পারবে সে? উদ্ধত দুর্বিনীত জেলিহা কাযাঞ্চি বুকের মাঝে বয়ে চলেছে কীসের ব্যথা? ছেলের জন্য রাঁধা আশুরে কি সত্যিই সৌভাগ্য বয়ে নিয়ে এলো কুলসুমের জন্য? প্রশ্নগুলোর উত্তর জানাটা জরুরী। তারচেয়েও জরুরী একটা কথা, জীবনের গোটা ব্যাপারটাই একটা কাকতাল মাত্র!
Behind Closed Doors
নিখুঁত জুটি বলতে যা বোঝায়, জ্যাক আর গ্রেস দম্পতি ঠিক তাই। কী নেই ওদের? জ্যাকের আছে অর্থ-বিত্ত, পুরুষত্ব... অপরদিকে গ্রেসও সুন্দরী, সংসারী। সুখী দম্পতির উজ্জ্বল নিদর্শন সবার চোখে। ঈর্ষার ব্যাপার। একদিন বাড়িতে আয়োজন করা হয়েছে ডিনার পার্টি। হাজির সব বন্ধুবান্ধব, চলছে আনন্দে উদযাপন, ঝড়ছে ওয়াইনের বৃষ্টি। কৃতজ্ঞতাস্বরূপ গ্রেসের বন্ধুরাও পরের সপ্তাহে জানাল লাঞ্চের নিমন্ত্রণ। অবশ্যই যেতে চায় মেয়েটা, তবে জানে তা কখনোই সম্ভব নয়। কিন্তু কেন? বন্ধুদের ফোন কেন ধরছে না গ্রেস? এত দারুণ দারুণ রান্নাবান্নার পরেও মেয়েটা দুর্ভিক্ষে ভোগা মানুষের মতো চিকন থাকে কেন? কেনই বা শোবার ঘরের জানালায় লাগানো জেলের মতো লৌহগরাদ? নিখুঁত দম্পতি, নাকি নির্ভেজাল মিথ্যা? রহস্য উন্মোচনে পাঠককে আমন্ত্রণ।
Behind Closed Doors
নিখুঁত জুটি বলতে যা বোঝায়, জ্যাক আর গ্রেস দম্পতি ঠিক তাই। কী নেই ওদের? জ্যাকের আছে অর্থ-বিত্ত, পুরুষত্ব... অপরদিকে গ্রেসও সুন্দরী, সংসারী। সুখী দম্পতির উজ্জ্বল নিদর্শন সবার চোখে। ঈর্ষার ব্যাপার। একদিন বাড়িতে আয়োজন করা হয়েছে ডিনার পার্টি। হাজির সব বন্ধুবান্ধব, চলছে আনন্দে উদযাপন, ঝড়ছে ওয়াইনের বৃষ্টি। কৃতজ্ঞতাস্বরূপ গ্রেসের বন্ধুরাও পরের সপ্তাহে জানাল লাঞ্চের নিমন্ত্রণ। অবশ্যই যেতে চায় মেয়েটা, তবে জানে তা কখনোই সম্ভব নয়। কিন্তু কেন? বন্ধুদের ফোন কেন ধরছে না গ্রেস? এত দারুণ দারুণ রান্নাবান্নার পরেও মেয়েটা দুর্ভিক্ষে ভোগা মানুষের মতো চিকন থাকে কেন? কেনই বা শোবার ঘরের জানালায় লাগানো জেলের মতো লৌহগরাদ? নিখুঁত দম্পতি, নাকি নির্ভেজাল মিথ্যা? রহস্য উন্মোচনে পাঠককে আমন্ত্রণ।