Ramses: The Battle of Kadesh
৳ 309 Original price was: ৳ 309.৳ 232Current price is: ৳ 232.
Author: Christian Jacq
Translator: Wasee Ahmed Rafi
মিশরকে বাঁচাতে দুর্ধর্ষ হিট্টিবাহিনীর মুখোমুখি হতে হবে রামেসিসকে। কিন্তু অস্ত্র আর শক্তি – দু’দিক থেকেই এগিয়ে আছে হিট্টিরা। এদিকে যুদ্ধ এড়াবার কোনও উপায়ও নেই। আপাতদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে, কাদেশ, উত্তর সিরিয়ায় হিট্টিদের সব কঠিন ঘাঁটিতে গিয়েই লড়তে হবে রামেসিসকে।
আবার মিশর রক্ষায় যে পূর্ণ মনোযোগ দেবেন, সে উপায়ও নেই। ভয়াবহ এক অভিশাপের শিকার হয়ে দিন দিন দূর্বল হয়ে পড়ছেন রাজমহিষী।
ঘরে- বাইরে দু’দিক থেকেই বিপদ ধেয়ে আসছে। রাজমহিষীকে বাঁচাতে হলে দক্ষিনে যেতে হবে রামেসিসকে, নিয়ে আসতে হবে প্রাচীন এক গোপন প্রতিষেধক। এরপর এগোতে হবে উত্তরে, যেখানে হিট্টিরা অস্ত্র শান দিয়ে তার অপেক্ষায় বসে আছে।
রামেসিস কী পারবেন এমন কঠিন সময়ে শক্ত হাতে সবকিছু সামাল দিতে?
80 in stock
K
Additional information
| Author | Christian Jacq |
|---|---|
| Translator | Wasee Ahmed Rafi |
| Cover Designer | Adnan Ahmed Rizon |
| Language | Bangla |
| ISBN | 9789849243717 |
| Page Number | 300 |
| Release Date | November 2016 |
Related products
The Bastard of Istanbul
১৯১৫ সালে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনার দগদগে ক্ষত বুকে বয়ে চলেছে কিছু আর্মেনীয় পরিবার। তুর্কী সেনাবাহিনী কি আসলেই গণহত্যা চালিয়েছিল? নাকি কথাগুলো সবই ক্যাফে কন্সটানটিনোপলে চ্যাট করতে আসা মানুষগুলোর মনের ভুল? কীসের নেশায় ক্যাফে কুন্দেরায় চেয়ার পেতে বসে শ্রমবিমুখ মানুষগুলো? নিজের জন্মদাত্রীকে কেন ‘খালা’ ডাকে আসিয়া? উত্তরটা জানা আছে বানু খালার। তবে কিছু কিছু সত্য উন্মোচন না করাই হয়ত ভালো। দুষ্টু ছেলের হাসিতে শরীরটা শীতল হয়ে যায় তার গভীর রাতে। নিজের পরিবারের সত্য উন্মোচন করতে ইস্তানবুলে এসেছে আরমানুশ চাখমাখচিয়ান, নাকি মায়ের আদরের এমি? কতটুকু উদ্ধার করতে পারবে হারানো অতীত? দাদীমা সুসানের কষ্ট লাঘব করতে পারবে সে? উদ্ধত দুর্বিনীত জেলিহা কাযাঞ্চি বুকের মাঝে বয়ে চলেছে কীসের ব্যথা? ছেলের জন্য রাঁধা আশুরে কি সত্যিই সৌভাগ্য বয়ে নিয়ে এলো কুলসুমের জন্য? প্রশ্নগুলোর উত্তর জানাটা জরুরী। তারচেয়েও জরুরী একটা কথা, জীবনের গোটা ব্যাপারটাই একটা কাকতাল মাত্র!
The Bastard of Istanbul
১৯১৫ সালে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনার দগদগে ক্ষত বুকে বয়ে চলেছে কিছু আর্মেনীয় পরিবার। তুর্কী সেনাবাহিনী কি আসলেই গণহত্যা চালিয়েছিল? নাকি কথাগুলো সবই ক্যাফে কন্সটানটিনোপলে চ্যাট করতে আসা মানুষগুলোর মনের ভুল? কীসের নেশায় ক্যাফে কুন্দেরায় চেয়ার পেতে বসে শ্রমবিমুখ মানুষগুলো? নিজের জন্মদাত্রীকে কেন ‘খালা’ ডাকে আসিয়া? উত্তরটা জানা আছে বানু খালার। তবে কিছু কিছু সত্য উন্মোচন না করাই হয়ত ভালো। দুষ্টু ছেলের হাসিতে শরীরটা শীতল হয়ে যায় তার গভীর রাতে। নিজের পরিবারের সত্য উন্মোচন করতে ইস্তানবুলে এসেছে আরমানুশ চাখমাখচিয়ান, নাকি মায়ের আদরের এমি? কতটুকু উদ্ধার করতে পারবে হারানো অতীত? দাদীমা সুসানের কষ্ট লাঘব করতে পারবে সে? উদ্ধত দুর্বিনীত জেলিহা কাযাঞ্চি বুকের মাঝে বয়ে চলেছে কীসের ব্যথা? ছেলের জন্য রাঁধা আশুরে কি সত্যিই সৌভাগ্য বয়ে নিয়ে এলো কুলসুমের জন্য? প্রশ্নগুলোর উত্তর জানাটা জরুরী। তারচেয়েও জরুরী একটা কথা, জীবনের গোটা ব্যাপারটাই একটা কাকতাল মাত্র!
Taj Mohol Trilogy: The Feast of Roses
সম্রাট জাহাঙ্গীরের বিশতম স্ত্রী হয়ে এলেন মেহেরুন্নিসা, ওরফে সম্রাজ্ঞী নূর জাহান। বিয়ের পর থেকেই সম্রাট এবং সাম্রাজ্য-এ দুইয়ের দায়িত্ব নিজের হাতে তুলে নিলেন তিনি। বিশাল মুঘল সাম্রাজ্যকে সামলানাে কোনাে পুরুষের পক্ষেই দুরহ ব্যাপার, সেখানে অন্তঃপুরবাসিনী মেহেরুন্নিসা এই দায়িত্ব কিভাবে পালন করবেন সম্রাটের হারেম এবং দরবার-দুই দিক থেকেই নানা রকম বাধাবিপত্তির সম্মুখীন হতে হলাে তাকে। এসব কাটিয়ে উঠে তিনি কী পারবেন নিজের স্বপ্নকে সফল করতে? তার প্রতি সম্রাটের ভালবাসায় চিড় ধরবে না তাে? দ্য টুয়েন্টিয়েথ ওয়াইফের সফলতার পর তাজমহল ট্রিলােজির দ্বিতীয় বইয়ে ইন্দু সুন্দরেসান লিখেছেন সেই সময়ের কাহিনী, যখন সম্রাজ্ঞী নূর জাহানের বর্ণাঢ্য জীবনের সূর্য মধ্য গগণে। এ কাহিনী ভালবাসার, ক্ষমতার, ঈর্ষার, প্রতিশােধের। প্রিয় পাঠক, মুঘল সাম্রাজ্যের জাদুময় দুনিয়ায় আপনাদের আরও একবার স্বাগতম।
Taj Mohol Trilogy: The Feast of Roses
সম্রাট জাহাঙ্গীরের বিশতম স্ত্রী হয়ে এলেন মেহেরুন্নিসা, ওরফে সম্রাজ্ঞী নূর জাহান। বিয়ের পর থেকেই সম্রাট এবং সাম্রাজ্য-এ দুইয়ের দায়িত্ব নিজের হাতে তুলে নিলেন তিনি। বিশাল মুঘল সাম্রাজ্যকে সামলানাে কোনাে পুরুষের পক্ষেই দুরহ ব্যাপার, সেখানে অন্তঃপুরবাসিনী মেহেরুন্নিসা এই দায়িত্ব কিভাবে পালন করবেন সম্রাটের হারেম এবং দরবার-দুই দিক থেকেই নানা রকম বাধাবিপত্তির সম্মুখীন হতে হলাে তাকে। এসব কাটিয়ে উঠে তিনি কী পারবেন নিজের স্বপ্নকে সফল করতে? তার প্রতি সম্রাটের ভালবাসায় চিড় ধরবে না তাে? দ্য টুয়েন্টিয়েথ ওয়াইফের সফলতার পর তাজমহল ট্রিলােজির দ্বিতীয় বইয়ে ইন্দু সুন্দরেসান লিখেছেন সেই সময়ের কাহিনী, যখন সম্রাজ্ঞী নূর জাহানের বর্ণাঢ্য জীবনের সূর্য মধ্য গগণে। এ কাহিনী ভালবাসার, ক্ষমতার, ঈর্ষার, প্রতিশােধের। প্রিয় পাঠক, মুঘল সাম্রাজ্যের জাদুময় দুনিয়ায় আপনাদের আরও একবার স্বাগতম।
The Spy
The Spy
Seraglio Sultan Suleiman 2nd Part
আমার ছেলেদেরকে কবে আর কখন খুন করলে ভালো হয়? ভাবলেন সুলতান সুলেইমান। পারব কি কাজটা করতে? আমার পিতা পেরেছিলেন। তার পর এই দায়িত্বটা তো আমার উপরেই বর্তায়। আমি কেন মুস্তাফার জন্য পিতা হিসেবে একই কাজটা করব না? হ্যাঁ, শাহজাদা তো মুস্তাফাই। কিন্তু একবার সিংহাসনে বসার পর, রাতে শান্তির ঘুম ঘুমাতে চাইলে অন্য দাবীদারকে ওর হত্যা করতেই হবে। সেলিমকে হারাতে খুব একটা কষ্ট হবে না। কিন্তু ছোট্ট জাহাঙ্গীরের কী হবে? বাচ্চাটা তো মাছির কষ্টও সহ্য করতে পারে না! পঙ্গু ছেলেটা কার কী ক্ষতি করবে! ওকেও কী জল্লাদের হাতে তুলে দেব? আর হুররেম, আমার মিষ্টি হুররেম; ওর কী হবে? মুস্তাফা সিংহাসনে বসার সাথে সাথে ওর মা হুররেমকে বসফরাসের পানিতে চুবিয়ে পারবে। আগেও একবার গুলবাহার ক্ষতি করতে চেয়েছিল রানির। এখন নাকি মোটা হয়েছে মুস্তাফার মা। মানিশায় বসে বসে হুররেমের নামে কুৎসা গেয়ে আর ওকে ডাইনী বলে গালি দিয়েই দিন কাটে এখন তার। ওর কাছ থেকে আর যা-ই হোক, ক্ষমা আশা করা যায় না। কী করব তাহলে আমি? আমার অন্য সন্তানদের খুন করব? নাকি সমস্যাটা মৃত্যুর সময় আমার বড় ছেলের ঘাড়ে চাপিয়ে দেব? আর যদি খুন করি, তাহলে কবে বা কখন করব? আর ওদের মা, একমাত্র যে মেয়েটাকে আমি এ জীবনে ভালবেসেছি, তার-ই বা কী হবে?
Seraglio Sultan Suleiman 2nd Part
আমার ছেলেদেরকে কবে আর কখন খুন করলে ভালো হয়? ভাবলেন সুলতান সুলেইমান। পারব কি কাজটা করতে? আমার পিতা পেরেছিলেন। তার পর এই দায়িত্বটা তো আমার উপরেই বর্তায়। আমি কেন মুস্তাফার জন্য পিতা হিসেবে একই কাজটা করব না? হ্যাঁ, শাহজাদা তো মুস্তাফাই। কিন্তু একবার সিংহাসনে বসার পর, রাতে শান্তির ঘুম ঘুমাতে চাইলে অন্য দাবীদারকে ওর হত্যা করতেই হবে। সেলিমকে হারাতে খুব একটা কষ্ট হবে না। কিন্তু ছোট্ট জাহাঙ্গীরের কী হবে? বাচ্চাটা তো মাছির কষ্টও সহ্য করতে পারে না! পঙ্গু ছেলেটা কার কী ক্ষতি করবে! ওকেও কী জল্লাদের হাতে তুলে দেব? আর হুররেম, আমার মিষ্টি হুররেম; ওর কী হবে? মুস্তাফা সিংহাসনে বসার সাথে সাথে ওর মা হুররেমকে বসফরাসের পানিতে চুবিয়ে পারবে। আগেও একবার গুলবাহার ক্ষতি করতে চেয়েছিল রানির। এখন নাকি মোটা হয়েছে মুস্তাফার মা। মানিশায় বসে বসে হুররেমের নামে কুৎসা গেয়ে আর ওকে ডাইনী বলে গালি দিয়েই দিন কাটে এখন তার। ওর কাছ থেকে আর যা-ই হোক, ক্ষমা আশা করা যায় না। কী করব তাহলে আমি? আমার অন্য সন্তানদের খুন করব? নাকি সমস্যাটা মৃত্যুর সময় আমার বড় ছেলের ঘাড়ে চাপিয়ে দেব? আর যদি খুন করি, তাহলে কবে বা কখন করব? আর ওদের মা, একমাত্র যে মেয়েটাকে আমি এ জীবনে ভালবেসেছি, তার-ই বা কী হবে?

Reviews
There are no reviews yet.